উত্তরঃ কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং

কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং হলো দুই বা ততোধিক কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন: প্রিন্টার, স্ক্যানার) একে অপরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার একটি প্রক্রিয়া, যাতে তারা তথ্য, রিসোর্স (যেমন: ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন, হার্ডওয়্যার) এবং ইন্টারনেট সংযোগ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারে। এই সংযোগ তারযুক্ত (Wired) বা তারবিহীন (Wireless) উভয়ই হতে পারে।

        
  • উদ্দেশ্য: নেটওয়ার্কিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজ করা, যৌথভাবে রিসোর্স ব্যবহার করা, এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা।
  •     
  • উপাদানসমূহ: একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রধান উপাদানগুলো হলো:         
                  
    • নোড (Nodes): কম্পিউটার, সার্ভার, প্রিন্টার বা অন্য কোনো ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত।
    •             
    • নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC): হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট যা ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্ক মিডিয়ার সাথে সংযুক্ত করে।
    •             
    • মিডিয়া (Media): তার (ইথারনেট ক্যাবল, ফাইবার অপটিক) বা বেতার তরঙ্গ (Wi-Fi) যা ডেটা বহন করে।
    •             
    • নেটওয়ার্কিং ডিভাইস (Networking Devices): হাব (Hub), সুইচ (Switch), রাউটার (Router), মডেম (Modem) ইত্যাদি যা নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক পরিচালনা করে।
    •             
    • প্রোটোকল (Protocols): ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নির্ধারিত নিয়মাবলী (যেমন: TCP/IP)।
    •         
        
  •     
  • প্রকারভেদ: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত ভৌগোলিক বিস্তারের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন প্রকারের হয়:         
                  
    • লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN): ছোট ভৌগোলিক এলাকায় (যেমন: একটি অফিস, বাড়ি) ব্যবহৃত হয়।
    •             
    • ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN): বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকা (যেমন: শহর, দেশ বা মহাদেশ) জুড়ে বিস্তৃত। ইন্টারনেট একটি WAN-এর উদাহরণ।
    •             
    • মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN): একটি শহর বা বড় ক্যাম্পাসে বিস্তৃত।
    •             
    • পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN): ব্যক্তিগত ডিভাইসের (যেমন: মোবাইল, ল্যাপটপ) মধ্যে সীমিত দূরত্বে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ব্লুটুথ)।
    •         
        
  •     
  • গুরুত্ব: আধুনিক বিশ্বে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং অত্যাবশ্যকীয়। এটি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি পরিষেবা এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, যা তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান এবং সহযোগিতামূলক কাজকে সম্ভব করে তুলেছে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ সার্বজনিন ভোটাধিকার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একটি দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোট দেওয়ার অধিকার থাকে, তাদের লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্পদ, শিক্ষা বা সামাজিক মর্যাদা নির্বিশেষে।
সার্বজনিন ভোটাধিকার গণতন্ত্রের একটি মৌলিক স্তম্ভ। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সরকার গঠনে অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর মূলনীতিগুলো হলো:
        
  • প্রাপ্তবয়স্কতা: একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা (যেমন ১৮ বছর) অতিক্রমকারী সকল নাগরিক ভোট দিতে পারবে।
  •     
  • বৈষম্যহীনতা: লিঙ্গ, ধর্ম, জাতি, বর্ণ, আর্থ-সামাজিক অবস্থা ইত্যাদি কোনো কারণে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
  •     
  • এক ব্যক্তি এক ভোট: প্রতিটি ভোটারের একটি মাত্র ভোট থাকবে এবং প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব সমান হবে।
ঐতিহাসিকভাবে, বহু দেশেই এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশেষ করে নারী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলন বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশের সংবিধানেও সার্বজনিন ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য। এটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ বাংলাদেশকে জলবায়ু সহনশীল ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ রাষ্ট্রে পরিণত করার একটি ১০০ বছর মেয়াদী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Bangladesh Delta Plan 2100) হলো বাংলাদেশের একটি সুদূরপ্রসারী ও সামগ্রিক উন্নয়ন কৌশল, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে। এই পরিকল্পনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে ২১০০ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

২০১৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC) কর্তৃক অনুমোদিত এই মহাপরিকল্পনা নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার (Delta Plan) আদলে তৈরি হয়েছে। এটি মূলত ছয়টি প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য এবং ৮০টি বাস্তবায়ন কর্মসূচি নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রকল্প রয়েছে। এই পরিকল্পনায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নদী ও মোহনা অঞ্চলের টেকসই ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
138

বাংলাদেশে ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।

প্রথম গণভোট

  • প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
  • প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
  • ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।

দ্বিতীয় গণভোট

  • প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে ।
  • হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
  • ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।

তৃতীয় গণভোট

  • সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
  • সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
  • ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন

  • প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ৭ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
  • প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন- ৩ জুন, ১৯৭৮ সালে ।
  • প্রথম গণভোট- ৩০ মে, ১৯৭৭ সালে ।
  • প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন- ১৯৯১ সালে।
  • প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন- ১৯৯৪ সালে।
  • প্রথম উপজেলা নির্বাচন- ১৯৮৫ সালে।
  • প্রথম পৌরসভা নির্বাচন- ১৯৭৩ সালে।
  • প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন- ১৯৭৩ সালে।

জেনে নিই

  • প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ৭ মার্চ, ১৯৭৩ সালে
  • প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট আসন ছিল- ৩১৫ টি।
  • তত্ত্বাবাধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন হয়- ১৯৯১ সালে ।
  • প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন- বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।
  • তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে মোট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ৪টি (১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮) সালে।
  • সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন হয়- ১৯৯৬ সালে।
  • প্রথম সাংবিধানিক প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন- বিচারপতি হাবিবুর রহমান।
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে নিয়োগ দান করেন- রাষ্ট্রপতি।
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার তার কাজের জন্য দায়ী- রাষ্ট্রপতির কাছে।
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদকাল ছিল ৯০ দিন বা তিন মাস।
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়- পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১৫)।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয় লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
227
উত্তরঃ সার্বজনিন ভোটাধিকার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একটি দেশের সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোট দেওয়ার অধিকার থাকে, তাদের লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্পদ, শিক্ষা বা সামাজিক মর্যাদা নির্বিশেষে।
সার্বজনিন ভোটাধিকার গণতন্ত্রের একটি মৌলিক স্তম্ভ। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সরকার গঠনে অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর মূলনীতিগুলো হলো:
        
  • প্রাপ্তবয়স্কতা: একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা (যেমন ১৮ বছর) অতিক্রমকারী সকল নাগরিক ভোট দিতে পারবে।
  •     
  • বৈষম্যহীনতা: লিঙ্গ, ধর্ম, জাতি, বর্ণ, আর্থ-সামাজিক অবস্থা ইত্যাদি কোনো কারণে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
  •     
  • এক ব্যক্তি এক ভোট: প্রতিটি ভোটারের একটি মাত্র ভোট থাকবে এবং প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব সমান হবে।
ঐতিহাসিকভাবে, বহু দেশেই এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। বিশেষ করে নারী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলন বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশের সংবিধানেও সার্বজনিন ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য। এটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
224
উত্তরঃ বাংলাদেশকে জলবায়ু সহনশীল ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ রাষ্ট্রে পরিণত করার একটি ১০০ বছর মেয়াদী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Bangladesh Delta Plan 2100) হলো বাংলাদেশের একটি সুদূরপ্রসারী ও সামগ্রিক উন্নয়ন কৌশল, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে। এই পরিকল্পনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে ২১০০ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

২০১৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC) কর্তৃক অনুমোদিত এই মহাপরিকল্পনা নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার (Delta Plan) আদলে তৈরি হয়েছে। এটি মূলত ছয়টি প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য এবং ৮০টি বাস্তবায়ন কর্মসূচি নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রকল্প রয়েছে। এই পরিকল্পনায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে বলে অনুমান করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নদী ও মোহনা অঞ্চলের টেকসই ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
239
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা ১০০ বছরের জন্য প্রণীত হয়েছে। 

এই মহাপরিকল্পনায় উচ্চতর পর্যায়ের তিনটি জাতীয় অভীষ্ট হচ্ছে—১. ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ; ২. ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; ৩. ২০৪১ সাল নাগাদ একটি স্মার্ট সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
648
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews