বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশের জননেতা, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের অগ্রগতির একটি মুক্তিযুদ্ধী নেতা ছিলেন। ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ভাষাবিদ্যায়ক অধিকার এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
১৯৫২ সালে, পাকিস্তানের শাসনাধীন ছিল বাংলা ভাষা, তবে এই ছিল একটি অমুক্তি ভাষা। একেবারে পাকিস্তানি শাসকদের একধরণের ইমপোজিশনের ফলে, বাংলাদেশী মানুষের এই অধিকার ছিল বঞ্চিত।
ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জনগণ একজনকে আরও শক্তিশালী এবং স্বাধীন বাংলা ভাষা প্রাপ্ত করতে উৎসাহিত হয়েছিলেন। এই আন্দোলনে শহীদ জব্বারের কোনায় প্রকাশ পান বাংলাদেশের ভাষা অধিকারের জন্য। এই অবস্থানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতি একসাথে এসে একটি ঐতিহাসিক জয় অর্জন করতে পারে।
এই ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মূলদিন হিসেবে পৌরনিত্য করেছে এবং তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় অর্জন করতে সফল হয়েছে।
Related Question
View All১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
ইউনেস্কোর ৩০তম সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে । উল্লেখ্য, জাতিসংঘ ৫ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ।
ইউনেস্কোর ৩০তম (নির্বাহী পরিষদের ১৫৭তম অধিবেশনে) সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ইউনেস্কো ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ৷ আর প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় ২০০০ সালে (১৮৮টি দেশে)। সিয়েরা লিওন ১২ ডিসেম্বর ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সে দেশের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!