জুমুআর খুতবায় ইমাম সাহেব আকাইদের বিষয় নিয়ে আলোচনাকালে বললেন- আল্লাহ আমাদেরকে সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে অগণিত মহামানব প্রেরণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি কুরআনের একটি আয়াতে উল্লেখ করলেন- "আর প্রত্যেক জাতির জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।" হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ক্রমধারার পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ইসলামি পরিভাষায় মুখে ইমানের স্বীকার ও অন্তরে অবিশ্বাস করাকে নিফাক বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আল্লাহ বান্দার অপরিসীম পাপের পরও তওবা করলে ক্ষমা করে দেন। যে জন্য তাঁকে আল্লাহ গাফফারুন বা আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল বলা হয়। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। কিন্তু অনেক মানুষই তাঁর বিরুদ্ধাচারণ করে থাকে। তিনি তাদের তৎক্ষণাৎ শাস্তি না দিয়ে বরং তওবা করার সুযোগ দেন। বড় বড় পাপীও তওবা করলে আল্লাহ তা ক্ষমা করে দেন। তাই আল্লাহ সবচেয়ে বড় ক্ষমাশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আয়াতটি হলো- "আর প্রত্যেক জাতির জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।" রিসালাতের দলিল সম্পর্কিত এ আয়াতটি যথার্থ।
এ আয়াতে রিসালাতের সুমহান দায়িত্বপ্রাপ্ত নবি-রাসুলদের আগমনের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ মানবজাতির হিদায়েতের জন্য বহু নবি রাসুল এ দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন। পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি ছিল না যেখানে আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুল প্রেরণ করেননি। পবিত্র কুরআনে তিনি বলেছেন, আর প্রত্যেক জাতির জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।
অর্থাৎ মানুষের নিকট মহান আল্লাহর বাণী প্রচার ও মানবজাতির সার্বিক কল্যাণে এসব পথপ্রদর্শককারীদের আগমন হয়েছিল। উদ্দীপকে বর্ণিত জুমুআর খুতবায় ইমাম সাহের রিসালাত সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে দলিল হিসেবে তিনি উল্লিখিত আয়াতটি তিলাওয়াত করেন, যা রিসালাতের দলিল হিসেবে যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি হলো- 'হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ক্রমধারায় পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।' এ মন্তব্যটি যথার্থ। আমরা জানি, আল্লাহ তায়ালা তাঁর ঐশী বাণীযোগে নবি-রাসুলদেরকে পাঠিয়েছেন। একসময় এক বা একাধিক নবি পাঠাতেন। তাঁদের মৃত্যুর পর বা তাঁদের মিশনের কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেলে আবার নতুন করে নবি-রাসুল পাঠিয়ে তাদেরকে নতুন শরিয়ত দান করতেন। সর্বপ্রথম নবি হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে নবি-রাসুল আগমনের সূচনা হয়েছে এবং সর্বশেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে তা সমাপ্ত হয়েছে। রাসুল (স.) বলেছেন, "আমি শেষ নবি। আমার পরে কোনো নবি নেই।" এছাড়া অন্যান্য নবি-রাসুলগণ কোনো বিশেষ গোত্র, বিশেষ দেশ এবং বিশেষ সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সারা বিশ্বের নবি। অন্যান্য রাসুলগণের প্রতি যেসব কিতাব বা সহিফা নাযিল হয়েছিল, তার কোনো কোনোটি ছিল বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য। মুহাম্মদ (স.)-এর প্রতি সর্বশেষ আসমানি কিতাব কুরআন মাজিদ নাযিল হয়েছে। এতে কিয়ামত পর্যন্ত আগত অনাগত সকল মানুষের সকল সমস্যার সঠিক সমাধান বিদ্যমান। তাঁর পরে আর কোনো নবি আসেননি, আসবেন না এবং আসার প্রয়োজনও নেই।

উদ্দীপকে ইমাম সাহেব জুমুআর খুতবায় আলোচনাকালে বলেন, আল্লাহ আমাদের সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে অগণিত মহামানব প্রেরণ করেছেন। হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নবুয়তের ক্রমধারার পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। উক্ত আলোচনায় প্রমাণিত হয়, হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নূবয়তের ক্রমধারা পরিপূর্ণতা লাভ করেছে- উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
55

পরিচয়
ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম মৌলিক কতিপয় বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। যেমন- আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত ইত্যাদির উপর বিশ্বাস স্থাপন করা । ইসলামের এরূপ মৌলিক বিষয়গুলোর উপর বিশ্বাসকে আকাইদ বলা হয় । আকাইদ শব্দটি বহুবচন । একবচনে ‘আকিদাহ’ যার অর্থ বিশ্বাস। আকাইদের বিষয়গুলোর প্রতি বিশ্বাস করতে হবে। এর কোনো একটিকে অবিশ্বাস করলে কেউ মুসলিম হতে পারে না । অতএব, আকাইদ হলো ইসলামের প্রধান ভিত্তি ।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

■ ইমানের পরিচয় ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।

■ ইমানের প্রধান সাতটি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।

■ ইসলামের মৌলিক বিষয়ের প্রতি অটল বিশ্বাস (ইমান) স্থাপন ও অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ হব।

