জিসান তার বিজ্ঞান শিক্ষকের দেওয়া 'ডান্ডদের বেঁচে থাকার জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা' শীর্ষক অ্যাসাইনমেন্ট নিচের পরীক্ষণ
পদ্ধতির ধাপসমূহ অনুসরণ করে করতে পারবে-
১. সমস্যা নির্ধারণ: ফুলগাছের চারা তুলে এনে লাগালে মারা যাচ্ছে কেন?
২. জানা তথ্য সংগ্রহ: জিসান বই পড়ে, শিক্ষককে বা পিতা-মাতাকে জিজ্ঞাসা করে জানার চেষ্টা করল কেন চারাগাছ মারা যেতে পারে। জিসান জানতে পারল যে পানি না পেলে চারাগাছ মারা যেতে পারে।
৩. সম্ভাব্য ফলাফল: জানা তথ্য থেকে জিসান অনুমিত সিদ্ধান্ত নিল পানির অভাবে চারাগাছ মারা যায়।
৪. পরীক্ষণের পরিকল্পনা: এবার জিসান পরীক্ষণের পরিকল্পনা করল। একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, এ পরীক্ষার জন্য জিসানকে দুটি পাত্রে দুটি গাছ নিতে হবে। কেবল দুটি পাত্রের মধ্যে একটি বিষয়ে পার্থক্য রাখতে পারবে। অন্যসব কিছু সমান সমান রাখতে হবে। না হলে সে যেটি যাচাই করতে চায় তা করতে পারবে না।
৫. পরীক্ষণ: জিসান ছোট দুটি একই রকমের পাত্র নিয়ে পাত্র দুটির তলায় ছোট ছিদ্র করল। এবার শুকনা মাটি দিয়ে পাত্র দুটি ভরে নিল। এবার একই ধরনের দুটি চারাগাছ পাত্রে রোপণ করল। একটিতে পানি দিল আর একটি শুকনা রাখল। দুটি গাছকে ছায়ায় রেখে দিল। পরের দিন গাছ দুটিকে পর্যবেক্ষণ করল। সে দেখল
৬.উপাত্ত বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ: দুটি পাত্রে একই ধরনের মাটি। ছিল। চারাগাছ দুটিকে পাত্রসহ একই জায়গায় রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে পার্থক্য ছিল কেবল পানি। একটিতে পানি দেওয়া হয়েছিল, আর একটিকে পানি দেওয়া হয়নি। এ থেকে সিদ্ধান্তে আসা যায় যে পানি না দেওয়ায় একটি চারা গাছ মারা গেছে।
৭.ফল প্রকাশ: জিসান পরীক্ষণের ফল বিদ্যালয়ের বুলেটিন বোর্ডে লিখে প্রকাশ করল।
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
