কGIS-এর পূর্ণরূপ- Geographical Information system.
জিপিএস এর সাহায্যে কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ইত্যাদি জানা যায়। সুতরাং, আমাদের দেশে ভূমি জরিপের কাজে যে ঝামেলা হয়, এ যন্ত্র ব্যবহারে তা দূর করা যায়। এছাড়া যেকোনো দুর্যোগকালীন সময়ে এর মাধ্যমে কোনো একটি স্থানের সঠিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ) নির্ণয় করে সাহায্য পাঠানো যায়।
উপরন্তু জিপিএস-এর মাধ্যমে কোনো স্থানের উচ্চতা ও দূরত্ব এবং ঐ স্থানের দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।
ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস (GIS) বলে।
জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক (Spatial) সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়ে থাকে। যেমন- হাতিরঝিল প্রকল্পে জিআইএস এর ব্যবহার।
বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি সম্পদ গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহৃত হচ্ছে। জিআইএসের মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্তের (data) উপস্থাপন ঘটিয়ে এবং তা বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির
উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যেমন- কোনো অঞ্চলের ভূমি ব্যবহার, পানি ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য, এই সবগুলো বিষয় দেখিয়ে জিআইএস এর মাধ্যমে সেই অঞ্চলের ফসল উৎপাদনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা যায়। যেমন- আমেরিকার খামার কৃষি (farming)।
প্রযুক্তির নব নব আবিষ্কারের মধ্যে ভূগোলবিদদের জন্য GIS ও
GPS অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
GPS এর মাধ্যমে ঝামেলা ছাড়াই জমির সীমানা চিহ্নিত করতে পারা যায়। এতে সময় অনেক কম অপচয় হয়। যেকোনো দুর্যোগকালীন সময়ে GPS এর মাধ্যমে কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ য় জানার মাধ্যমে সঠিক অবস্থান জেনে সেখানে সাহায্য পাঠানো যায়। এছাড়াও GIS এর মাধ্যমে ভূগোলবিদরা একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্ত উপস্থাপন ঘটিয়ে সেই উপাত্তগুলোকে মানচিত্রের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেয়। যেমন- একটি মানচিত্রের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, টপোগ্রাফি, ভূমির ব্যবহার, যোগাযোগ, মৃত্তিকা, রাস্তা ইত্যাদি সবকিছু দেখিয়ে আমরা একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুরো চিত্র সম্বন্ধে জানতে পারি।
সুতরাং বলা যায়, GIS ও GPS প্রযুক্তিগুলোর অবদানে ভূগোলের উত্তরোত্তর উন্নতিতে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছে।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!