■ নিফাকের (কপটতা) পরিচয় ও এর কুফল ব্যাখ্যা করতে পারব এবং নিফাক পরিহার করার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

■ কপটতামূলক আচরণ পরিহার করে চলতে আগ্রহী হব।

■ আল্লাহ তায়ালার কতিপয় গুণবাচক নামের অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ মহান আল্লাহর গুণবাচক নামে বিধৃত গুণ নিজ আচরণে প্রতিফলন ঘটাবো। 

■ রিসালাতের অর্থ, নবি-রাসুলের সংখ্যা, নবি-রাসুলের পার্থক্য ও তাৎপর্য বর্ণনা করতে পারব।

■ নবুয়ত ও রিসালাতের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ খতমে নবুয়তের পরিচয়, তাৎপর্য ও প্রমাণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ আখিরাত ও কিয়ামত সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।

■ শাফাআতের পরিচয় ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।

■ জান্নাতের পরিচয় ও তা লাভের উপায় বর্ণনা করতে পারব । জাহান্নামের পরিচয় ও স্বরূপ এবং জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

■ নৈতিক চরিত্র গঠনে ইমানের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস বলতে বোঝায় আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি। তাঁরা নুরের তৈরি। তাঁরা সদাসর্বদা আল্লাহর যিকির ও তাসবিহ পাঠে রত, আল্লাহ যা তাদের হুকুম করেন, তাঁরা তাই বিনা বাক্য ব্যয়ে সম্পাদন করেন। ফেরেশতাগণ নারী ও পুরুষ কোনোটাই নন। তাঁদের দেখা যায় না। আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁরা যেকোনো আকৃতি ধারণ করতে পারেন। তাদের আহার নিদ্রার প্রয়োজন হয় না। তাঁরা অগণিত। ফেরেশতাগণের মধ্যে ৪ জন হলেন প্রসিদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
171
উত্তরঃ

জায়েদের কর্মকান্ডকে ইমান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

ইমানের জন্য ৭টি মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করতে হয় এবং মুখে তার স্বীকৃতি দিতে হয়। পাশাপাশি বিশ্বাস ও স্বীকৃতি অনুসারে আমল করার চেষ্টা করতে হয়। ইমানের মৌলিক বিষয়গুলোকে কেউ যদি শুধু অন্তরে বিশ্বাস করে কিন্তু মুখে স্বীকার না করে, তবে সে প্রকৃত ইমানদার হতে পারবে না। আবার মুখে স্বীকৃতি দিয়ে অন্তরে বিশ্বাস না করলেও ইমানদার হতে পারবে না। বস্তুত আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদনুযায়ী আমলের সমষ্টিই হলো প্রকৃত ইমান। জায়েদ আল্লাহ, রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত, তাকদির, পুনরুত্থান ইত্যাদি বিষয়কে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এবং মুখে স্বীকার করে। সে তার বিশ্বাস অনুসারে আমল করতে যথাসম্ভব চেষ্টা করে। সুতরাং জায়েদের কর্মকাণ্ডে প্রকৃত ইমানদারের পরিচয় ফুটে উঠেছে। তাই তার কর্মকাণ্ডকে ইমান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
117
উত্তরঃ

নয়নের কর্মকান্ডের পরিণতি নিশ্চয়ই খারাপ" বক্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত নয়নের কর্মকান্ডে মুনাফিকি প্রকাশ পেয়েছে। মুনাফিকদের পরিণতি সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চয় মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্নস্তরে" (সূরা আন-নিসা: ১৪৫) পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যখন মুনাফিকরা ইমানদারদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা ইমান এনেছি। যখন তারা গোপনে তাদের শয়তানদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা তো তোমাদের সাথেই আছি, আমরা তাদের সাথে শুধু ঠাট্টা-তামাশা করে থাকি। (সূরা আল-বাকারা: ১৪) কুরআনে বর্ণিত এ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে নয়নের কর্মকান্ডের পুরো মিল রয়েছে। আর এজন্যই সে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। এছাড়া পৃথিবীতে নিফাকি জঘন্য পাপ হিসেবে গণদ হয়। এটা মানুষের চরিত্র ধ্বংস করে ফেলে। নিফাকের ফলে মানুষ অন্যায় ও অশ্লীল কাজে অভ্যস্ত হয়ে যায়। ফলে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হয়। এটি মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের সৃষ্টি করে। ফলে সমাজে মারামারি ও অশান্তির সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকের নয়ন জায়েদের সাথে ইমানদার সুলভ আচরণ করে কিন্তু তার অন্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুদের সাথে থাকাকালীন তাদেরকে বলে, আমি তোদের ধর্মকেই বিশ্বাস করি। জায়েদের সাথে সালাত আদায় করি ওকে খুশি করার জন্য।
সুতরাং নয়নের কর্মকান্ডে নিফাকি প্রকাশ পেয়েছে। আর নিফাকির শাস্তি হলো জাহান্নাম। নিফাকির কারণে মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকবে। তাই উদ্দীপকে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
85
উত্তরঃ

তাকদির অর্থ ভাগ্য। তাকদির আল্লাহ তায়ালা থেকে নির্ধারিত। ভালোমন্দ যা কিছু হয় সবই আল্লাহ তায়ালার হুকুমে হয়। এ বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করাকে তাকদিরে বিশ্বাস বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
97
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews