‘পদ্মা বহুমুখী সেতু’
পদ্মা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ সেতু। সেতুর অবস্থান : উত্তর প্রান্তে মাওয়া, লৌহজং, (মুন্সীগঞ্জ) এবং দক্ষিণ প্রান্তে জাজিরা (শরীয়তপুর) ও শিবচর (মাদারীপুর)। সেতুর নকশা প্রণয়ন করে আমেরিকান কোম্পানি AECOM। পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণের কাজ পায় চীনের ‘চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লি.' এবং সেতুর নদী শাসনের কাজের দায়িত্বে আছে চীনের 'সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড'। পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব মো. শফিকুল ইসলাম। ২৬ নভেম্বর, ২০১৪ সেতুর ৮ নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী শাসন এবং মূল সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। কংক্রিট ও ইস্পাতের তৈরি দোতলা সেতুর উপরে চার লেনের যানসড়ক এবং নিচে রেল কাঠামো। সেতুতে ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন রেলপথ নির্মিত হবে। সেতুর ভূমিকম্প সহনশীল মাত্রা ৯ রিখটার স্কেল। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয় ২৫ জুন, ২০২২। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। সেতুর ৪২টি পিলারের উপর বসানো হয়েছে ৪১টি স্প্যান (প্রতিটির স্প্যানের দৈর্ঘ্য: ১৫০মি.) । সেতুটি উন্মুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সমন্বিত যোগাযোগ
Related Question
View All'ক্রীতদাসের হাসি' শওকত ওসমান (১৯৬২) রচিত প্রতীকধর্মী উপন্যাস। ‘ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাসে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে। এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!