ডা. সনিন প্রতিবছর জাকাত প্রদান করেন। এ বছর তিনি জাকাতের টাকায় পাঁচটি অটোরিকশা ক্রয় করে পাঁচজন দরিদ্র অটোরিকশা চালককে প্রদান করেন। তারা প্রতিমাসে পরিবারের খরচ মিটিয়ে দশ হাজার টাকা করে ইসলামি ব্যাংকে জমা রাখেন। অন্যদিকে ডা. সনিনের চাচাতো বোন সুমাইয়া জাকাতের টাকায় চারশত শাড়ি কাপড় কিনে দরিদ্র মহিলাদের মাঝে বিলিয়ে দেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নিসাব পরিমাণ মালের নির্ধারিত অংশ হাশেমি ও তাদের দাস- দাসী ব্যতীত অন্যান্য মুসলিম দরিদ্রকে প্রদান করাকে জাকাত বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দরিদ্র লোকদের পাশাপাশি আরও সাত শ্রেণির লোক যাকাতের টাকা পাওয়ার উপযুক্ত। জাকাত অর্থনৈতিক ইবাদত। জাকাত প্রদানের জন্য আটটি খাত রয়েছে। দরিদ্র লোকের পাশাপাশি আরও সাতটি শ্রেণি হলো- মিসকিন, জাকাত আদায়কারী কর্মচারী, মুসলিমদের ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য, বন্দিকে মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তের ঋণমুক্তির জন্য, যারা আল্লাহর রাস্তায় আছে ও মুসাফিরের জন্য তথা এই আটটি খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করতে হবে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অটোরিকশা চালক দরিদ্র হওয়ার কারণে জাকাত না দিয়ে জাকাত গ্রহণ করে থাকে। জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার মেরুদণ্ড। ইসলামি অর্থনীতিতে যাকাতের গুরুত্ব অপরিসীম। জাকাত একটি ফরজ ইবাদত কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা ঢালাওভাবে সকল মুসলমানের প্রতি জাকাত ফরজ করেননি। যে সকল মুসলমানের কাছে নিজ ও নিজ পরিবারের সদস্যদের জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর বছরান্তে যদি ন্যূনতম সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্না তোলা রৌপ্য কিংবা তার সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ থাকে তাহলে উক্ত মুসলমানের উপর জাকাত ফরজ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত দরিদ্র অটোরিকশা চালক যেহেতু দরিদ্র তার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই সেজন্য তার উপর জাকাত ফরজ নয়। আর যেহেতু তিনি দরিদ্র তাই তিনি জাকাত না দিয়ে যাকাতের অর্থ গ্রহণ করে থাকেন।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত দু'জনের মধ্যে ডা. সনিনের প্রদত্ত জাকাতের টাকা দেশীয় অর্থনীতিকে অধিকতর শক্তিশালী করবে। জাকাত ইসলামি অর্থনীতির মেরুদণ্ড ও চালিকা শক্তি। আর্থ- সামাজিক উন্নয়ন ও অভাবমুক্ত সমাজ নির্মাণের জন্য জাকাতের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে তাহলে কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যাবে। ধীরে ধীরে দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমে যাবে ও সাম্যের অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

উদ্দীপকের ড. সনিন তার জাকাতের টাকা দিয়ে পাঁচটি অটোরিকশা কিনে পাঁচ দরিদ্র লোককে প্রদান করেন। যার ফলে এই পাঁচজন লোক অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। তারা প্রতি মাসে তাদের পরিবারের খরচ মিটিয়ে দশ হাজার টাকা করে সঞ্চয় করেন। দুই এক বছর পরে এই পাঁচজন অটোরিকশা চালক নিজেরাই সাহিবে নিসাব হয়ে যাবে এবং নিজেরাই জাকাত প্রদান করবে। ফলে দেশ থেকে দরিদ্র লোকের সংখ্যা দিনে দিনে কমে যাবে। দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। সুমাইয়া যাকাতের টাকা দিয়ে শাড়ি কাপড় কিনে বিলিয়ে দেন। তার এ কাজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশি প্রভাব পড়বে না।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ডা. সনিন সাহেবের জাকাত প্রদানের কৌশলের মাধ্যমেই দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা যতটা সম্ভব সুমাইয়ার জাকাতের অর্থে তা সম্ভব নয়। তাই আমরা বলতে পারি, ডা. সনিনের জাকাতের টাকা দেশীয় অর্থনীতিকে অধিকতর শক্তিশালী করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
190
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
360
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় সুলাহা। 

তাকওয়ার দ্বিতীয় সোপান হলো এমন হালাল কথা, কাজ, বিষয় ও বস্তু বর্জনের স্তর, যে হালালের হালাল হওয়া সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। কেননা, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করতে এবং যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
284
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ইসলামি অর্থব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রফিকুল ইসলাম এমন একটি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যেখানে হালাল উপার্জন এবং জাকাতের বিষয়টি বাধ্যতামূলক। তার আলোচিত অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি এব উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উপার্জনও করা যায় না। এ অর্থব্যবস্থায় হালাল পন্থায় উপার্জন বাধ্যতামূলক। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসরণ করা হয়। এ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- হালাল-হারাম নির্ধারণ। সম্পদ উপার্জন, ব্যয় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের নির্ধারিত সীমা- পরিসীমা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- জাকাতভিত্তিক ও সুদমুক্ত। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
226
উত্তরঃ

ইবাদত কবুলের জন্য আমাদের হালাল উপার্জন করতে হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকতে হবে- মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের আলোকে যথার্থ। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক। তাই মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
218
উত্তরঃ

স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে বিশেষ করে অভাবগ্রস্ত ও নিঃস্ব লোকদের কিছু দান করাকে সাদাকাত বলে। সাদাকাত অর্থ হলো দান। এটি দুই প্রকার। যথা- ১. নফল বা ঐচ্ছিক সাদাকাত এবং ২. ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক সাদাকাত। অর্থাৎ বাধ্যবাধকতা ছাড়া অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে যে দান করা হয় তাই ওয়াজিব সাদাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
323
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews