ব্যবসায়ের স্বতন্ত্রসূচক, বৈশিষ্ট্য, চিহ্ন বা প্রতীক যা সকলের নিকট ব্যবসায় বা পণ্যকে সহজে পরিচিত করে তোলে এবং এর মালিকের তা ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার নির্দেশ করে, তাকে ট্রেডমার্ক বলে।
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসায়ের অংশীদার না হয়েও কথা-বার্তা ও আচরণের দ্বারা নিজেকে অংশীদার হিসেবে পরিচয় দেয় তবে তাকে আচরণে অনুমিত অংশীদার বলে।
অনুমিত অংশীদার জেনেশুনে ব্যবসায় তার স্বার্থেই ব্যক্তির পরিচয়কে মেনে নেয় এবং অস্বীকার করে না। এরূপ পরিস্থিতিতে ঐ ব্যক্তিকে আচরণে অনুমিত অংশীদার বলা হয়। কার্যত এরূপ ব্যক্তি ব্যবসায়ের কোনো অংশীদার নয়। যদি কেউ এরূপ বলার বা লেখার কারণে তার অংশীদারিত্বের ওপর নির্ভর করে ব্যবসায়কে ঋণ দেয় বা চুক্তি করে তবে সেজন্য ঐ ব্যক্তির দায় জন্মে।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'আশার আলো' সমবায় সমিতিটির ধরন হলো ভোক্তা সমবায় সমিতি।
ভোক্তাগণ ক্রয় সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিজেদের প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় কোনো সমবায় সমিতি গঠনপূর্বক সমবায় বিপণি স্থাপন ও পরিচালনা করলে তাকে ভোক্তা সমবায় সমিতি বলে।
উদ্দীপকের আশার আলো সমবায় সমিতির সদস্যরা তাদের প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য সরাসরি কোম্পানি থেকে কিনে এনে নিজেরা ভাগ করে নেয়। উক্ত সমবায় সমিতির ভোক্তাগণ ন্যায্যমূল্যে ক্রয় সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিজেদের প্রচেষ্টায় সমবায় সমিতিটি গঠন করে। আর যেহেতু স্বল্পমূল্যে ও সহজে ক্রয় সুবিধা প্রাপ্তিই আশার আলো সমিতির ভোক্তাগণের লক্ষ্য। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত 'আশার আলো' সমবায় সমিতিটির ধরন হলো ভোক্তা সমবায় সমিতি।
অত্র এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মেঘনা সমবায় সমিতির ভূমিকা অপরিসীম।
ধনতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় আর্থিক সংকটে নিষ্পেষিত নিম্নবিত্তের মানুষকে নিজেদের সচ্ছলতার পথে এগিয়ে নিতে যে প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পেতে পারে তা হলো সমবায় সমিতি। আর কোনো স্থানের সমপ্রকৃতির ক্ষুদ্র উৎপাদনকারিগণ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অধিক সুবিধাপ্রাপ্তির আশায় সমবায় সমিতি স্থাপন করলে তাকে বিক্রয় সমবায় সমিতি বলে। এর ফলে আশানুরূপ মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের ওপর হতে নির্ভরতা কমানো যায়।
উদ্দীপকের ঢাকার মিরপুর এলাকার 'মেঘনা সমবায় সমিতি'-এর সদস্যরা মূলত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উৎপাদক। তাদের পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ে নানা ধরনের অসুবিধা হয়। তাই তারা ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের জন্য তারা বিক্রয় সমবায় সমিতি গঠন করে। আর এ ধরনের সমবায় সমিতি থেকেই এর সদস্যরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে থাকে। কেননা এতে নিজেদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা হ্রাস পায় সেই সাথে মুনাফার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে উৎপাদকগণ উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারিত করতে পারেন বিধায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর কর্মসংস্থান ঘটলে মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া জীবনযাত্রার মানও উন্নত হয়।
সুতরাং বলা যায়, অত্র এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মেঘনা সমবায় সমিতির ভূমিকা অপরিসীম।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!