জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সূর্যের কিছুটা কাছে চলে আসে। তাই এ সময়ে সূর্যকে আমরা মাথার উপরে দেখতে পাই। এই সময়ে দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়। খাড়াভাবে এবং দীর্ঘ সময় সূর্যের তাপ পাওয়ার কারণে এই সময়টিতে এবং এর কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই সময়ে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
Related Question
View Allপৃথিবী নিজ অক্ষের উপর কেন্দ্র করে ২৪ ঘণ্টায় একবার পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করাই আহ্নিক গতি।
২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে রাত সবচেয়ে ছোট এবং দিন সবচেয়ে বড় হয়। উদ্দীপকের চিত্রে আমরা দেখি যে, ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। ফলে সূর্য তখন দক্ষিণ গোলার্ধে খাড়াভাবে কিরণ দেয়। অতএব ২১ জুন ও এর কাছাকাছি সময়ে উত্তর গোলার্ধে যেরূপ সর্বাপেক্ষা অধিক উষ্ণ হয় ২১ ডিসেম্বরও এর কাছাকাছি সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে সেইরূপ সর্বাপেক্ষা অধিক উষ্ণ হয়। অতএব ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং এর বিপরীত কারণে উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে। তাই বলা যায়, ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে রাত সবচেয়ে ছোট এবং দিন সবচেয়ে বড় হয়।
উত্তর গোলার্ধে ৩০ ডিসেম্বর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য কেমন হবে তা যুক্তিসহ নিচে উপস্থাপন করা হলো-
পৃথিবীর বিষুব রেখার দুই পার্শ্বকে দুটি গোলার্ধে ভাগ করা হয়। উত্তর অংশকে বলে উত্তর গোলার্ধ। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে কিছুটা হেলে প্রদক্ষিণ করে। তবে পৃথিবী বছরের বিভিন্ন সময়ে তার হেলানো অবস্থার পরিবর্তন করে। ২৩ সেপ্টেম্বরের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে দূরে সরে যেতে থাকে আর দক্ষিণ মেরু তখন নিকটবর্তী হয়। এমতাবস্থায় উত্তর গোলার্ধে দিনের পরিমাণ কমতে থাকে এবং রাত্রি বড় হতে থাকে। ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে আর তখন বাংলাদেশ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করে। তাই তখন বাংলাদেশে দিন ছোট হয় এবং রাত বড় হয়। অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী এমন এক অবস্থানে পৌঁছে যখন উত্তর গোলার্ধে সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলস্বরূপ বলা যায়, উত্তর গোলার্ধে ৩০ ডিসেম্বর দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হয় এবং রাতের দৈর্ঘ্য বড় হয়।
চাঁদ ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে।
প্লুটো নামক জ্যোতিষ্কটিকে পূর্বে গ্রহ বলা হতো। কিন্তু এটি একটি ক্ষুদ্র ও অসম্পূর্ণ গ্রহ। গ্রহের নিজস্ব কক্ষপথ থাকে। কিন্তু প্লুটোর নিজস্ব কোনো কক্ষপথ নেই। তাই ২০০৯ সালে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন যে প্লুটো সৌরজগতের সদস্য নয়। তাই প্লুটোকে সৌরজগতের সদস্য ধরা হয় না।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ৩ নম্বর গ্রহটি হচ্ছে পৃথিবী এবং ৪ নম্বর গ্রহটি হচ্ছে মঙ্গল। পৃথিবী এবং মঙ্গল গ্রহের মধ্যে পৃথিবী রাতের বেলায় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে এটি হয়। যেহেতু, পৃথিবী গোলাকার তাই পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর কেন্দ্র করে ঘুরছে ফলে পৃথিবীর একপাশ সূর্যের সম্মুখে থাকলে পৃথিবীর অন্যপাশ সূর্যের সম্মুখে থাকে না। কাজেই পৃথিবীর যে পাশ সূর্যের সম্মুখে থাকে ঐ পাশে সূর্যের আলো পড়ে এবং দিন হয় আর যে পাশ সূর্যের সম্মুখে থাকে না সে পাশে সূর্যের আলো না পড়ায় তা অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে এবং রাত হয়। যেহেতু পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর প্রতিনিয়ত ঘুরছে সেহেতু আলোকিত পাশ একসময় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় এবং অন্ধকার পাশটিও একসময় আলোকিত হয়। এভাবেই ক্রমাগত চলতে থাকে। কাজেই, পৃথিবীতে রাতের বেলায় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। অপরদিকে, মঙ্গল গ্রহ ও সূর্যের মধ্যকার দূরত্ব পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার দূরত্ব অপেক্ষা অনেক বেশি হওয়ায় মঙ্গলগ্রহে সূর্যের তাপ ও - আলো পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম পড়ে। সে কারণে, মঙ্গলগ্রহে দিন বা রাত বুঝা যায় না।
সুতরাং, আমরা বলতে পারি, পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের মধ্যে পৃথিবী রাতের বেলায় অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
