জুরান মিয়া দুইটি জমিতে ডি-১৫৪ ও সিসি-৪৫ জাতের পাট ঘন করে চাষ করেন। তিনি সিসি-৪৫ জাতের পাট আষাঢ় মাসে এবং ডি-১৫৪ ভাদ্র মাসে কাটেন। ফলনও ভিন্ন রকম হয়। সে পাট শাক, পাট খড়ি ও পাট বিক্রি করে লাভবান হয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যেসব ফসল সাধারণত বিস্তীর্ণ মাঠে, বেড়াবিহীন অবস্থায় সমষ্টিগতভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ এবং প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়া হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

তেল জাতীয় অধিকাংশ ফসলের বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। এই তেল অনুদ্বায়ী (volatile) অর্থাৎ বায়ুতে রেখে দিলে থেকে যায়, উড়ে যায় না। সাধারণ তাপমাত্রায় এই তেল তরল তবে কোন কোনটি নিম্ন তাপমাত্রায় জমে যায়। উপজাত হিসেবে খৈল পাওয়া যায়। তেল নিষ্কাশনের পর প্রাপ্ত খৈল পশুর খাদ্য ও জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তেল জাতীয় ফসল সাধারণত দ্বিবীজপত্র, বর্ষজীবী ও বীরুৎ। সাধারণত ২-৩ ফুট উঁচু হয়। এদের খুঁটি দুই বা ততোধিক কক্ষবিশিষ্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের জুরান মিয়া একটি জমিতে ডি-১৫৪ ও অপর জমিতে সিসি-৪৫ জাতের পাট চাষ করেন। ডি-১৫৪ ও সিসি-৪৫ উভয়ই দেশি জাতের পাট হলেও জুরান মিয়া সিসি-৪৫ জাতের পাট আষাঢ় মাসে এবং ডি-১৫৪ ভাদ্র মাসে কাটেন। সিসি-৪৫ হলো জো পাট যা আগাম বপন উপযোগী জাত। এই পাট বপনের সময় ১লা ফাল্গুন থেকে ১৫ই বৈশাখ। বপনের ১৩৫-১৮০ দিন পর আষাঢ় মাসে পাট পরিপক্ক হয় এবং কাটা শুরু হয়। এরপর কাটলে পাটের গুণগতমান নষ্ট হয়ে যাবে। তাই জুরান মিয়া আষাঢ় মাসে সিসি-৪৫ পাট কাটেন। অপরদিকে ডি-১৫৪ জাতটি চৈত্রের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করা হয়। ৪ মাস পর শ্রাবণ মাসে এই জাতের পাট পরিপক্ক হতে শুরু করে। এর আগে পাট কাটলে পাটের মান ভালো হয় না। এ কারণে জুরান মিয়া ডি-১৫৪ জাতের পাট ভাদ্র মাসে কাটেন। উল্লিখিত কারণে এবং ভালো ফলন পাবার উদ্দেশ্যে জুরান মিয়া ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পাট কেটে থাকেন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

জুরান মিয়া তার জমিতে ২টি ভিন্ন দেশি জাতের পাটের চাষ করেন এবং তিনি পাটের আঁশ বিক্রির পাশাপাশি পাট শাক ও পাট খড়ি বিক্রি করায় অধিক লাভবান হন। জুরান মিয়া তার জমিতে ঘন করে পাটের চারা রোপণ করেছিলেন। তাই তিনি কচি অবস্থায় কিছু পাট গাছ জমি থেকে তুলে শাক হিসেবে বিক্রি করেন। বাজারে পাট শাকের ভালো চাহিদা থাকায় তিনি এভাবে বেশ কিছু টাকা আয় করেন। তিনি পাট চাষ সম্পর্কে সচেতন থাকায় জাত দুটির সঠিক সংগ্রহের সময় জমি থেকে পাট কাটেন। এতে করে তিনি পাট হতে ভালো মানের আঁশ ও পাট খড়ি পান। আঁশ থেকে সুতা, ব্যাগ, বস্তা, পর্দা, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি হয়। তাই পাটের ভালো মানের আঁশের বাজারমূল্য অনেক বেশি থাকায় তিনি ভালো অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন। এছাড়াও জ্বালানি, ঘরবাড়ি তৈরি, ক্ষেতের বেড়া, কাগজ, হার্ডবোর্ড তৈরিতে পাটখড়ির বিশেষ চাহিদা থাকায় তিনি পাটখড়ি বিক্রি করেও অনেক লাভবান হন। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সঠিক চাষ পদ্ধতি অবলম্বন এবং পাট হতে প্রাপ্ত প্রতিটি উপকরণের যথাযথ ব্যবহার করার কারণে জুরান মিয়া লাভবান হয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
126

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য জলজ প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস, চাষ পদ্ধতি, প্রজনন, রোগতত্ত্ব, সংরক্ষণ, পরিবহণ ও বিপণন বিষয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মাৎস্য বিজ্ঞান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
504
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় প্রতি মাসে অথবা প্রয়োজন অনুসারে কৃষকদের নিয়ে কোনো একজন কৃষকের উঠোনে কৃষির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যে বৈঠক করে তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

মূলত উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকেরা কৃষি তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকে। উঠোন বৈঠকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- কৃষকদের মাঝে নতুন প্রযুক্তি হস্তান্তর করা, কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষকদের জ্ঞান, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। ফলে দুর্বল কৃষকরা কৃষি তথ্যে সমৃদ্ধ হয়ে কৃষিকাজে আরও উৎসাহী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
2.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)। এ প্রতিষ্ঠানটি নিম্নলিখিত কার্যাবলীর মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে-

i. ফসলের নতুন নতুন জাত নির্বাচন, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন সাধন। 

ii. নির্বাচিত ও উদ্ভাবিত ফসলের জাতসমূহ চাষাবাদের জন্যে অনুমোদনের ব্যবস্থাকরণ এবং উন্নত চাষাবাদ কলাকৌশল উদ্ভাবন। 

iii. বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প তদারকীকরণ ও পরামর্শ প্রদান। 

iv. উন্নত সেচ প্রযুক্তি উদ্ভাবন। 

V. সার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন। 

vi. মাটির উর্বরতা রক্ষার উপায় উদ্ভাবন ও উন্নয়ন। 

vii. ফসলের প্রজাতি বা জিন সংরক্ষণ। 

viii. চাষাবাদ ও পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র উদ্ভাবন। 

ix. কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার কৌশল উদ্ভাবন। 

x. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা প্রভৃতির আয়োজনকরণ।

xi. শস্য বিন্যাস পদ্ধতির আধুনিকীকরণ ও উন্নয়ন। 

xii. কৃষি পরিবেশ ও অঞ্চলেভেদে দেশের চাহিদাভিত্তিক কৃষি গবেষণা পরিচালনা। 

xiii. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান। 

xiv. কৃষিতে আইসিটি এর প্রয়োগকরণ।

পরিশেষে বলা যায়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র দূরীকরণে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
463
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চাষকৃত ফুলটি হলো ডালিয়া। ডালিয়া ফুল গাছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি আক্রমণ করলে নানাবিধ রোগ হয়। এসব প্রতিরোধে দরকার প্রয়োজনীয় রোগ দমন ব্যবস্থাপনা।

ডালিয়ার পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনে গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। রোগের প্রকোপ কম হলে দ্রুত বেগে পানি স্প্রে করেও দমন করা যায়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ১ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩-৫ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ দেখা মাত্রই সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- থিয়োভিট ৮০ ডব্লিউজি বা কুমুলাস ডিএফ) ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে অথবা প্রোপিকোনাজোল (যেমন- টিল্ট ২৫০ ইসি) ১ লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ঢলে পড়া রোগ দমনে রোগাক্রান্ত চারা/গাছ তুলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। মেটালেক্সিল + মেনকোজেব (যেমন- রিডোমিল গোল্ড) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে কন্দ আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ছায়ায় শুকিয়ে নিয়ে জমিতে বপন করতে হবে। আক্রান্ত গাছে অক্সিক্লোরাইড বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার ড্যাম্পিং অফ রোগ হলে মেটালেক্সিল ও রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার কান্ড পচা রোগ হলে রোগাক্রান্ত গাছ ধ্বংস করে ফেলতে হবে। ডালিয়ার অ্যানথ্রাকনোজ রোগ প্রতিরোধে কার্বেন্ডাজিম দ্বারা কন্দ শোধন করতে হবে। আর এ রোগে আক্রান্ত গাছে কপার অক্সিক্লোরাইড ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া ভাইরাসঘটিত রোগের কোনো ঔষধ নাই। সুতরাং রোগাক্রান্ত গাছগুলি সঙ্গে সঙ্গে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। জাবপোকা, থ্রিপস, জ্যাসিড ইত্যাদি পোকা দ্বারা ভাইরাসের বিস্তার হয়। তাই সুস্থ গাছে নিয়মিত ডাইমেক্রন ১০০ ইসি (৫%) দ্রবণ প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করলে এইসব পোকা দমন করা যায়।

অতএব, উপরে উল্লিখিত বিবিধ রোগ দমন ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে ডালিয়া ফুলের লাভজনক চাষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
364
উত্তরঃ

ভূমিক্ষয় হলো বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- বৃষ্টিপাত, পানি, বায়ু, বরফ, তাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া এবং পানি চলাচলের প্রভাবে মৃত্তিকা কণার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারণ হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
409
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটির ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
703
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews