'ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

Updated: 11 months ago
Add Explanation
410

প্রতিবেদন হল কোন সংবাদ পত্র বা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত লেখ-বিবরণ।

প্রতিবেদনের বিষয়ঃ

সামাজিক সমস্যা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কোন বিষয়, এমনকি রাষ্ট্রনৈতিক কোন সমস্যাকে নিয়ে প্রতিবেদন হতে পারে।

প্রতিবেদন রচনায় যে বিষয়ের উপর নজর দেওয়া হয় তার মধ্যে দুটি হলোঃ

১. অতিশয়োক্তি বা উচ্ছ্বাসপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা চলবে না।

২. শিরোনামে অলংকারের আধিক্য চলবে না।

প্রতিবেদন এর প্রকারভেদঃ

প্রতিবেদন বিবিধ- ১. সংবাদ ভিত্তিক ২. সাক্ষাৎকার ভিত্তিক৩. সম্পাদকীয় ৪. বিশেষ ৫. বিজ্ঞাপন ভিত্তিক ইত্যাদি।

সংবাদপত্রে প্রতিবেদক এর প্রকারভেদঃ

যিনি প্রতিবেদন রচনা করেন তিনি প্রতিবেদক। কর্মের স্তর অনুযায়ী প্রতিবেদক বিভিন্ন প্রকার -

১. নিজস্ব ২. জেলার ৩. প্রধান ৪. বিশেষ ৫. শিক্ষানবিশ ইত্যাদি।

সম্পাদকীয় প্রতিবেদনঃ

সমকালীন বিষয় বা কোন বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্পাদকের পক্ষে যে প্রতিবেদন রচনা করা হয় তাকে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন বলে।

প্রতিবেদনের শিরোনামঃ

সংবাদপত্রে প্রতিবেদনের শিরোনাম আকর্ষণীয় হলে পাঠকের বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

তারিখ: ২০ এপ্রিল, ২০২৪

বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক ______,
ঢাকা।

বিষয়: _______ এলাকার গণগ্রন্থাগারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন।


_______ এলাকার গণগ্রন্থাগারের করুণ দশা: আধুনিকায়নের দাবি

প্রতিবেদক: (নিজস্ব প্রতিবেদক)

স্থান: _______, তারিখ: ২০ এপ্রিল, ২০২৪

জ্ঞানার্জনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হলো গণগ্রন্থাগার। একটি শিক্ষিত ও সংস্কৃতিমনা জাতি গঠনে গণগ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষ যাতে জ্ঞানচর্চার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন এলাকায় গণগ্রন্থাগার স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বর্তমানে অনেক গণগ্রন্থাগারের অবস্থাই বেশ শোচনীয়। সম্প্রতি আমার _______ এলাকার গণগ্রন্থাগার সরেজমিনে পরিদর্শন করে এর করুণ চিত্র উঠে এসেছে।

_______ এলাকার এই গণগ্রন্থাগারটি একসময় জ্ঞানপিপাসু পাঠকদের কোলাহলে মুখর থাকলেও বর্তমানে এটি তার জৌলুস হারিয়েছে। গ্রন্থাগারের ভবনটি বেশ পুরোনো এবং জরাজীর্ণ। পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেয়াল স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। বসার জায়গাগুলো অস্বাস্থ্যকর এবং অপর্যাপ্ত। বইয়ের তাকে জমেছে ধুলোর আস্তরণ। গ্রন্থাগারের সংগ্রহে থাকা অধিকাংশ বইই পুরোনো সংস্করণের, আধুনিক সাহিত্য, বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির ওপর নতুন কোনো বই চোখে পড়ে না। দৈনিক পত্রিকা ও সাময়িকীর সংখ্যাও খুব সীমিত। ইন্টারনেট বা কম্পিউটারাইজড কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে, যা বর্তমান যুগে একটি গ্রন্থাগারের জন্য অপরিহার্য।

গণগ্রন্থাগারের এই বেহাল দশার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ দায়ী। প্রথমত, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও বাজেট স্বল্পতা এর অন্যতম কারণ। গ্রন্থাগারের রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন বই সংগ্রহ এবং আধুনিকায়নের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। দ্বিতীয়ত, গ্রন্থাগারে দক্ষ জনবলের অভাব প্রকট। পুরোনো বইগুলো সঠিকভাবে বিন্যস্ত করা বা ডিজিটাল ক্যাটালগের ব্যবস্থা করার মতো কোনো কর্মী নেই। তৃতীয়ত, প্রচারের অভাবে অনেকেই এই গ্রন্থাগার সম্পর্কে অবগত নয়, যার ফলে পাঠক সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। সর্বোপরি, এই গণগ্রন্থাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক চিন্তাভাবনার অভাব পরিলক্ষিত হয়।

এই অঞ্চলের গণগ্রন্থাগারটিকে নতুন জীবন দিতে হলে অবিলম্বে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রথমত, জরাজীর্ণ ভবনটি দ্রুত সংস্কার করে পাঠকবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আধুনিক রুচি ও জ্ঞানচর্চার উপযোগী নতুন বই, পত্রিকা ও সাময়িকী নিয়মিত সংগ্রহ করতে হবে। বিশেষ করে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। তৃতীয়ত, গ্রন্থাগারে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থা চালু করে বই খোঁজা ও পড়ার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে হবে। চতুর্থত, গ্রন্থাগারে দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দিতে হবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। সবশেষে, গ্রন্থাগারকে পুনরায় জনপ্রিয় করে তোলার জন্য বিভিন্ন পাঠক মেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা বা আলোচনা সভার আয়োজন করা যেতে পারে।

গণগ্রন্থাগার শুধু বই পড়ার জায়গা নয়, এটি একটি এলাকার জ্ঞান ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু। তাই এর আধুনিকায়ন ও পুনরুজ্জীবনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারই পারে একটি আলোকিত সমাজ গড়তে ভূমিকা রাখতে।

প্রতিবেদকের নাম: ক. খ. গ.

প্রতিবেদনের স্থান: _______

প্রতিবেদনের তারিখ: ২০ এপ্রিল, ২০২৪

Satt AI
Satt AI
3 days ago
1.7k
উত্তরঃ

প্রতিবেদন

তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৪

বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক [পত্রিকার নাম, যেমন: প্রথম আলো/ইত্তেফাক],
ঢাকা।

বিষয়: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ ও প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে প্রতিবেদন।

সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক।

[স্থান], ১০ অক্টোবর: বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সীমিত আয়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাজারের এই অস্থিতিশীলতা জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণসমূহ:

        
  • উৎপাদন ঘাটতি: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষিজমির হ্রাস এবং আধুনিক পদ্ধতির অপ্রতুলতার কারণে অনেক সময় কৃষিপণ্যের উৎপাদন ব্যাহত হয়, যা বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
  •     
  • মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য: কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছাতে একাধিক মধ্যস্বত্বভোগী জড়িত থাকে। তারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং পণ্যের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
  •     
  • পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার উপর বর্তায়।
  •     
  • মজুদদারি ও কালোবাজারি: একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী রমজান, ঈদ বা পূজার মতো উৎসবের আগে পণ্য মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং পরে চড়া দামে বিক্রি করে।
  •     
  • আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব: আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বাড়লে তার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ে।
  •     
  • মুদ্রাস্ফীতি: দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়, যা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
  •     
  • সুশাসনের অভাব: বাজার তদারকি এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে শিথিলতাও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে ইন্ধন জোগায়।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের প্রতিকার ও উপায়সমূহ:

        
  • উৎপাদন বৃদ্ধি: কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত বীজ সরবরাহ এবং কৃষকদের ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করে উৎপাদন বাড়াতে হবে।
  •     
  • বাজার তদারকি ও কঠোর আইন প্রয়োগ: নিয়মিত বাজার তদারকি করতে হবে এবং মজুদদারি, কালোবাজারি ও ভেজালবিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
  •     
  • সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নতকরণ: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের সরাসরি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করা যেতে পারে।
  •     
  • পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন: পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনা এবং জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখার পদক্ষেপ নিতে হবে।
  •     
  • জনসচেতনতা বৃদ্ধি: ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অযথা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার জন্য প্রচার চালাতে হবে।
  •     
  • শুল্ক ও করনীতি পুনর্বিবেচনা: আমদানিকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উপর শুল্ক ও করনীতি পুনর্বিবেচনা করে দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি একটি জাতীয় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে সরকার, ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাসহ সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। একটি সুষম ও স্থিতিশীল বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।


বিনীত নিবেদক,
[আপনার নাম/নিজস্ব প্রতিবেদক]

Satt AI
Satt AI
3 days ago
507
উত্তরঃ

প্রতিবেদন

তারিখ: ২০ মে ২০২৪

বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক [পত্রিকার নাম]
[ঠিকানা]

বিষয়: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনিত সমস্যা শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসঙ্গে।


জনাব,

আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় জনস্বার্থে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিষয়ে আমার তৈরি একটি প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।


দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: জনজীবনে অসহনীয় দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা, ২০ মে ২০২৪

সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেশের আপামর জনসাধারণের জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু থেকে শুরু করে শাকসবজি ও মাছ-মাংসের দাম এমনভাবে বেড়েছে যে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্তদের জীবন ধারণ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বাজারে গেলে প্রতিদিনই যেন নতুন করে দাম বৃদ্ধির চিত্র চোখে পড়ছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অতিরিক্ত মুনাফা লাভের প্রবণতা। এছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও উৎপাদন স্বল্পতাও কোনো কোনো ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকার বিভিন্ন সময়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

দ্রব্যমূল্যের এই লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। পুষ্টির অভাবে ভুগছে অনেক শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক পরিবারে সামাজিক অস্থিরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দ্রুত এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। বাজার মনিটরিং জোরদার করা, অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, প্রয়োজনে টিসিবি’র মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ বৃদ্ধি করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় রেখে অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশল গ্রহণ করা আবশ্যক। একই সাথে, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করতে হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।


বিনীত নিবেদক,
[আপনার নাম/ প্রতিবেদকের নাম]
[ঠিকানা]
[যোগাযোগ নম্বর]

Satt AI
Satt AI
3 days ago
1.9k
উত্তরঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

তারিখ: ৩১ মে, ২০২৪


নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি: জনজীবন বিপর্যস্ত


সম্প্রতি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু থেকে শুরু করে শাকসবজি ও মাছ-মাংস—সবকিছুর দামই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে, যার ফলে পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের কারসাজি, সিন্ডিকেট, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবকে দায়ী করা হচ্ছে। প্রায়শই দেখা যায়, উৎসব বা বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দেন। বাজারের সঠিক তদারকির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাও এই পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে কৃষক তার পণ্যের ন্যায্য মূল্য পেলেও ভোক্তাকে উচ্চমূল্যে তা কিনতে হচ্ছে।

এই সংকট নিরসনে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, টিসিবি'র মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করতে হবে। তৃতীয়ত, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করে খরচ কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সহজলভ্যতা ও স্থিতিশীল মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করতে হবে, অন্যথায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও নিম্নমুখী হবে।

Satt AI
Satt AI
3 days ago
433
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews