ড. মল্লিক পেশায় একজন আইনজীবী। দীর্ঘ পেশাজীবনে আইন বিষয়ে অনেক রই লিখেছেন। কিন্তু তিনি মনে করেন কেবল আইনই স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে না। মানুষ বিবেকবোধ, ন্যায়নীতি, উচিত-অনুচিতের দ্বারাও পরিচালিত হয়। সেগুলো আইন থেকে পৃথক। তিনি বিশ্বাস করেন সমাজে যদি বৈষম্য বিরাজ করে তাহলে স্বাধীনতা কখনো ফলপ্রসূ হয় না।

 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকেই মূল্যবোধ বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সমাজের সকল স্তরে আইনের প্রাধান্য স্বীকার করে আইন অনুযায়ী দেশের শাসনকার্য পরিচালনাকে আইনের শাসন বলে। আর আইনের অনুশাসন বলতে বোঝায়- আইনের দৃষ্টিতে সমতা অর্থাৎ জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষই আইনের দৃষ্টিতে সমান, আইনের পূর্ণ প্রাধান্য অর্থাৎ বেআইনিভাবে কেউ অন্যের অধিকার এ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। এমনকি সরকারও অবৈধভাবে জনগণের অধিকার হরণ করতে পারবেনা। আইনের কর্তৃত্ব সর্বত্র নিশ্চিত থাকবে। যে সমাজে আইনের অনুশাসন কার্যকর থাকে স্বাধীনতা সেখানে পূর্ণমাত্রায় বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ড. মল্লিক বিবেকবোধ, ন্যায়নীতিকে আইন থেকে পৃথক বলেছেন।

রাষ্ট্র ও সমাজের মানুষের জন্য আইন রক্ষাকবচ স্বরূপ। সভ্য সমাজের বিকাশে আইনের অবদান অনন্য। মানুষের সার্বিক আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবর্তিত সামাজিক পরিস্থিতিতে ক্ষতিকর অবস্থার প্রতিকার, সুন্দর পরিবেশ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টির জন্য আইন অপরিহার্য। এই আইন বিবেকবোধ এবং ন্যায়নীতি থেকে পৃথক। কেননা আইন, সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত। কিন্তু বিবেকবোধ ও ন্যায়নীতি সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত নয়। যে কারণে আইনকে ড. মল্লিক বিবেকবোধ ও ন্যায়নীতি থেকে পৃথক বলেছেন। এছাড়াও আইনের যতগুলো উৎস রয়েছে তার মধ্যে বিবেকবোধ কখনো আইন হিসেবে স্বীকৃত হয়না। কেননা একেক জনের বিবেকবোধ ও ন্যায়নীতি এক এক রকম, কিন্তু রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত আইন কিংবা আইনের উৎস থেকে প্রাপ্ত আইন সকলের জন্য এবং সকলের কাছেই সমান। এছাড়াও আইন যেমন সকলেই মানতে বাধ্য ন্যায়নীতি ও বিবেকবোধ বিভিন্ন ধরনের হওয়ায় তা সকলে মানতে বাধ্য নয়। এজন্যই আমি মনে করি, উদ্দীপকে ড. মল্লিক বিবেকবোধ ও ন্যায়নীতিকে আইন থেকে পৃথক বলেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ড. মল্লিকের বিশ্বাস হলো সমাজে যদি বৈষম্য বিরাজ করে তাহলে স্বাধীনতা কখনো ফলপ্রসু হয়না এ বিশ্বাসের সাথে একমত।
স্বাধীনতা রাষ্ট্রের জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত যা ছাড়া মানুষ তার ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলতে পারে না। সমাজে বসবাস করতে হলে প্রত্যেককেই সমাজের নিয়ম-কানুনের মধ্যে বাস করতে হয় অন্যথায় অন্য সকলের স্বাধীনতা বিপর্যস্ত হয়। ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী অনুকূল সামাজিক পরিস্থিতি বা পরিবেশই হলো স্বাধীনতা। মানুষ সমাজে জন্মলাভ করে এবং সমাজেই বেড়ে ওঠে। আর এই সমাজের জনগণের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্যই স্বাধীনতার প্রয়োজন হয়। কিন্তু সমাজের জনগণের মধ্যে যদি বৈষম্য পরিলক্ষিত হয় তাহলে স্বাধীনতা ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে না এবং স্বাধীনতা কখনও ফলপ্রসূ হয় না। কেননা আইন হলো স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ, কিন্তু সমাজে যদি বৈষম্য বিরাজ করে তাহলে আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হয় না এবং স্বাধীনতাও ফলপ্রসূ হয়না। জনসচেতনতাও স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ। কিন্তু সমাজে যদি জনগণের মধ্যে শিক্ষিত ও অশিক্ষিতের মধ্যে বা ধনী দরিদ্রের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত বৈষম্য পরিলক্ষিত হয় তাহলে সেই সমাজে স্বাধীনতা অর্থহীন এবং ফলপ্রসূ হয়ে পড়ে। কেননা স্বাধীনতা সকলের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা এনে দেয়, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে যদি বৈষম্য হয় তাহলে তা ফলপ্রসূ হবে না। দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিকস্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক সহনশীলতা অপরিহার্য। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও যদি সরকারি দল বিরোধী দলকে মারাত্মক বৈষম্যের মধ্যে ঠেলে দেয় তাহলে দেশের স্বাধীনতা কখনো ফলপ্রসূ হবে না।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ বিষয় স্পষ্ট যে, সমাজের জনগণের মধ্যে যে কোনো ধরনের বৈষম্যই স্বাধীনতাকে বাধা প্রদান করে এবং সমাজে বৈষম্য বিরাজ করলে কখনোই স্বাধীনতা ফলপ্রসূ হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
86
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন।

