টিয়া পাখিরা চাষি দম্পতির ধান খেয়ে তাদের ক্ষতির কারণ হয়েছিল।
জুমচাষি দম্পতি তাদের মেয়েকে ধান শুকানোর দায়িত্ব দিয়ে কাজে যেত। মেয়েটি সারাদিন পাহারা দিয়ে শুকালেও ধান তুলতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে এক ঝাঁক টিয়া এসে সব ধান খেয়ে শেষ করে ফেলে। পরপর কয়েকদিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। ধানই ছিল জুমচাষি দম্পতির আয়ের প্রধান উৎস। ফলে সেই ফসল খেয়ে ফেলে টিয়া পাখিরা তাদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। এভাবে আয়ের প্রধান উৎস ধান খেয়ে ফেলে টিয়া পাখিরা জুমচাষি দম্পতির ক্ষতির কারণ হয়েছিল।
Related Question
View Allবাড়ি থেকে বিতাড়িত জুমচাষি দম্পতির মেয়েটিকে টিয়া পাখিরা তাদের অট্টালিকায় রাজকীয়ভাবে অভ্যর্থনা জানালে সে লোভ না করে তার নিত্যনৈমিত্তিক জীবনযাত্রার সরলতা বেছে নেয়। এতে টিয়ারা খুশি হয়ে ঐশ্বর্য দ্বারা তাকে পুরস্কৃত করে।
'হলুদ টিয়া সাদা টিয়া' গল্পে জুমচাষি দম্পতির মেয়েটিকে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে পিতামাতা বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। টিয়ারা তার ধান খেতে গেলে শত বারণ সত্ত্বেও সে তাদের থামাতে পারে না বরং বিপদগ্রস্ত হলে টিয়ারা তাকে নিজেদের দেশে আমন্ত্রণ জানায়। অতঃপর বাড়ি থেকে বিতাড়িত মেয়েটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে টিয়াদের দেশে পৌছালে টিয়াদের ঐশ্বর্য ও আন্তরিকতাপূর্ণ আতিথেয়তার মুখোমুখি হয়। টিয়ারা তাকে সোনার সিঁড়ি, রূপার সিঁড়ি দিয়ে তাদের অট্টালিকায় প্রবেশের প্রস্তাব দিলে নির্লোভ মেয়েটি নিজের দারিদ্র্যপীড়িত জীবনের অভ্যস্ততা অনুযায়ী কাঠের সিঁড়ি দিয়ে প্রবেশ করে। আহারের জন্য সোনার থালা, রূপার থালার পরিবর্তে সাধারণ থালায় খাবার খায়। ঘুমানোর জন্য সোনা-রুপার খাটের শুভ্র কোমল বিছানা রেখে দৈনন্দিন অভ্যস্ততাহেতু মেঝেতেই ঘুমিয়ে যায়। তার এই সরলতা, প্রাচুর্যের সুযোগ লুফে নেওয়ার বিপরীতে যাপিত জীবনের সততায় টিয়ারা মুগ্ধ হয়। এরপর তার বাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার দুঃখ শুনে টিয়ারা তাকে সাত কলস সোনা ও রূপার মোহর দিয়ে রক্ষীসমেত বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
জুমচাষি দম্পতির মেয়েটি টিয়াদের দেশে তাদের সম্পদের প্রাচুর্যের মোহে পড়েনি। মেয়েটির নির্লোভ হৃদয়ের পরিচয় পেয়ে টিয়ারা তার প্রতি প্রসন্ন হয়ে তাকে সাত কলস সোনার ও রুপার মোহর দিয়ে পুরস্কৃত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!