যে রংগুলো অন্যান্য রঙের সংমিশ্রণে তৈরি হয় না বরং এদের সংমিশ্রণে অন্যান্য রং সৃষ্টি হয় তাকে মৌলিক রং বলে।
যেকোনো শিল্পের ভিত্তি হচ্ছে বিন্দু। পোশাকে বিন্দুর পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে ছন্দ আনয়ন করা যায়।
বিন্দু বড়, ছোট, মোটা বা চিকন হতে পারে। ছোট একটি বিন্দু যখন গতি পায় তখন তা থেকেই রেখা, আকৃতি, আকার গঠিত হতে পারে। আবার অসংখ্য ছোট ছোট বিন্দুর সমন্বয়ে নতুন এক অনুভূতির মাধ্যমে জমিন সৃষ্টি করা যায়, যাকে Stippling বলে।
জিনিয়ার দেহাকৃতি ও গায়ের রঙের সাথে পোশাকের রং মানানসই হওয়ার কারণেই সবাই তার প্রশংসা করলেন।
পোশাকের জন্য মানানসই রং নির্বাচন করে ব্যক্তিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। রং চেহারার মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারে। পোশাকের রং সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে একটি সাধারণ মেয়েকেও অসাধারণ মনে হবে। বয়স, ব্যক্তিত্ব, উপলক্ষ ইত্যাদি অনুসারে পোশাকের উপযুক্ত রং নির্বাচনে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস ও দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
জিনিয়ার গায়ের রং শ্যামলা এবং সে উচ্চতায় কম। একটি অনুষ্ঠানে সে হালকা রঙের ও খাড়া রেখার পোশাক পরে। শ্যামলা রঙের মেয়েদের হালকা রঙের পোশাকে কিছুটা ফর্সা লাগে। আবার খাড়া রেখার পোশাক খর্বকায় ব্যক্তির জন্য উপযোগী। কারণ এটি দেহের খর্বকায় ভাব কিছুটা দূর করে, লম্বা দেখায়। তাই অনুষ্ঠানে সবাই জিনিয়ার পোশাকের প্রশংসা করে।
শিলার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে হালকা রঙের ও খাড়া রেখার পোশাক নির্বাচন করা উচিত বলে আমি মনে করি।
পোশাকের জন্য মানানসই রং নির্বাচন করে ব্যক্তিকে আরও মাধূর্যময় করে তোলা যায়। আবার পোশাকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রেখাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কতগুলো রেখার সমন্বয়ে একটি পোশাকের আকৃতি গড়ে ওঠে। রেখার সুষ্ঠু বিন্যাসের মাধ্যমে দেহের ছোট খাটো ত্রুটি গোপন করা যায়।
উদ্দীপকের শিলার গায়ের রং শ্যামলা এবং সে খর্বকায় ও স্থূল প্রকৃতির। একটি অনুষ্ঠানে সে জাঁকজমকপূর্ণ বড় ছাপার ও ভারী জমিনের পোশাক পরে। পোশাকের রং সঠিকভাবে করলে একটি সাধারণ মেয়েকে অসাধারণ মনে হয়। দেহাকৃতি, বয়স, ব্যক্তিত্ব, উপলক্ষ ইত্যাদি অনুসারে পোশাকে উপযুক্ত রং নির্বাচনে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস ও দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। যেহেতু শিলার গায়ের রং অনুজ্জ্বল। তাই তাকে হালকা উজ্জ্বল রঙের পোশাক পরিধানে কিছুটা ফর্সা লাগবে। আবার সে খর্বকায় ও স্থূল। তাই তার জন্য খাড়া রেখার পোশাক বেশি উপযোগী। এতে তার দেহের খাটো ভাব দূর হবে এবং তাকে দেখতে চিকন ও লম্বা মনে হবে।
তাই শিলার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে হালকা রঙের, খাড়া রেখার পোশাক নির্বাচন করতে হবে।
Related Question
View Allযেকোনো শিল্পের ভিত্তি হলো শিল্পনীতি।
পোশাকের কেন্দ্র স্থির রেখে যখন দুই দিকে সমদূরত্বে সমওজনের বস্তুসামগ্রী রাখা হয় তখন তাকে পোশাকের ভারসাম্য বলে।
ভারসাম্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপাদান এমনভাবে বিন্যস্ত করা হয় যাতে কোনো একটি অংশ অন্যটির চেয়ে অধিক ভারি বা ক্ষমতাসম্পন্ন না হয়।
বন্যার সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা না কেনার কারণ তার দৈহিক গঠন।
গোলাকার চেহারার বন্যা উচ্চতায় কম হওয়ার কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি। কারণ সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। এতে তাদের দেহের কৃষভাব কিছুটা কম মনে হয়। এই রেখা আপাতদৃষ্টিতে কোনো কিছুর দৈর্ঘ্যকে হ্রাস এবং প্রশস্ততা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য ছোট গলা বা উঁচু কলার উপযুক্ত নয়। তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই।
বন্যা কম উচ্চতার ও গোলাকার চেহারার অধিকারী। এ কারণে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত জামা তার জন্য উপযোগী নয়। উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে বন্যা সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত জামা কেনেনি।
বন্যার পোশাক নির্বাচন সঠিক হয়েছে বলে আমি মনে করি।
দেহের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে পোশাকের প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য রুচিসম্মত পোশাক পরা উচিত।
বন্যা গোলাকার চেহারার খর্বকায় প্রকৃতির মেয়ে। সে মার্কেটে পোশাক কিনতে গিয়ে সমান্তরাল রেখার নকশাযুক্ত ও উঁচু কলার দেওয়া গলার বড় ছাপাযুক্ত দুটি জামা পছন্দ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঐ দুটি না কিনে 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা কেনে। এর কারণ হলো পোশাকে রেখা ও আকৃতির প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমান্তরাল রেখা লম্বা ও রোগা মানুষের জন্য উপযোগী। খাটো ও মোটা ব্যক্তির জন্য খাড়া রেখার নকশা উপযুক্ত। এতে তাদের খাটোভাব কিছুটা দূর হয়ে লম্বা মনে হবে এবং মোটা ব্যক্তিদের কিছুটা কম মোটা লাগবে। অপরদিকে খাটো ও মোটা মেয়েরা বড় বড় ছাপার শাড়ি বা জামা পরলে তাদের উচ্চতা আরো কম মনে হয় এবং মোটা লাগে। এদের জন্য ছোট ছোট ছাপার পোশাক উপযোগী। বন্যার মতো যাদের গ্রীবা খাটো তাদের জন্য 'ভি' বা 'ইউ' আকৃতির গলার নকশা মানানসই কিন্তু উঁচু কলার উপযুক্ত নয়।
এসকল দিক বিবেচনা করে বলা যায় যে, বন্যার 'ইউ' আকৃতির গলাযুক্ত খাড়া রেখার নকশাসমৃদ্ধ অন্য একটি জামা নির্বাচন সঠিক হয়েছে।
রং মূলত তিন প্রকার। যথা- মৌলিক, গৌণ ও প্রান্তিক রং।
পোশাকের রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
প্রত্যেক রঙেরই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব, দেহত্বকে উজ্জ্বলতা, দেহাকৃতির পরিবর্তন, প্রাধান্য সৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে রং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। তাছাড়া পোশাকে সমন্বয় রক্ষার জন্যও রং নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!