আইনের শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
217
উত্তরঃ

আইনের শাসন গণতন্ত্রের ভিত্তি। মমতাজ সাহেব গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় লেখনী ধারণ করেন।

তিনি আইনের শাসনকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় মূল্যবোধের বিকাশের মূল হিসেবে দেখেছেন। যথাযথ আইনের শাসনের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। জনগণের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। আইনের শাসনের মাধ্যমে 'সকল নাগরিক সমান' এ নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগে সমান সুযোগের ভিত্তিতে সবাই বিচার লাভ করবে। দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে সবাই নিরাপত্তা লাভ করবে। আইনের শাসনের এ বিষয়গুলো মূলত গণতন্ত্রের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রধানত সংখ্যাগুরুর মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত শাসনব্যবস্থা। এতে সংখ্যালঘুরাও সমান সুযোগ পাবে, মত প্রকাশের সমান অধিকার থাকবে। আইনের শাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে, গণতন্ত্র চর্চাকে পরিশীলিত করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
184
উত্তরঃ

প্রচলিত সাধারণ অর্থানুসারে আইন হলো কতকগুলো বিবিবিধান যা মানুষ সামাজিক প্রাণী হিসেবে মানতে বাধ্য থাকে। অন্যদিকে, স্বাধীনতা বলতে যা খুশি তাই করার ক্ষমতাকে বোঝায়। আপাতদৃষ্টিতে আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর বিরোধী দুটি বিষয়। কিন্তু মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি আমাদেরকে বলতে চাচ্ছে যে, আইন স্বাধীনতার সহায়ক।

বস্তুত আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। আইন স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবক। আইন না থাকলে স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আইন আছে বলেই স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করা যায়। আইন স্বাধীনতাকে সম্প্রসারিত করে। উইলোবি এজন্যই বলেছেন যে, "আইন আছে বলেই স্বাধীনতা রক্ষা পায়।" অন্যদিকে, স্বাধীনতা না থাকলে আইন অর্থহীন হয়ে যায়। কেননা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকলে আইনের প্রয়োগ সম্ভব হয় না। আইন আছে বলেই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আইনের বলেই স্বাধীন বাংলার মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আইন না থাকলে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার অর্থহীন হয়ে যায়। আইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অধিকার দ্বারাই জনগণ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে স্বাধীনতা লাভ করে। আইন না থাকলে দুর্বলের স্বাধীনতা রক্ষা করা কতটা সম্ভব হতো তা প্রশ্ন সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্যই বলা যায়, সাংবাদিক মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
233
উত্তরঃ

আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
222
উত্তরঃ

মূল্যবোধ বলতে তুলনামূলক অর্থমূল্য বা অন্তর্নিহিত গুণাবলিকে বোঝানো হয়। আর সমাজে প্রচলিত মূল্যবোধ বলতে বোঝানো হয় এমন রীতিনীতি, আদর্শ ও লক্ষ্য যা সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং সমর্থিত। সমাজের বৃহত্তর অংশ দ্বারা মূল্যবোধ সমর্থিত হতে হবে। এটি কোনো স্থির বিষয় নয়। সমাজ-স্থান-কাল-পাত্রভেদে মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
209
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews