কোনো দেশের মোট জনসংখ্যা ও কার্যকর ভূমির অনুপাতে ভারসাম্য থাকলেই তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে।
অধিক জন্মহার ও মৃত্যুহার পৃথিবীর জনসংখ্যা পরিবর্তনের ধারার প্রথম পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য।
সূদুর অতীতকাল থেকে ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে প্রাথমিক পর্যায় বলে। এ সময় পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ও বৃদ্ধির হার উভয় ছিল কম। এই পর্যায়ে পৃথিবীর সকল অংশেই জন্ম ও মৃত্যুর হার উভয় খুব বেশি ছিল।
যমুনা নদীর পাড় ভাঙনের ফলে রহিম মিয়া ঢাকায় চলে আসতে বাধ্য হয়। এখানে অভিবাসনের বিকর্ষণমূলক কারণ জড়িত। অর্থাৎ সে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পরে অভিবাসন করে বা অভিবাসী হয়।
অভিগমনের এ ধরনের অন্যান্য বিকর্ষণমূলক কারণের মধ্যে রয়েছে:
বিকর্ষণমূলক কারণ:
i.
জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা
ii.
সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক বৈষম্য
iii.
অর্থনৈতিক মন্দা।
iv.
ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রমাগত ক্ষয়ক্ষতি
রহিম মিয়ার বসবাসকৃত অঞ্চল দুটির জনসংখ্যায় ঘনত্বের তারতম্য অপ্রাকৃতিক নিয়ামক দ্বারা প্রবাবিত।
রহিম মিয়ার বর্তমান বসবাসকৃত এলাকা তথা ঢাকার জনবসতির ঘনত্ব মূলত অপ্রাকৃতিক নিয়ামক দ্বারা প্রভাবিত। অর্থাৎ ঢাকায় আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সুবিধাদি ব্যাপক থাকায় এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব অত্যধিক। অন্যদিকে যমুনা তীরবর্তী অঞ্চল বসবাসের জন্য প্রাকৃতিকভাবে উপযোগী হলেও নদী ভাঙনের মতো দুর্যোগ এবং সামাজিক সুযোগ- সুবিধার অভাব; সর্বোপরি কৃষি নির্ভরতা সেখানে ঘন জনবসতি গড়ে উঠতে দেয় নি। নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-
খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থানের জন্য যেখানে বেশি সুযোগ রয়েছে সেখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব অধিক হয়। ঢাকায় প্রাকৃতিক সুযোগ সুবিধা না থাকলেও সামাজিক সুবিধাবলি পাওয়ার জন্য অভিবাসনের মাধ্যমে। জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। যেমন- উদ্দীপকে রহিম মিয়া জীবিকার প্রয়োজনে এখন ঢাকা শহরে রিকশা চালায়। এছাড়া শিক্ষা, সংস্কৃতি আজকের যুগে মানুষকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও বিকাশের সুযোগ যে সব অঞ্চলে বেশি, সেসব অঞ্চলে জনবসতিও বেশি। উপরন্তু শিল্পাঞ্চলে, যেখানে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং যে সকল অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যায় সে সব অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। ঢাকায় বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা গড়ে উঠার কারণে এখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি।
সুতরাং বলা যায়, অপ্রাকৃতিক নিয়ামকের অনুকূল্যে ঢাকায় রহিমের গ্রামের
বাড়ি তথা যমুনা পাড়ের
জনবসতি থেকে জনঘনত্ব
অনেক বেশি।
অনুরূপ
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!