জুমচাষি দম্পতির জীবনযাপন ছিল সরল ও অনাড়ম্বর। জুমচাষ ও এক মেয়ে নিয়ে তাদের সাধারণভাবে দিন কেটে যেত।
'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পে এক জুমচাষি দম্পতির কথা বলা হয়েছে। জুমচাষ করে তারা জীবিকানির্বাহ করত। তাদের ছিল একটি মেয়ে। সহজসরলভাবে তাদের দিন অতিবাহিত হতো। তারা প্রতিদিন ভোরে উঠে রান্নাবান্না সেরে, খেয়ে-দেয়ে জুমচাষে চলে যেত, আবার সন্ধ্যায় ফিরত। মেয়েটি ঘর পাহারা দিতো ও ঘরের খুঁটিনাটি কাজ করত। তাদের জীবনযাপন ছিল অনাড়ম্বর। অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল সাধারণ। জুমচাষ করে যে ফসল ফলত, তা দিয়েই তাদের জীবন-জীবিকার বন্দোবস্ত হতো।
জুমচাষি দম্পতি পরিশ্রমী ও সহজসরল ছিলেন। নিত্যনৈমিত্তিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তাদের দিন সুখেই কেটে যেত।
Related Question
View Allজুমচাষি দম্পতি তাদের মেয়েকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলে সে টিয়াদের দেশে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। পথিমধ্যে সবাই তাকে খাবার দিয়ে ও টিয়াদের দেশের পথ দেখিয়ে দিয়ে সাহায্য করে।
'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পের জুমচাষি দম্পতি ধান রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের মেয়েকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। মেয়েটির ধান এক ঝাঁক হলুদ ও সাদা টিয়া খেয়ে নেয়। সে তাদের বারণ করতে গেলে তারা মা-বাবা বকলে-মারলে তাদের কাছে চলে যাওয়ার নিমন্ত্রণ দেয়। মা-বাবা তাড়িয়ে দিলে তাই সে টিয়াদের দেশে যাওয়ার জন্য পথচলা শুরু করে। চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে এক রাখালের দেখা পায়। রাখাল তাকে এক মুঠো ভাত ও এক আঁজলা পানি খাইয়ে টিয়াদের দেশে যাওয়ার পথের সন্ধান দেয়। এরপর সে দেখা পায় এক মেষপালকের। সেও তাকে এক মুঠো ভাত ও এক আঁজলা পানি খাইয়ে টিয়াদের দেশে যাওয়ার পথের সন্ধান দেয়। সারাদিন যেতে যেতে পরিশ্রান্ত হয়ে এক অশ্বরক্ষকের কাছে পৌছায়। সেও তাকে এক মুঠো ভাত ও এক আঁজলা পানি খাইয়ে টিয়াদের দেশে যাওয়ার পথের সন্ধান দেয়। সবশেষে ক্লান্ত হয়ে এক হস্তীরক্ষকের কাছে পৌঁছালে সেও তাকে এক মুঠো ভাত ও এক আঁজলা পানি খাইয়ে একটু জিরাতে বলে। হস্তীরক্ষক জানায়, আর এক ক্রোশ গেলেই টিয়াদের দেশ। হস্তীরক্ষকের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আর এক ক্রোশ পথ হেঁটে অবশেষে সে টিয়াদের দেশে পৌছায়।
জুমচাষি দম্পতির মেয়েটি টিয়ার দেশে পৌছাতে পথিমধ্যে সবার কাছ থেকেই আন্তরিক ব্যবহার পায়। সবাই তাকে স্নেহ-যত্ন করে ও সঠিক পথের সন্ধান দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!