জামালের বয়স ৯ বছর। সে রফিক মিয়ার চায়ের দোকানে কাজ করে। রফিক মিয়া তাকে স্নেহ করেন। দোকানে চা খেতে আসা লোকদের গল্প শুনে জামালের লেখা-পড়া করার ইচ্ছা জাগে। সে ভাবে, শিক্ষিত হলে ভালোভাবে জীবন যাপন করতে পারবে। একদিন সে রফিক মিয়াকে তার ইচ্ছার কথা বলে। রফিক মিয়া তাকে নৈশ বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেয়।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ দুই

অধিকারকে প্রধানত দুই প্রকারে ভাগ করা যায়। যথা:

        
  • নৈতিক অধিকার (Moral Rights): এই অধিকারগুলো ব্যক্তির বিবেক, নীতিবোধ, ধর্ম বা সামাজিক রীতিনীতি দ্বারা স্বীকৃত। এগুলোর পেছনে কোনো আইনগত সমর্থন থাকে না এবং রাষ্ট্র এই অধিকারগুলো প্রয়োগে বাধ্য নয়। যেমন – দরিদ্রকে সাহায্য করার অধিকার, গুরুজনকে সম্মান জানানোর অধিকার ইত্যাদি। এই অধিকার লঙ্ঘিত হলে আইনগতভাবে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না।
  •     
  • আইনগত অধিকার (Legal Rights): এই অধিকারগুলো রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এবং আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য। অর্থাৎ, রাষ্ট্র এই অধিকারগুলো প্রয়োগের নিশ্চয়তা দেয় এবং এগুলো লঙ্ঘিত হলে আইনের আশ্রয় নেওয়া যায়। আইনগত অধিকার সমাজের সকল সদস্যের জন্য প্রযোজ্য এবং রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্র দ্বারা সুরক্ষিত। আইনগত অধিকারকে আবার কয়েকটি উপভাগে ভাগ করা যায়, যেমন –         
                  
    • বেসামরিক অধিকার (Civil Rights): জীবনধারণের অধিকার, সম্পত্তির অধিকার, চলাচলের স্বাধীনতা, চুক্তির স্বাধীনতা ইত্যাদি।
    •             
    • রাজনৈতিক অধিকার (Political Rights): ভোট দেওয়ার অধিকার, নির্বাচিত হওয়ার অধিকার, সরকারি চাকরি লাভের অধিকার ইত্যাদি।
    •             
    • অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার (Economic, Social & Cultural Rights): কাজের অধিকার, শিক্ষার অধিকার, স্বাস্থ্যসেবার অধিকার, সংস্কৃতি চর্চার অধিকার ইত্যাদি।
    •         
        

আইনগত অধিকারের মূল ভিত্তি হলো আইন, যা রাষ্ট্র দ্বারা প্রণীত ও কার্যকর হয়। অপরদিকে, নৈতিক অধিকারের ভিত্তি হলো সমাজের প্রথা, নীতি ও মূল্যবোধ।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক অধিকার বলতে সেইসব অধিকারকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তির অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জীবনধারণের নিশ্চয়তা, কর্মসংস্থান এবং সম্পদ অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করে। এই অধিকারগুলো ব্যক্তিকে অর্থনৈতিক শোষণের হাত থেকে রক্ষা করে এবং সমাজে সসম্মানে ও স্বাবলম্বী হয়ে জীবনযাপন করার সুযোগ সৃষ্টি করে।

ব্যক্তির মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং তার সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে অর্থনৈতিক অধিকার অপরিহার্য। এর অভাবে ব্যক্তি অর্থনৈতিক দিক থেকে পরাধীন হয়ে পড়ে এবং তার অন্যান্য নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারও অর্থহীন হয়ে যেতে পারে। একটি আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জন্য এই অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকে।

অর্থনৈতিক অধিকারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:

        
  • কর্মের অধিকার এবং পছন্দ অনুযায়ী পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার।
  •     
  • ন্যায্য মজুরি ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ লাভের অধিকার।
  •     
  • সম্পত্তি অর্জন, ভোগ ও হস্তান্তরের অধিকার।
  •     
  • ট্রেড ইউনিয়ন গঠন ও যোগদানের অধিকার।
  •     
  • বেকার ভাতা, পেনশন ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা লাভের অধিকার।
  •     
  • শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা লাভের অধিকার।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অর্থনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি ও বাস্তবায়ন সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি সুস্থ ও উন্নত সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

জামালের ইচ্ছা বাস্তবায়িত হলে সমাজে প্রধানত মানবাধিকার বা ব্যক্তিগত ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

কোনো ব্যক্তির (যেমন: জামালের) ইচ্ছা বাস্তবায়িত হওয়া বলতে বোঝায় তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা, নিরাপত্তা এবং সমাজে সম্মানজনক জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হওয়া। পৌরনীতি ও সুশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই ধরনের আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ হওয়ার মাধ্যমে সমাজে বিভিন্ন ধরনের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সম্মিলিতভাবে মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্ত। মানবাধিকার হলো সেই সকল মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা যা প্রতিটি মানুষের জন্মগত এবং যা তাকে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়।

জামালের ইচ্ছা বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে সমাজে নিম্নলিখিত প্রধান অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে:

        
  • নাগরিক অধিকার: যদি জামালের ইচ্ছা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, জীবনের নিরাপত্তা, চলাফেরার স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার এবং আইনের চোখে সমান অধিকারের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সমাজে নাগরিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। এই অধিকারগুলো ব্যক্তিকে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও তার ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ দেয়।
  •     
  • রাজনৈতিক অধিকার: যদি জামালের ইচ্ছা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ, সরকারের সমালোচনা করা বা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখা সম্পর্কিত হয়, তাহলে সমাজে রাজনৈতিক অধিকারের প্রতিষ্ঠা ঘটবে। এই অধিকারগুলো একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য।
  •     
  • অর্থনৈতিক অধিকার: যদি জামালের ইচ্ছা কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, পর্যাপ্ত জীবনযাত্রার মান, সামাজিক নিরাপত্তা (যেমন: পেনশন, বেকার ভাতা) এবং অবকাশের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সমাজে অর্থনৈতিক অধিকারের বাস্তবায়ন ঘটবে। এটি ব্যক্তির অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
  •     
  • সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার: যদি জামালের ইচ্ছা মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা এবং সামাজিক নিরাপত্তামূলক সুবিধা উপভোগের সাথে জড়িত হয়, তাহলে সমাজে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এসব অধিকার ব্যক্তিকে একটি সুস্থ, উন্নত ও অর্থবহ সামাজিক জীবন গঠনে সহায়তা করে।

সুতরাং, জামালের ইচ্ছার পূর্ণতা সমাজে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে প্রতিটি ব্যক্তি তার মর্যাদা ও স্বাধীনতা নিয়ে বাঁচতে পারে এবং তার পূর্ণ সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে পারে। এটি কেবল একজন ব্যক্তির নয়, বরং সামগ্রিকভাবে সমাজের সকল সদস্যের জন্য মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষার পথ প্রশস্ত করে, যা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সুশাসিত সমাজের ভিত্তি স্থাপন করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

রফিক মিয়ার ভূমিকায় বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে, যা তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং কর্মপন্থায় প্রতিফলিত হয়। প্রদত্ত প্রশ্নটি যেহেতু একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের বিশ্লেষণ চেয়েছে, তাই সুনির্দিষ্ট প্রেক্ষাপট ছাড়া সম্পূর্ণ চিত্র দেওয়া কঠিন। তবে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের আলোকে একজন আদর্শ নাগরিক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির ভূমিকায় যে সকল মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তা নিম্নরূপ বিশ্লেষণ করা যায়:

১. সততা ও নৈতিকতা (Honesty and Morality):

রফিক মিয়ার ভূমিকায় যদি সততা ও নৈতিকতার বিষয়টি প্রাধান্য পায়, তবে তিনি তার সকল কাজ ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করবেন। তিনি কোনো প্রকার দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা অসৎ উপায় অবলম্বন করবেন না। তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থে গৃহীত হবে, যা সমাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

২. দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যপরায়ণতা (Responsibility and Dutifulness):

একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে রফিক মিয়া তার ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন। সমাজের প্রতি, পরিবারের প্রতি বা তার কর্মক্ষেত্রের প্রতি তার যে কর্তব্য রয়েছে, তা তিনি সর্বান্তকরণে সম্পন্ন করবেন। সময়ের কাজ সময়ে করা, প্রতিশ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করা এবং নিজ কর্মের ফলাফল সম্পর্কে সচেতন থাকা তার এই মূল্যবোধের পরিচায়ক হবে।

৩. সহমর্মিতা ও সহানুভূতি (Empathy and Sympathy):

রফিক মিয়ার ভূমিকায় যদি মানবিক মূল্যবোধ যেমন সহমর্মিতা ও সহানুভূতি প্রতিফলিত হয়, তবে তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া বা বিপদগ্রস্ত মানুষের প্রতি সংবেদনশীল হবেন। তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সচেষ্ট হবেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন। এটি তার মধ্যে একটি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।

৪. ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষতা (Justice and Impartiality):

যদি রফিক মিয়া কোনো বিচারিক বা প্রশাসনিক ভূমিকায় থাকেন, তবে তার ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে সকলের প্রতি সমান আচরণ করবেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর থাকবেন। কারো প্রতি কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা তার এই মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ।

৫. দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ (Patriotism and Nationalism):

দেশপ্রেম রফিক মিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ হতে পারে। তিনি দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবেন। জাতীয় স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেবেন এবং দেশের আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন। দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি তার মমতা ও শ্রদ্ধা তার দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

উপরিউক্ত মূল্যবোধগুলো রফিক মিয়ার চরিত্রে প্রতিফলিত হলে তিনি সমাজে একজন অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং সুস্থ ও সুশাসিত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
58

Related Question

View All
উত্তরঃ

“Government of the people, by the people, for the people ”.

“জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, জনগণের সরকার ”।

তিনি ১৮৬৩ সালের গেটিসবার্গ ভাষণে দেন। গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ  ও সর্বজনীন স্বীকৃত সংজ্ঞা হিসেবে বিবেচিত।। 

Sajeda Akter
Sajeda Akter
1 year ago
2.4k
উত্তরঃ

ইতিহাস ও পৌরনীতি ও সুশাসন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পরিপূরক। ইতিহাস ব্যতীত পৌরনীতি ও সুশাসন এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ব্যতীত ইতিহাসের আলোচনা অসম্পূর্ণ, কারণ উভয় বিষয়ই মানব সমাজ, রাষ্ট্র এবং নাগরিক জীবনকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

পৌরনীতি ও সুশাসন মূলত নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে এবং এর মূল ভিত্তি হলো মানব সভ্যতার বিবর্তন। অন্যদিকে, ইতিহাস অতীতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা করে যা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিভিন্ন ধারণা যেমন – নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, সরকার ও সংবিধানের বিবর্তন ইত্যাদি বুঝতে সাহায্য করে। ইতিহাসের জ্ঞান না থাকলে একটি রাষ্ট্রের বর্তমান শাসনব্যবস্থা, আইনি কাঠামো বা নাগরিকদের অধিকারের পেছনের প্রেক্ষাপট বোঝা অসম্ভব। আবার, ইতিহাস রাষ্ট্র, সরকার ও নাগরিক জীবনের বিবর্তনকে সহজবোধ্য করতে পৌরনীতি ও সুশাসনের নীতি ও তত্ত্বের সাহায্য নেয়। এইভাবে, উভয় বিষয় একে অপরের তথ্য, ধারণা ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান প্রদান করে।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের ধারণা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের জ্ঞানার্জনের প্রয়োজন।

পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, রাষ্ট্র, আইন, স্বাধীনতা, সাম্য, সংবিধান, সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণাকারী একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান। এই বিষয়টি অধ্যয়ন করে নাগরিকগণ নিজেদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবন সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা লাভ করে। এটি একজন নাগরিককে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং একটি সুস্থ ও সুসংগঠিত সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

উদ্দীপকে সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে পৌরনীতি ও সুশাসন জ্ঞানার্জনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, "প্রত্যেকেরই নিজ নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।" এই সকল বিষয়গুলি অর্থাৎ নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা, আইন, রাষ্ট্র ও বিশ্ব সভ্যতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ অপরিহার্য। তাই সফিক সাহেব যে বিষয়টির জ্ঞানার্জনের গুরুত্বারোপ করেছেন, তা হলো পৌরনীতি ও সুশাসন।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
981
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সফিক সাহেবের গুরুত্বারোপ করা বিষয়টি হলো পৌরনীতি ও সুশাসন। নিঃসন্দেহে এই বিষয়ের জ্ঞান শুধু রাষ্ট্রের উন্নতি নয়, বিশ্ব সভ্যতার উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

সফিক সাহেব তার শিক্ষার্থীদের নাগরিক অধিকার, কর্তব্য, স্বাধীনতা ও আইন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে যখন ব্যক্তি তার অধিকার সম্পর্কে সজাগ থাকে এবং কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয়, তখন সে নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহারকারী নাগরিকেরা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করে, যা সামগ্রিক মানব সভ্যতার ভিত্তি।

পৌরনীতির জ্ঞান নাগরিকদের শুধুমাত্র নিজ দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে না, বরং আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব উপলব্ধিতে সহায়তা করে। যখন বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সহযোগিতার মূল্য বোঝে, তখনই বিশ্ব সভ্যতা এগিয়ে যায়। পরমতসহিষ্ণুতা, গণতন্ত্রের চর্চা, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ইত্যাদি পৌরনীতির মৌলিক ধারণাগুলো বিশ্বজুড়ে জাতিগত সংঘাত হ্রাস ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য।

সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিষয়ের জ্ঞান (পৌরনীতি ও সুশাসন) ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্ব সভ্যতার সার্বিক অগ্রগতি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়নে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে আমি দৃঢ়ভাবে একমত।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews