টুম্পা তার আপুর বিয়েতে একটি শাড়ি কিনলো। ঐতিহ্যবাহী এ শাড়ির উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয় ভারতের বেনারসে। জ্যাকার্ড মেশিনে এই শাড়ি প্রস্তুত করা হয়। এ শাড়ি তৈরিতে রেশম সুতা ব্যবহৃত হয়।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

বেনারসি শাড়ির অপর নাম কাতান শাড়ি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বন্দর বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শিল্প এবং লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বন্দরের মান উন্নয়নের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, এটিকে কারুশিল্প হিসেবে গ্রহণ করে ঘরে ঘরে এর ব্যাপক ব্যবহার চালু করতে হবে। দ্বিতীয়ত, খদ্দরের কারিগরদের শিল্পী হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে। তৃতীয়ত, ন্যায্যমূল্যে সুতা সরবরাহ করতে হবে। তাঁতিরা যাতে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে টুম্পার কেনা শাড়িটি হলো বেনারসি শাড়ি।
উপমহাদেশে বেনারসি বস্ত্রের ইতিহাস প্রায় চারশত বছরের পুরনো। বেনারসি শাড়ির উৎপত্তি হয় ভারতে। উত্তর প্রদেশের অন্যতম প্রাচীন নগর বেনারস। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর কিছু বেনারসি তাঁতি সম্প্রদায় এ দেশে এসে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় বসতি স্থাপন করে। স্বাধীনতার পর এসব তাঁতি মিরপুর ১০ নম্বর, সাড়ে ১০ ও ১১ নম্বর এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। সেখান থেকেই এ দেশে কাতান খাড়ি উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বেনারসি শাড়ির অপর নাম কাতান শাড়ি। বেনারসি উৎপাদনের জন্য সমস্ত কাঁচামাল বাইরের দেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই শাড়িতে রেশম সুতা ব্যবহৃত হয়। সাধারণত চীন, থাইল্যান্ড, ভারত থেকে সুতা আমদানি করা হয়। বাংলাদেশের রাজশাহী সিল্ক সুতা দিয়েও এই কাতান বোনা হয়। এই শাড়িতে জরি ব্যবহৃত হয়। এই জরি জাপান থেকে প্লেট আকারে আমদানি করা হয়। উক্ত প্লেট ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি কারখানায় কাটা হয়। এরপর এগুলো কর্ণফুলী রেয়ন সুতার সাথে পাকিয়ে ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বেনারসি শাড়িতে পাকানো সুতা ব্যবহূত হয়। তাই এর অপর নাম কাতান শাড়ি। বাঙালি নারীর কাছে বেনারসি শাড়ি বহু প্রাচীনকাল থেকে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উপমহাদেশে একেক সময়ে নানা ধরনের শাড়ি বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে বাঙ্গালি রমণীর হৃদয়ে স্থান দখল করেছে।

১৯৪৭ সালের দিকে তাঁতিরা মিরপুর এলাকায় আসেন এবং তারা বেনারসি বস্ত্রের বুনন শুরু করেন। বেনারসি শাড়ি সাধারণত হস্তচালিত তাঁতে বোনা হয়ে থাকে। এ শাড়ি বুননের জন্য যে তাঁত ব্যবহার করা হয় তাকে বেনারসি তাঁত বলে। এই তাঁতের সাথে জ্যাকার্ড তাঁত সংযুক্ত করে শাড়ির ওপরে নকশা বা ডিজাইন করা হয়। এই নকশা প্রথমে ঘরকাটা বা গ্রাফ কাগজে আঁকা হয়। পরবর্তীতে মোটা কাগজের বোর্ডের উপর বড় আকারে নকশা তৈরি করা হয়। সেই নকশা অনুযায়ী শাড়ি তৈরি করা হয়। এই কাজে বোর্ডের নকশাকে পাত্তা বলে। এ শাড়ির নকশা দুজনে মিলে সম্পন্ন করতে হয়। এক্ষেত্রে দুটি মাকু প্রয়োজন হয়। বর্তমানে বেনারসি শাড়িতে সাদাসিধে বুনন ব্যবহৃত হয়। নকশায় পৃথক রঙিন সুতা ব্যবৃহত হয়। মিরপুরের বেনারসির কাজগুলো খুবই জমকালো ডিজাইনের হয়ে থাকে। এগুলো বুনন করতে ১৫/২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। অপরদিকে, হালকা জমিনের বেনারসি শাড়ি বুনতে ৭-২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। কাজ যত সূক্ষ্ম হয় তাঁতিদের সেটি তৈরি করতে তত বেশি সময় লাগে। বেনারসি শাড়িতে বেশিরভাগ ফুল, লতাপাতার প্রাধান্য দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
19

Related Question

View All
উত্তরঃ

মনিপুরিদের পোশাক-পরিচ্ছদ অতি সাধারণ।
মনিপুরিরা বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি তাঁতে কাপড় তৈরি করে। মনিপুরি মেয়েরা যে পোশাক পরে তাতে দুটি অংশ থাকে। একটি অংশ হলো ব্লাউজ এবং অন্যটি লুঙ্গি। মেয়েরা বুক আবৃত করে লুঙ্গি পরে। এর সাথে ব্লাউজ পরে। একে 'নাগ পোশাক' বলে। সুতরাং বলা যায়, মনিপুরিদের পোশাকে দুটি অংশ থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
54
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত বস্তুটি হলো জামদানি।
জামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত এক ধরনের পরিধেয় বস্ত্র। জামদানি বলতে সাধারণত শাড়িকেই বোঝানো হয়। তবে জামদানি দিয়ে নকশি ওড়না, কুর্তা, পাগড়ি, রুমাল, পর্দা প্রভৃতিও তৈরি করা হয়। উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত বস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি মসলিনের উত্তরসূরি, যা জামদানিকেই নির্দেশ করে। কারণ প্রাচীনকালের মিহি মসলিন কাপড়ের উত্তরাধিকারি হিসেবে জামদানি অতি পরিচিত। পূর্বে জামদানি বস্ত্র তৈরিতে সুতি ও রেশম সুতা ব্যবহার হতো। কিন্তু বর্তমানে রেশম সুতার বদলে নাইলন এবং সুতি সুতা ব্যবহার করা হচ্ছে। সুতার সূক্ষ্মতার ওপর নির্ভর করে জামদানি বস্ত্রের মান ও গুণাগুণ। কেউ কেউ মনে করেন মুঘল আমলে ইরান, ইরাক থেকে মুসলিম ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় তাদের তৈরি কার্পেটের নকশাগুলো এ দেশে এসেছে। নকশাগুলো এ অঞ্চলের জামদানির কারিগর সম্প্রদায় বস্ত্র বয়নে ব্যবহার করেছে। জামদানি বয়নকারি তাঁতিরা পড়াশোনা জানতো না বলে তারা কার্পেটের নকশা কাগজে আঁকতে পারতো না। চারপাশের প্রাকৃতিক বস্তু থেকে ধারণা নিয়ে তারা নিজের মন থেকে সরাসরি কাপড়ে নকশা প্রয়োগ করতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
উত্তরঃ

ঐতিহাসিক পটভূমির দিক থেকে 'B' ও 'C' চিহ্নিত বস্ত্রের ভিন্নতা রয়েছে- উক্তিটি যথার্থ।

উদ্দীপকে 'B' চিহ্নিত বস্ত্রটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে এটি তন্তুর রানি এবং কোকুন পোকা থেকে তৈরি, যা রাজশাহী সিল্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর 'C' চিহ্নিত বস্ত্রটির ক্ষেত্রে বলা হয়ে এটি স্বদেশি আন্দোলনের সাথে জড়িত, যা খদ্দর কাপড়কেই নির্দেশ করছে। রাজশাহী সিল্ক এবং খদ্দর বস্ত্রের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। খদ্দর কাপড় সস্তা ও সহজলভ্য। পাতলা ও মোটা উভয় ধরনের খদ্দরের কাপড় পাওয়া যায়। এটি আরামদায়ক। এ কাপড় শীত, গ্রীষ্ম উভয় ঋতুতে পরিধানযোগ্য। খদ্দর কাপড়ের উপর বাটিক ও ব্লক প্রিন্ট করে নানা ধরনের পোশাক ও গৃহে ব্যবহৃত অন্যান্য বস্ত্র তৈরি হচ্ছে। খদ্দর বস্ত্র দেশে ও বিদেশে সমানভাবে সমাদৃত। তাই ফ্যাশন সৃষ্টিতে খদ্দরের ভূমিকা অনন্য।গুটি পোকা থেকে তৈরি হয় সিল্কের সুতা। প্রথমে সাদা রঙের গুটি পোকা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই পোকাকে একটি নির্দিষ্ট ট্রেতে রেখে তাতে ছড়িয়ে দেওয়া হয় তুঁতগাছের পাতা। এই পাতা খেয়েই গুটি পোকা পূর্ণাঙ্গ দেহ অবয়ব পায়। পাতা খেতে খেতে এক সময় গুটি পোকা হলুদাভ রং ধারণ করে। তখন এটিকে আর পাতা খেতে দেয়া হয় না, রাখা হয় আলাদা ট্রেতে। সেখানে এটি পুরোপুরি হলুদ হয়ে শক্ত আকার ধারণ করে। তারপর এটিকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে উপরের হলুদ খোসা সরিয়ে ফেলা হয়। বেরিয়ে আসে রেশম সুতার গুটি। এরপর ইলেকট্রিক চরকায় এ গুটি বসিয়ে বের করে নেওয়া হয় রেশম সুতা। এ সুতা আরও প্রক্রিয়াজাত করার পর চলে যায় বুনন কারখানায়। সেখানে শ্রমিকরা ডিজাইন মাফিক সুতা বসিয়ে তৈরি করেন শাড়িসহ রঙবেরঙের সিল্কের পোশাক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
34
উত্তরঃ

কাতান শাড়ি বয়নে গর্ত তাঁত ব্যবহার করা হয়।
গর্ত তাঁতে শাড়ির নকশা তোলার কাজে জ্যাকার্ড ব্যবহার করা হয়। টানা ও বোনাতে রেশমি সুতা ও বুটির জন্য জরি ব্যবহৃত হয়। পাকানো রেশমি সুতার নাম কাতান। বেনারসি শাড়িতে পাকানো সুতা ব্যবহৃত হয় বলে এর অপর নাম কাতান শাড়ি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
39
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews