জ্ঞানের অভাবকে সমস্যার উৎস বলা হয় কেন? (অনুধাবন)

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

কোনো বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব থেকে যেকোনো সমস্যার উৎপত্তি হয় বলে একে সমস্যার উৎস বলা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতির প্রথম ধাপ হলো সমস্যা শনাক্তকরণ। সত্যিকার অর্থে সমস্যা শনাক্ত করার পরই কোনো পরীক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। একজন পরীক্ষক যে সকল প্রশ্নের সমাধানের জন্য পরীক্ষণ পরিচালনা করেন সেগুলোর প্রত্যেকটিই একেকটি সমস্যা। সমস্যা ব্যতীত কোনো পরীক্ষণই কল্পনা করা যায় না। আর এসব সমস্যার উৎপত্তিই হয় কোনো বিষয়ে জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা বা অভাব থেকে। এ কারণে জ্ঞানের অভাবকে সমস্যার উৎস বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
14

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলতে অনুসন্ধানের সুনির্দিস্ট প্রতিক্রিয়াকে বোঝায়, যার দ্বারা ধারাবাহিক, বস্তুনিষ্ঠ ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
22
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞানের পরীক্ষণে কোনো ঘটনার কিছু শর্তকে যখন পরীক্ষকের ইচ্ছানুযায়ী এবং প্রয়োজনানুসারে পরিবর্তন করে পরীক্ষণের ওপর থেকে প্রভাবমুক্ত রাখা হয় তখন তাকে নিয়ন্ত্রণ বলা হয়।
নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষণে চলের নিয়ন্ত্রণকেই বোঝায়। চলের নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। পরীক্ষণ পরিচালনায় গবেষককে অনির্ভরশীল চল ব্যতীত অন্য যেসব চল নির্ভরশীল চলকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একারণে পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
20
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানটি মধ্যবর্তী চলকে নির্দেশ করে।
পরীক্ষণে চল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূলত চল বলতে তাকে বোঝায় যা পরিবর্তনশীল। চলকে প্রধানত অনির্ভরশীল, নির্ভরশীল, মধ্যবর্তী ও বাহ্যিক- এই চার ভাগে ভাগ করা যায়। উদ্দীপকের ছকে বিভিন্ন প্রকার চলের প্রকারভেদ দেখানো হয়েছে। অতএব বলা যায়, 'C' চিহ্নিত স্থানে মধ্যবতী বা অন্তবর্তী চলকেই নির্দেশ করা হয়েছে। অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী চলকে মধ্যবর্তী চল বা অন্তবর্তী চল বলে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই চলকে যোগ সাধনকারী চল হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। পরীক্ষণ পরিচালনার সময় এই মধ্যবর্তী চল কিছুটা অন্য রকমের হয়। এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী চল দুই রকমের হতে পারে। যথা: ১. মনস্তাত্ত্বিক চল, যেমন- বুদ্ধি, শিক্ষণ, ব্যক্তিত্ব, প্রেষণা, চিন্তন, আবেগ ইত্যাদি এবং ২. শরীরবৃত্তীয় চল, যেমন-বয়স, লিঙ্গ, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ইত্যাদি। সাপেক্ষ চলের ওপর অনির্ভরশীল চলের প্রভাব মধ্যবর্তী চলের প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারণে মধ্যবর্তী চলগুলো পরীক্ষণে অবাস্তব উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই একটি ভালো পরীক্ষণ চালাতে এসব চলকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে এদের প্রভাব সাপেক্ষ চলে পড়তে না পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
24
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' ও 'D' চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে।
'A' চিহ্নিত স্থানে নির্দেশিত অনির্ভরশীল চল 'উদ্দীপক চল' বা 'নিরপেক্ষ চল' নামেও পরিচিত। মূলত গবেষক প্রাণীর আচরণের ওপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। এখানে গবেষক তার ইচ্ছানুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎপ্রবাহ ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ অর্থে বলা যায়, যে চলকে তার উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য চলের ওপর নির্ভর করতে হয় না তাকে অনির্ভরশীল বা স্বাধীন চল বলা হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, পরীক্ষণের ফলাফলের ওপর যেসব চল অবাঞ্ছিতভাবে প্রভাব বিস্তার করে সেসব চলকে বাহ্যিক চল বলে। যেমন- গবেষণাগারের পরিবেশ, আলো, বাতাস, তাপমাত্রা, শব্দ ইত্যাদি যদি গবেষণা কাজে সমস্যা সৃষ্টি করে তবে এগুলোকে বাহ্যিক চলা বলা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, মুখস্থ করার সময় যদি কক্ষের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকে অথবা কক্ষের বাইরে যদি তখন তুমুল হট্টগোল চলতে থাকে, তাহলে তা মুখস্থ করার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই এই চলটিকেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যাতে পরীক্ষণের উপর এর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে।
-পরিশেষে বলা যায়, অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চল উভয়ই পরীক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
উত্তরঃ

কোনো পরীক্ষা পরিচালনা করার পূর্বেই উক্ত পরীক্ষণের সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে যে আনুমানিক ধারনা ঠিক করা হয় তাকে প্রকল্প বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
19
উত্তরঃ

পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চলসমূহের কার্যকারণগত সম্পর্ক নির্ণয় ও পরিমাপ করা হয়।
মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে পরীক্ষণ পদ্ধতি হলো মানুষ বা প্রাণীর আচরণ ও মানসিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নির্ণয়ের একটি সুপরিকল্পিত ও সুনিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যাবলি বর্তমান থাকে। এ কারণেই পরীক্ষণ পদ্ধতিকেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
25
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews