জামিল সাহেব দীর্ঘদিন যাবত উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। অবস্থা ক্রমশই জটিল হয়ে এলে তার ছেলে জিতু তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলো। ডাক্তার এনজিওগ্রাম করে দেখলেন যে, জামিল সাহেবের হার্টে দুটো ব্লক আছে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

কচি ডাবের পানি উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য উপকারী।

উত্তরঃ

উচ্চ রক্তচাপ একটি অসংক্রামক জটিল রোগ। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে কিডনি নষ্ট হওয়া, স্ট্রোক হওয়া ও হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

উত্তরঃ

একজন হৃদরোগীর জন্য নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জামিল সাহেব একজন হৃদরোগী। তিনি দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপে ভুগেছেন। অবশেষে ডাক্তার এনজিওগ্রাম করে জেনেছেন যে, তার হার্টে দুটো ব্লক আছে। একজন হৃদরোগী হিসেবে এখন তাকে অবশ্যই নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করতে হবে। এজন্য নিম্নলিখিত বিষয়ের প্রতি তাকে দৃষ্টি দিতে হবে- 

১. নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলা। 

২. নিয়মিত ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করা। 

৩. ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা। 

৪. নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা। 

৫. নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো। 

৬. মানসিক চাপ, উত্তেজনা ও রাগ নিয়ন্ত্রণ করা। 

৭. ধূমপান ও মদপান পরিহার করা। 

৮. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করা। 

৯. প্রতিদিন নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলা এবং 

১০. যেকোনো শারীরিক সমস্যায় জরুরি চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা।

উত্তরঃ

জামিল সাহেবের খাদ্য ব্যবস্থাপনা হতে হবে সঠিক ও যথোপযুক্ত। তিনি একজন হৃদরোগী। দীর্ঘদিন তিনি উচ্চ রক্তচাপে ভুগেছেন। সম্প্রতি এনজিওগ্রাম করে জানা গেছে যে তার হৃদযন্ত্রে দুটো ব্লক আছে। এ অবস্থায় সর্বপ্রথম তাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবনযাপন করতে হবে। হৃদরোগীর খাদ্য এমন হতে হবে যেন খাদ্যে রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যশক্তির চাইতে বেশি খাদ্যশক্তি গৃহীত না হয় এবং খাদ্য সুষম হয়। এ বিষয়গুলোর সাথে সাথে জামিল সাহেবকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে-

১. লাল চালের ভাত ও ভূসিসহ আটার রুটি খেতে হবে পরিমাণ মতো। 

২. বেশি আঁশযুক্ত খাদ্য যেমন- শাকসবজি ও ফল (টকফল) খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। 

৩. বিভিন্ন রঙিন সবজি প্রতিদিন গ্রহণ করতে হবে। 

৪. ডাল, বাদাম পরিমাণমতো খেতে হবে। 

৫. মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস, চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস, ডিম প্রয়োজনীয় পরিমাণে খেতে হবে। 

৬. ননীতোলা দুধ ও এ দুধের তৈরি টক দই খাওয়া ভালো।

৭. রান্নায় লবণ কম দিতে হবে এবং খাওয়ার সময় বাড়তি লবণ ৩. খাওয়া যাবে না। 

আর তাকে নিম্নোক্ত খাবারগুলো অবশ্যই বাদ দিতে হবে- 

১. মাখন, ঘি, ডালডা, ক্রিম, সস, বেশি তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাদ্য।

২. আইসক্রিম, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য।

৩. বেশি চর্বিযুক্ত মাংস, কলিজা, হাঁসমুরগির চামড়া দিয়ে খাদ্য। 

৪. বেশি লবণযুক্ত খাবার বা লবণে সংরক্ষিত খাবার।

৫. ফাস্টফুড, বিভিন্ন ড্রিংস, চাইনিজ লবণ ইত্যাদি। 

তাই বলা যায়, জামিল সাহেবের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় এদিকগুলো অবশ্যই গুরুত্বের সাথে বাস্তবায়ন করতে হবে।

153

Related Question

View All
উত্তরঃ

সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করা প্রয়োজন। 

নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। জীবনের দীর্ঘতা বা আয়ু বেড়ে যায়। ফলে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই সুস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ।

957
উত্তরঃ

মিসেস শীলা অনিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করেন এবং তার খাদ্যাভ্যাসও ত্রুটিপূর্ণ। ফলে তার ওজন বেড়ে যাচ্ছে এবং তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এমতাবস্থায় তার খাদ্যাভ্যাস যেরূপ হওয়া দরকার তা হলো- 

১. চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের ছয়টি উপাদান সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

২. যথাযথ সময় পরিকল্পনা করতে হবে। খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে হবে। খাওয়ার কমপক্ষে দু ঘণ্টা পর ঘুমাতে যেতে হবে। 

৩. পরিমিত পরিমাণে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করতে হবে। 

৪. ক্ষতিকর খাদ্যাভ্যাস যেমন অতিরিক্ত ক্যালরি এবং ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার পরিহার করতে হবে। 

৫. দৈনিক কিছু শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। 

৬. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য খাদ্য গ্রহণে সচেতন থাকতে হবে। 

৭. খাদ্য সম্পর্কিত কুসংস্কার পরিহার করতে হবে। 

উপরিউক্ত নিয়মে খাদ্য গ্রহণ করলে মিসেস শীলা খুব সহজেই তার স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন।

619
উত্তরঃ

মিসেস শীলার জীবনপ্রণালি সংশোধন না করলে তার শারীরিক জটিলতা থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত। 

মিসেস শীলার বয়স ৪৫ বছর। এই বয়সে সাধারণত মানুষের প্রোটিন ও ফ্যাটের চাহিদা হ্রাস পায় এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তাই এ সময় প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্য তার খাদ্য তালিকা থেকে কমাতে হবে এবং ভিটামিন ও খনিজ লবণের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

মিসেস শীলা পরোটা, মাংস, মিষ্টি, ডিম ইত্যাদি বেশি, পরিমাণে গ্রহণ করেন। এসকল খাদ্য গ্রহণের ফলে তার দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট সঞ্চিত হয়ে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া তার সময় ব্যবস্থাপনায়ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। তিনি সকালে অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমান। দুপুরে খাওয়ার পর ২ ঘণ্টা ঘুমান, আবার রাতে খাওয়ার সাথে সাথেই ঘুমিয়ে পড়েন। এই ধরনের জীবনযাপনের ফলে তার গৃহীত খাদ্য পরিপাকে সমস্যা দেখা দেয় এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং মিসেস শীলার শারীরিক জটিলতা থেকে উত্তরণের জন্য তার জীবন প্রণালির সংশোধন আবশ্যক।

568
উত্তরঃ

স্বাস্থ্যরক্ষায় আঁশ জাতীয় খাবার গুরুত্বপূর্ণ। 

বেশি পরিমাণে আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণে রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। এছাড়া আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পিত্তথলির রোগ, মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ্ব, এ্যাপেন্ডিকস, হৃদরোগ, স্থূলতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য রোগের প্রকোপ কমে।

685
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews