আরটিকে (RTK): RTK-এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Kinematic। এটি একটি বিশেষায়িত জিপিএস (GPS) প্রযুক্তি যা ভূমির জরিপ কাজে সেন্টিমিটার পর্যায়ের নির্ভুলতা (Accuracy) নিশ্চিত করে। এতে একটি স্থির বেস স্টেশন (Base Station) এবং একটি ভ্রাম্যমাণ রোভার (Rover) ব্যবহৃত হয়। বেস স্টেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের মাধ্যমে রোভার তাৎ ণিকভাবে নিজের অবস্থানের ত্রুটি সংশোধন করে নেয়, ফলে কোনো প্রকার 'পোস্ট প্রসেসিং' ছাড়াই সরাসরি নিখুঁত ডেটা পাওয়া যায়।
ক্রান্তি বাঁক (Transition Curve): একটি সরল রেখা (Straight path) এবং একটি বৃত্তাকার বাঁকের (Circular curve) সংযোগস্থলে যে পরিবর্তনশীল ব্যাসার্ধের বাঁক দেওয়া হয়, তাকে ক্রান্তি বাঁক বা ট্রানজিশন কার্ড বলে। এর প্রধান কাজ হলো কেন্দ্রাতিগ বল (Centrifugal force) শূন্য থেকে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে যানবাহনের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। এটি পর্যায়ক্রমে সুপার এলিভেশন প্রবর্তন করতে এবং যাত্রীদের শারীরিক অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।
ভূমি জরিপ (Land Surveying): ভূমি জরিপ হলো বিজ্ঞানের সেই কৌশল যার মাধ্যমে পৃথিবীর উপরিভাগের বিভিন্ন বিন্দুর আপেক্ষিক অবস্থান (দূরত্ব, দিক ও উচ্চতা) নির্ণয় করে মানচিত্র বা নকশা (Plan) তৈরি করা হয়। এটি মূলত দুই প্রকার প্লেন সার্ভেয়িং (ক্ষুদ্র এলাকার জন্য) এবং জিওডেটিক সার্ভেয়িং (বৃহৎ এলাকার জন্য যেখানে পৃথিবীর বক্রতা বিবেচনা করা হয়)।
দিয়ারা জরিপ (Diara Survey): নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে নতুন চর জাগলে বা পূর্বের রেকর্ডকৃত জমি নদীগর্ভে বিলীন হলে সেই এলাকা পুনরায় পরিমাপ করার পদ্ধতিকে দিয়ারা জরিপ বলে। ১৮৪৭সালের সরকারি আইন অনুযায়ী এই জরিপ পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে নতুন জেগে ওঠা চরের নকশা তৈরি এবং মালিকানা নির্ধারণ করা হয়।
খতিয়ান (Record of Rights): খতিয়ান হলো জমির স্বত্ব বা মালিকানা সম্বলিত চূড়ান্ত প্রশাসনিক দলিল। ভূমি জরিপ ও বন্দোবস্ত কার্যক্রমের সময় মৌজাভিত্তিক প্রতিটি ভূমি মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, পরিমাণ ও হিস্যা উল্লেখ করে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয়, তাকে খতিয়ান বলে। বাংলাদেশে সিএস (CS), এসএ (SA), আরএস (RS) এবং বর্তমানে বিএস (BS) খতিয়ান প্রচলিত।
Related Question
View Allবাংলাদেশ এবং ভারত একটা ৪,১৫৬ কিমি (২,৫৮২ মাইল) লম্বা আন্তর্জাতিক সীমানা অংশ ভাগ করে, এটা বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম ভূমি সীমানা, যার মধ্যে আছে আসাম ২৬২ কিমি (১৬৩ মাইল), ত্রিপুরা ৮৫৬ কিমি (২৭৫ মাইল), মিজোরাম ১৮০ কিমি (১১০ মাইল), মেঘালয় ৪৪৩ কিমি (২৭৫ মাইল) এবং পশ্চিমবঙ্গ ২,২১৭ কিমি (১,৩৭৮ মাইল)।
বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কিলোমিটার। তার মধ্যে ভারতের সাথে সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার, মায়ানমারের সাথে ২৭১ কিলোমিটার, সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার।
মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা ২৮৩ কি.মি
বরিশাল বিভাগ বাংলাদেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের একটি। ১৯৯৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলা নিয়ে এই বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।
বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি ।
বাংলাদেশ এশিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। উত্তর ও পশ্চিমে ভারত, পূর্বে ভারত ও মায়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!