জিটিআই কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

জিটিআই বা গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে কর্মমুখী করার লক্ষ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
439

Related Question

View All
উত্তরঃ

কৃষি ডাইরি কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক প্রকাশিত ডাইরি যেখানে আধুনিক কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্তের উল্লেখ থাকে।

বর্তমান গবেষণার ফলাফল ও আধুনিক কৃষির তথ্য উপাত্ত, যেমন- বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত, বীজ, সারের মাত্রা, সেচ, বালাইনাশক, সর্বশেষ প্রযুক্তি, বিভিন্ন পরিসংখ্যান ইত্যাদি তথ্য এ ডাইরিতে পাওয়া যায়। এ ডাইরিতে কৃষি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, অধিদপ্তর, সংস্থা, ব্যক্তি, সমিতি, সংগঠন ইত্যাদির ফোন/ফ্যাক্স নম্বর, ই- মেইল, ওয়েবসাইটসহ প্রয়োজনীয় যোগাযোগের ঠিকানা থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
467
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আয়োজনটি হলো উঠোন বৈঠক। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে এলাকার কোনো একজন কৃষকের বাড়ির উঠোনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় যাতে আশেপাশে বসবাসরত ৫০-৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। এখানে কৃষকেরা তাদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মূলত এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। একটি এলাকার কৃষকদের মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বিভিন্ন কৃষি সমস্যা সমাধান করে থাকে উঠোন বৈঠক। উঠোন বৈঠকে কোনো কৃষক যদি তার কৃষি সংক্রান্ত সমস্যা উত্থাপন করেন তবে অন্যান্য কৃষক তাকে সেই সংক্রান্ত সমাধান দিয়ে থাকেন। মাঝেমাঝে কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। অনেক সময় এমন সব সমস্যার উদ্ভব হয়, যা এলাকার সব কৃষক একসাথে মিলে সমাধান করেন। যেমন- খরাকালীন সময়ে সেচ সমস্যা, ফসলে রোগ বা পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা, মূল্যবান কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, নতুন কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ ও বর্জন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি। উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তা সহজেই কোনো এলাকার কৃষি সংক্রান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকেন। যার মাধ্যমে অল্প সময়ে তিনি কৃষকদের কৃষি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন।

তাই বলা যায়, কৃষি সেবা প্রাপ্তিতে উঠোন বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
341
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তা বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী দিবা দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে ফসল চাষ করতে পরামর্শ দেন। দিবা দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে ফসলকে ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়- 

i. স্বল্প দিবস ফসল 

ii. দীর্ঘ দিবস ফসল ও 

iii. দিবস নিরপেক্ষ ফসল।

যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য স্বল্পকালীন সময়ব্যাপী দিবালোক প্রয়োজন হয়, সেসব ফসলকে স্বল্প দিবস ফসল বলে। যেমন- ফুলকপি, সরিষা, আমন ধান ইত্যাদি। সাধারণত এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য ১২ ঘণ্টার কম অর্থাৎ, গড়ে ৯-১১ ঘণ্টা দিবালোকের প্রয়োজন হয়। যেসব ফসলের পুষ্পায়নের জন্য দীর্ঘ দিবালোকের প্রয়োজন হয় সেসব ফসলকে দীর্ঘ দিবস ফসল বলে। যেমন- মুলা, আলু ইত্যাদি। এসব ফসলের ফুল উৎপাদনের জন্য দৈনিক ১২ ঘণ্টার বেশি দিবা দৈর্ঘ্য ও অল্প সময়ের অন্ধকারের প্রয়োজন পড়ে। আবার, যেসব ফসলের পুষ্পায়নের উপর দিবা দৈর্ঘ্যের কোনো প্রভাব পড়ে না তাদের দিবস নিরপেক্ষ ফসল বলে। যেমন- আউশ ধান, আমন ধান, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি। কারণ এগুলোর ফুল-ফল উৎপাদনে দিবা দৈর্ঘ্যের প্রভাব কম থাকায় এগুলো আলোক স্থিতিকাল দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

অর্থাৎ, ফসলের ফুল ধারণের ওপর দিবালোকের প্রভাব বিবেচনা করে চাষ করলে সব ধরনের ফসল ফলানো সম্ভব। অতএব, কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
653
উত্তরঃ

বসতবাড়ির আশেপাশে, রাস্তার পাশে, পতিত জমিতে, রেললাইনের পাশে, প্রতিষ্ঠানের আশেপাশেসহ বিভিন্ন সামাজিক এলাকায় যে বন গড়ে উঠেছে তাকে সামাজিক বন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
342
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটিতে ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
998
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত অসিত বাবুর জমির মাটি কাদাযুক্ত এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এজন্য বলা যায়, জমিটির মাটি এঁটেল প্রকৃতির।

নিচে এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

i. এঁটেল মাটি ভারী মাটি নামে অভিহিত। 

ii. এ মাটিতে কমপক্ষে ৩৫% বা তার বেশি কর্দম বা এঁটেল কণা থাকে। 

iii. এ মাটিতে সূক্ষ্ম রন্দ্রের সংখ্যা খুব বেশি, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা খুব বেশি, কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম। 

iv. এ মাটির বায়ু ও পানি চলাচল ক্ষমতা কম। 

V. এঁটেল মাটি আঙুলে ঘষলে ট্যালকম পাউডারের মতো পিচ্ছিল মনে হয়। 

vi. এ মাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সংযুক্তি (cohesion) খুব বেশি। 

vii. আর্দ্র এঁটেল মাটি আঠালো ও চটচটে হয়, কিন্তু শুষ্ক অবস্থায় খুব শক্ত হয়। ফলে সহজে কর্ষণ করা যায় না। 

viii. এ প্রকার মাটির ধনাত্মক আয়ন বিনিময় ক্ষমতা খুব বেশি।

উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যাবলী থেকে এঁটেল মাটির প্রকৃতি জানা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
293
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews