ডিএইচএল একটি বিশ্ববিখ্যাত কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের স্পেন শাখায় কর্মরত রয়েছে আনোয়ার নামের এক বাংলাদেশি যুবক। তাকে বাৎসরিক ছুটি প্রদান করা হয়েছে জুন হতে অক্টোবর পর্যন্ত কিন্তু সে এ ছুটি ভোগ করতে নিজ দেশে আসতে আগ্রহী নয়। সে চায় তাকে ছুটি দেওয়া হোক নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মার্চ মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত। অপরদিকে, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে গঠিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আনোয়ারের দেশে জুন হতে অক্টোবর মাস পর্যন্ত যে ঋতু বিরাজ করে সেই ঋতুটি হলো বর্ষাকাল।

জুন মাসের শেষদিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সাথে সাথে বাংলাদেশে বর্ষাকাল শুরু হয়। এসময় সূর্য বাংলাদেশের ওপর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানে অতিরিক্ত তাপ অনুভূত হওয়ার কথা। কিন্তু এ ঋতুতে অধিক বৃষ্টিপাত হয় বলে তাপমাত্রা যেরূপ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা সেরূপ বৃদ্ধি পায় না, তবে আবহাওয়া সর্বদা উষ্ণ থাকে। এ সময়কার গড় উষ্ণতা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সে.। বর্ষাকালের মধ্যে জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে। বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের পাঁচ ভাগের চার ভাগ বৃষ্টিপাত বর্ষাকালেই হয়ে থাকে। এ সময়কার গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১১৯ সে.মি. এবং সর্বোচ্চ ৩৪০ সে.মি.। দেশের পশ্চিম হতে পূর্বদিকে বৃষ্টিপাত ক্রমেই বেশি হয়ে থাকে। যেমন- পাবনায় প্রায় ১১৪ সে.মি., ঢাকায় ১২০ সে.মি., কুমিল্লায় ১৪০ সে.মি., শ্রীমঙ্গলে ১৮০ সে.মি. এবং রাঙামাটিতে ১৯০ সে.মি. বৃষ্টিপাত হয়।

পরিশেষে বলতে পারি, মূলত বর্ষা ঋতুর কারণেই আনোয়ার সে সময় ছুটিতে নিজ দেশে আসতে আগ্রহী হয়নি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি, আনোয়ার বর্ষাকাল থেকে শীতকালে ছুটি ভোগ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

জুন হতে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে বর্ষাকাল। এসময় দেশে অধিক বৃষ্টিপাত হয় এবং আবহাওয়া উষ্ণ থাকে। কিন্তু নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল। উদ্দীপকের আনোয়ার বর্ষাকালে না এসে শীতকালে দেশে' আসতে চেয়েছিল। তাই সে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ছুটি চেয়েছিল। শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় বাংলাদেশে এর রশ্মি তির্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়। শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.। এসময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল হতে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে। সমতাপ রেখাগুলো অনেকটা সোজা হয়ে পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থান করে। জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা চট্টগ্রামে প্রায় ২০ ডিগ্রি, নোয়াখালীতে ১৯.৪ ডিগ্রি, ঢাকায় ১৮.৩ ডিগ্রি, বগুড়ায় ১৭.৭ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সে.। তবে কোনো কোনো সময় উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কম হয়ে থাকে।

উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, আনোয়ার বর্ষাকাল থেকে শীতকালে ছুটি ভোগ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
99

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
757
উত্তরঃ

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
381
উত্তরঃ

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
409
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
847
উত্তরঃ

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
290
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews