জৈবিক প্রেষণা কাকে বলে

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয় তাকে শারীরবৃত্তীয় প্রেষণা বা জৈবিক প্রেষণা বলে।

1.3k
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ হলো অভাববোধ।

309

মুখভঙ্গি কীভাবে আবেগের প্রকাশ ঘটায় (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি আবেগ প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। মানুষ আবেগ তাড়িত হলে তা তার মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তিতে প্রকাশ পায়। যেমন- কেউ আনন্দিত হলে তার মুখ উজ্জ্বল হয়, ভয় পেলে মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যায়। আবার, রাগ হলে চোখ বড় ও লাল হয়ে যায় এবং গা ঘেমে যায়। এছাড়াও লজ্জা ও আশ্চর্যন্বিত হলে তাও ব্যক্তির মুখমন্ডলের অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে। আবেগকালীন শারীরিক বহিঃপ্রকাশ তথা সুখ, দুঃখ, বিরাগ, বিস্ময়, ক্রোধ ও ভীতি প্রভৃতি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মুখভঙ্গির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

643

দৃশ্যকল্প-১ এ মাইশার মাঝে কোন ধরনের জৈবিক প্রেষণা ক্রিয়াশীল? ব্যাখ্যা করো (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত মাইশার মাঝে ক্ষুধা নামক জৈবিক প্রেষণা ক্রিয়াশীল।
মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবনধারণের জন্য যেসব প্রেষণা অবশ্যই পূরণ করতে হয় তাকে জৈবিক প্রেষণা বলে। এ প্রেষণাটি জন্মগত এবং মূলত প্রাণীর শারীরিক তাগিদ বা প্রয়োজন থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকে। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, নিদ্রা, কাম, মাতৃত্ব প্রভৃতি জৈবিক প্রেষণার অন্যতম উদাহরণ। ক্ষুধা একটি মৌলিক জৈবিক প্রেষণা। এ প্রেষণা উপশম করার জন্য মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে। যখন আমাদের পাকস্থলী শূন্য হয়ে পড়ে এবং এর পেশিগুলো সংকুচিত হতে থাকে, তখন আমরা ক্ষুধার তাড়না অনুভব করি। দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করলে আমাদের শারীরবৃত্তীয় নানাবিধ কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
প্রদত্ত দৃশ্যকল্প-১ এর দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই, মাইশা হঠাৎ করে স্কুলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। স্কুলের ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখতে পায়, দীর্ঘক্ষণ খাবার না খাওয়ার কারণে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করা প্রাণীর হাইপোথ্যালামাসের একটি বিশেষ অঞ্চলকে উত্তেজিত করে। ফলে প্রাণীর মধ্যে খাদ্য গ্রহণের জন্য অভাববোধ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় খাবার গ্রহণ না করলে প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। উদ্দীপকের মাইশার মধ্যেও দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করার কারণে এরূপ সমস্যা দেখা যায়। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ এ মাইশার মাঝে ক্ষুধা নামক জৈবিক প্রেষণা ক্রীয়াশীল।

310

'আয়েশা ও মনিরার মাঝে সৃষ্ট প্রেষণা ভিন্ন হলেও মূলত তারা একই শ্রেণির'- বিশ্লেষণ (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'আয়েশা ও মনিরার মাঝে সৃষ্ট প্রেষণা ভিন্ন হলেও তা মূলত সামাজিক প্রেষণার অন্তর্ভুক্ত'- প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
সামাজিক প্রেষণা শিক্ষণের দ্বারা অর্জিত। এটি জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য নয়। যেমন- নিরাপত্তা, সামাজিক স্বীকৃতি, ক্ষমতার লিঙ্গা, পদমর্যাদার চাহিদা, যুথচারিতা, খ্যাতি প্রভৃতি সামাজিক প্রেষণার অন্যতম উদাহরণ।

উদ্দীপকের আয়েশার দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই, তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে দু'বছর যাবৎ তাদের পাশে রয়েছেন। আয়েশার এ কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রেষণা ক্ষমতার লিপ্সা প্রকাশিত হয়েছে। এই ক্ষমতা লাভের ইচ্ছা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেমন- একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান নির্বাচিত হতে চায়; আবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদ সদস্য হতে চায়। এগুলো সবই ক্ষমতার লিপ্সার কারণে হতে থাকে।
প্রদত্ত দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত মনিরা সব সময়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজন নিয়ে দলবদ্ধভাবে বসবাস করেন। এভাবে দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে বলা হয় যুথচারিতা। যুথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। এ প্রেষণাটির জৈবিক ভিত্তি না থাকার কারণে একে সহজাত প্রকৃতি বলা যায় না। ছোট শিশু মা-বাবার কাছ থেকে আদর পায়, ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী ও বন্ধুদের সাথে মিশতে শিখে। পরবর্তীতে সে তার আশপাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। সেদিক থেকে বলা যায়, যুথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।
পরিশেষে উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আয়েশার মাঝে ক্ষমতার লিপ্সা এবং মনিরার মাঝে যুথচারিতা ভিন্ন প্রকৃতির হলেও উভয় প্রেষনাই সামাজিক প্রেষণার শ্রেণিভুক্ত।

236

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে, প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক। প্রতিটি প্রাণী দেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রমণ্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। শরীরে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয়, তখন আমরা খাবার গ্রহণ করে ভারসাম্য বজায় রাখি। পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করি। স্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমাদের শরীর ঘেমে যায় এবং তাপমাত্রা কমে গেলে আমাদের শরীরে কম্পন সৃষ্টি হয়। তাই অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য শরীরের প্রত্যেকটি উপাদানই নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকা প্রয়োজন। প্রেষিত আচরণের মাধ্যমেই মূলত এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে একে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়।

985

সোহানের আচরণে শারীরিক পরিবর্তনসমূহ ব্যাখ্যা করো (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ সোহানের ক্ষেত্রে ঘাম নিঃসরণ, হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া ব্যাহত, কন্ঠস্বরের পরিবর্তনসহ নানা ধরনের শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।

আবেগ মানুষের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তীব্র আবেগে আমাদের রক্তের চাপ বেড়ে যায়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ফর্সা লোকের মুখমণ্ডল লজ্জায় লাল হয়ে যায়। আবেগের সময়ে ভয়ে আমাদের বুক ধড়ফড় করে; হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়। কোনো ব্যক্তি ক্রুব্ধ হলে তার চক্ষু রক্তবর্ণ ধারণ করে; আবার বিস্ময়ে চক্ষুর তারার প্রসারণ ঘটে। তীব্র আবেগে ঘর্মগ্রন্থির কার্য বেড়ে যায় এবং প্রচুর ঘাম নির্গত হয়। প্রচণ্ড মানসিক চাপ থাকলে অথবা রাগান্বিত হলে আমাদের কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়। অনেক কণ্ঠ বন্ধ হয়ে আসে।
উদ্দীপকের সোহানের ক্ষেত্রে দেখা, চাকরির সাক্ষাৎকারের সময়ে তার প্রচুর ঘাম নিঃসৃত হয়, বুক ধড়ফড় করে এবং কণ্ঠরোধ হয়ে আসে। মূলত এগুলো তীব্র আবেগের কারণে শারীরিক পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া। সাক্ষাৎকার প্রদানের সময়ে যেকোনো ব্যক্তি মানসিক চাপের ভেতরে থাকে। এ সময়ে তার রক্তচাপ বৃদ্ধি, অন্ত্রের ক্রিয়া ব্যাহত এবং ত্বকের ভিতর রাসায়নিক তড়িৎ প্রবাহের গতি বৃদ্ধি পায়। আবেগকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন উভয়ই ব্যক্তির জীবনে গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে থাকে। এজন্য দেখা যায়, অনেক সহজ ও জানা বিষয়ও পরীক্ষার রুমে বা সাক্ষাতকার প্রদানের সময়ে আমাদের মনে পড়ে না।

218
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews