ঢাকায় বসবাসকারী সুমন তার বোনের বিয়ের জন্য দিনাজপুর হতে পোলাওর চাল কিনতে চায়। এজন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে সে পোলাওর চাল কিনতে পারে?

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ঢাকায় বসবাসকারী সুমন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহার করে দিনাজপুর থেকে পোলাওয়ের চাল কেনার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারে। এতে তার সময় ও শ্রম দুটোই সাশ্রয় হবে। নিচে কিছু উপায় আলোচনা করা হলো:

১. অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম (Online E-commerce Platform): সুমন বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেমন - Daraz, Chaldal অথবা দিনাজপুরের কোনো স্থানীয় অনলাইন গ্রোসারি শপ খুঁজে বের করতে পারে। এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে সাধারণত পণ্যের ছবি, বিবরণ, মূল্য এবং ডেলিভারি সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া থাকে। সুমন তার পছন্দ অনুযায়ী চাল নির্বাচন করে সরাসরি অর্ডার দিতে পারে।

২. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন গ্রুপ (Social Media & Online Groups): ফেসবুক (Facebook)-এর মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিনাজপুরের বিভিন্ন কৃষি পণ্য বা চাল বিক্রেতাদের পেজ (page) অথবা গ্রুপ (group) থাকতে পারে। সুমন এসব গ্রুপে যুক্ত হয়ে সরাসরি বিক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে, পণ্যের মান ও মূল্য সম্পর্কে জানতে পারে এবং অর্ডার দিতে পারে। হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) বা মেসেঞ্জার (Messenger)-এর মাধ্যমেও ছবি ও ভিডিও আদান-প্রদান করে পণ্যের মান যাচাই করা যেতে পারে।

৩. ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম (Digital Payment System): অর্ডার নিশ্চিত করার পর সুমন মোবাইল ব্যাংকিং (Mobile Banking) সেবা যেমন - বিকাশ (bKash), নগদ (Nagad), রকেট (Rocket) অথবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং (Internet Banking) ব্যবহার করে বিক্রেতাকে অনায়াসে মূল্য পরিশোধ করতে পারবে। এর ফলে নগদ টাকা লেনদেনের ঝামেলা এড়ানো যাবে এবং লেনদেন আরও দ্রুত ও সুরক্ষিত হবে।

৪. অনলাইন ডেলিভারি ও কুরিয়ার সার্ভিস (Online Delivery & Courier Service): বিক্রেতা যদি সরাসরি ঢাকাতে ডেলিভারি (delivery) দিতে সক্ষম না হন, তবে সুমন বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিস (Courier Service) যেমন - সুন্দরবন কুরিয়ার, এস.এ. পরিবহন ইত্যাদির মাধ্যমে চাল ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে। বিক্রেতা কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পাঠাবেন এবং সুমন ঢাকায় এসে কুরিয়ার অফিস থেকে চাল সংগ্রহ করতে পারবে, অথবা অনেক কুরিয়ার সার্ভিস হোম ডেলিভারিও দিয়ে থাকে।

এভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুমন ঢাকার বাড়িতে বসেই দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী পোলাওয়ের চাল সহজেই কিনতে পারবে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
4.4k

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব :
• যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• সরকারি কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের পুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব
• চিকিৎসা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব
• গবেষণার ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়। এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো-

১. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
২. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসে যেকোনো পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
916
উত্তরঃ

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অর্থ প্রেরণ এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন অর্থ প্রেরণ অ্যাপসের মাধ্যমে আমরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খুব সহজেই অর্থ প্রেরণ করতে পারি। এতে সময় এবং খরচ উভয়ই অনেক কমে গেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি নিরাপদ এবং সুবিধাজনক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
214
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিবহন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। GPS, স্মার্টফোন অ্যাপ এবং অনলাইন বুকিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সহজেই যানবাহন বুক করতে, যানজট এড়াতে এবং সর্বোত্তম রুট খুঁজে পেতে পারি। এছাড়া নতুন প্রযুক্তি যেমন-স্বয়ংচালিত গাড়ি এবং ড্রোন পরিবহন ব্যবস্থায় আরও বেশি দক্ষতা এবং নিরাপত্তা আনছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
339
উত্তরঃ

ইন্টারনেট চালাতে মডেম প্রয়োজন হয় কারণ মডেমই ইন্টারনেট সংকেতকে কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস বুঝতে পারে এমন ভাষায় রূপান্তর করে। মডেম ইন্টারনেট সংযোগের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ককে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
386
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে অনেক সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যেমন, টাইপরাইটারের জায়গায় কম্পিউটার, হিসাব রক্ষকের জায়গায় স্প্রেডশিট এবং মানি অর্ডার এর জায়গায় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ এসেছে। এছাড়া, অনেক কারখানায় যান্ত্রিক কাজগুলো রোবট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে মানুষের হাতে কম কাজ থাকছে এবং তাদেরকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
209
উত্তরঃ

সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ফলে তৈরি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগও দ্রুত হারে বেড়ে গিয়েছে। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
663
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews