উদ্দীপকের R পদার্থটি হলো- প্রোটিন।
উদ্দীপকের প্রথম উপাদানটি হলো প্রোটিন। প্রোটিন জীবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ। এটা কোষপর্দাসহ কোষীয় বিভিন্ন অঙ্গাণুর গাঠনিক উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়। কোষে প্রোটিন সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে কাজ করে এবং প্রয়োজনে শক্তি উৎপাদন করে। প্রোটিন কোষের প্রোটোপ্লাজম, আবরণী ও অঙ্গাণুসমূহের প্রধান' গাঠনিক উপাদান। প্রাণিদেহের পেশি, ত্বক, চুল, শিং, নখ, আঁইশ ইত্যাদি বিভিন্ন অঙ্গ প্রোটিন দ্বারা গঠিত। দেহে প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়ে দেহের বৃদ্ধি ঘটায়। প্রোটিন হরমোন তৈরি করে। হরমোন দেহের জৈব রাসায়নিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। প্রোটিন এনজাইম তৈরি করে। এনজাইম দেহের সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। প্রোটিনঘটিত অ্যান্টিবডি ও ইন্টারফেরন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে। মানবদেহ পেপটাইড থেকে উৎপাদিত প্রোটিন ডিফেনসিভঅ্যান্টিবডি হিসেবে কাজ করে। হিস্টোন প্রোটিন নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিক অ্যাসিডকে কার্যকর করে। রক্তের হিমোগ্লাবিন প্রোটিন অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন করে। সাপের বিষ ও অনেক উদ্ভিদে বিদ্যমান বিশেষ ধরনের প্রোটিন দেহের প্রতিরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। কোষ অভ্যন্তরে বিভিন্ন অণুর পরিবহন, আয়ন স্থানান্তর প্রভৃতি প্রোটিনের মাধ্যমে ঘটে থাকে। রক্তের প্লাজমাপ্রোটিন রক্তের হোমিওস্টেসিস ও কলয়ডাল অভিস্রবণিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কোষে বিদ্যমান প্রোটিন কোষীয় তারল্যতা রক্ষা করে কোষীয় শুষ্কতা থেকে কোষকে রক্ষা করে।
উপরিউক্ত আলোচনা দ্বারা বোঝা যায় যে, জীবদেহে প্রোটিনের গুরুত্ব অপরিসীম।
কোষ হলো জীবদেহের গঠন ও কার্যকরী একক। জীব তথা উদ্ভিদ ও প্রাণী এককোষী থেকে বহুকোষী হয় এবং এদের গঠনও সরলতর হতে জটিলতর হয়। সকল প্রকার জীবকোষে সার্বক্ষণিক কোন না কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া চলে। এজন্য কোষকে বলা হয় রাসায়নিক কারখানা।
Related Question
View Allএনজাইমের প্রোসথেটিক গ্রুপটি কোনো জৈব রাসায়নিক পদার্থ হলে সে এনজাইমই হলো কো-এনজাইম।
রিডিউসিং ও নন-রিডিউসিং শ্যুগারের পার্থক্য নিম্নরূপ-
-রিডিউসিং শ্যুগারে মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকে কিন্তু নন-রিডিউসিং শ্যুগারে মুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন গ্রুপ থাকে না।
-রিডিউসিং শ্যুগার ক্ষারীয় আয়নকে বিজারিত করতে পারে কিন্তু নন-রিডিউসিং শ্যুগার ক্ষারীয় আয়নকে বিজারিত করতে পারে না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভাত ও আলুতে প্রাপ্ত শর্করা হলো স্টার্চ এবং বই ও খাতায় প্রাপ্ত শর্করা হলো সেলুলোজ। স্টার্চ ও সেলুলোজের গাঠনিক সংকেত নিম্নরূপ:

উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলোতে প্রাপ্ত. শর্করা দুটি হলো স্টার্চ ও সেলুলোজ। নিচে শর্করা দুটির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-স্টার্চ ও সেলুলোজ উভয়ই পলিস্যাকারাইড। উভয়ের গঠনেই অসংখ্য গ্লুকোজ অণু বিদ্যমান।
স্টার্চ অণুতে প্রায় 1200-6000 গ্লুকোজ একক -গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। স্টার্চ দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথা- অ্যামাইলোজ এবং অ্যামাইলোপেকটিন। অ্যামাইলোজের a-D গ্লুকোজ অণুগুলো-a-1, 4 গ্লাইকোসাইডিক লিংকেজে যুক্ত হয় এবং অ্যামাইলোপেকটিনের a-D গ্লুকোজ অণুগুলো a-1, 6 লিংকেজ দ্বারা যুক্ত থাকে। স্টার্চ একটি a-D গ্লুকোজ পলিমার। স্টার্চ অণু শাখান্বিত এবং গ্লুকোজ পলিমার। আয়োডিনের সাথে বিক্রিয়া করে এটি নীল বর্ণ প্রদান করে।
অপরদিকে, অপরদিকে, সেল সেলুলোজ প্রায় 300-3000 গ্লুকোজ একক ẞ-1, 4 গ্লাইকোসাইডিক বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। এটি হলো B-D গ্লুকোজ পলিমার। সেলুলোজ অণু অশাখান্বিত অর্থাৎ সরল শিকল পলিমার। সেলুলোজ আয়োডিনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কোনো বর্ণ প্রদান করে না।
কযে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোসোম উভয়ই একবার.. করে বিভক্ত হয়ে সমআকৃতি ও সমগুণসম্পন্ন দুটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টির মাধ্যমে দুটি অপত্য কৌষ সৃষ্টি করে, তাই হলো মাইটোসিস বিভাজন।
ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটার মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:
| ব্রায়োফাইটা | টেরিডোফাইটা |
| মূল উদ্ভিদ গ্যামিটোফাইট (n)। | মূল উদ্ভিদ স্পোরোফাইট (2n)। |
| এদের দেহে কোন পরিবহনতন্ত্র নেই। | এদের দেহে পরিবহনতন্ত্র উপস্থিত। |
| উদ্ভিদ দেহকে সাধারণত মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। | উদ্ভিদ দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। |
| স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে প্রোটোনেমা তৈরি করে। | স্পোর অঙ্কুরিত প্রোথ্যালাস তৈরি করে। হয়ে |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
