ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বনভূমি এলাকায় শিক্ষা সফরে গেল। সেখানে তারা যে বনভূমিটি দেখল তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করল। যা দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের বনভূমি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম জীববৈচিত্র্য শব্দটি ব্যবহার করেন ডব্লিউ রোজেন (W. Rasen) |

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক বিভিন্নতার কারণ হলো পরিবেশগত ও বংশগত।
পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ লক্ষ করা যায়।
একই প্রজাতির উদ্ভিদ কিংবা প্রাণী ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে বসবাস করার কারণে তাদের মধ্যে নানা ধরনের বৈচিত্র্য দেখা যায়। আবার, জীনের মাধ্যমে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যাবলি বংশানুক্রমে ধারাবাহিকভাবে স্থানান্তর হয়। জীনের গঠন এবং বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটলে একই প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভিন্নতা লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে বনভূমির ইঙ্গিত করা হয়েছে তা হচ্ছে স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।
বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার-ভাটাপূর্ণ, শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে।
এ বনভূমি সুন্দরবন নামেও পরিচিত।
সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এ বনভূমির মোট আয়তন ৬.৭৮৬ বর্গ কি.মি.। উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বর্নভূমি বিস্তৃত। এটি খুলনা বিভাগের ৬০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ। এ বনে সুন্দরী, গেওয়া, ধুন্দল, পশুর, কেওড়া, গোলপাতা, গড়ান প্রভৃতি বৃক্ষের সমারোহ দেখা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঢাকা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের দেখা বনভূমি হচ্ছে স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।
বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার-ভাটাপূর্ণ, শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জকে স্রোতজ বনভূমি বলে। এ বনভূমি সুন্দরবন নামেও পরিচিত। নদীবাহিত উর্বর পলল মৃত্তিকা, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি, এ এলাকায় বৃক্ষের উপযোগী পরিমিত তাপমাত্রা, প্রচুর বৃষ্টিপাত, বিরল জনবসতি, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভৃতির প্রভাবে এ বনভূমি গড়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সমুদ্রের নিকটবর্তী যেসব জেলাগুলো রয়েছে উক্ত অঞ্চলের মৃত্তিকাগুলো হলো নদীবাহিত উর্বর পলল মৃত্তিকা যা উদ্ভিদ জন্মাতে সক্ষম। আবার সুমদ্রের পানি থেকে জোয়ার-ভাটা হওয়ার কারণে জোয়ারের লবণাক্ত পানি সহিষ্ণু বৃক্ষ এ অঞ্চলে জন্মে থাকে। তাছাড়া এ অঞ্চলের তাপমাত্রা অনুযায়ী যেসব বৃক্ষ রয়েছে সেগুলো জন্মে থাকে। এছাড়া এ অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে বেশি পরিমাণে বৃক্ষ জন্মায় এবং জনবিরল হওয়ার কারণে উত্ত বৃক্ষগুলো কেটে না ফেলার দরুন উক্ত অঞ্চলে বনভূমি গড়ে উঠেছে।
সুতরাং বলা যায় যে, প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত, পরিমিত তাপমাত্রা, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লবণাক্ত পানির প্রভাব প্রভৃতি নিয়ামকের প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন গড়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
57

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের এক বা একাধিক উপাদানের কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তনকে দূষণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
116
উত্তরঃ

প্রকৃতির কার্বন যে প্রক্রিয়ায় CO2 গ্যাসরূপে পরিবেশ থেকে জীবদেহে এবং জীবদেহ থেকে পরিবেশে আবর্তিত হয়ে প্রকৃতিতে কার্বনের সমতা বজায় রাখে তাই কার্বনচক্র।

যেমন- উদ্ভিজ্জাত পদার্থ (কাঠ, কয়লা, পেট্রোল ইত্যাদি) দহন ক্রিয়ায় কার্বন যৌগ ভেসে CO₂ গ্যাস নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। C6H12O6 + 602 + C6H2O6CO2+ 12H2O

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
121
উত্তরঃ

' অঞ্চলে বিশেষ ধরনের যে বনভূমি সৃষ্টি হয়েছে, তা হলো সুন্দরবন বা স্রোতজ বনভূমি।

সুন্দরবন সৃষ্টির প্রধান কারণ লবণাক্ততা। বালি ও কাদার বিভিন্ন স্তরে গঠিত নদী বাহিত উর্বর পলল মৃত্তিকা, সমুদ্রের জোয়ার ভাটা ও লোনাপানি, পরিমিত উত্তাপ, প্রচুর বৃষ্টিপাত, বিরল জনবসতি প্রভৃতির প্রভাবে এ বনভূমি গড়ে উঠেছে। সুন্দরবনের উত্তরাংশ মৃদু লবণাক্ত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এই অঞ্চল মিঠাপানি ও লবণাক্ত পানির মিলিত স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রতিবছর নদীবাহিত পলি এসে জমা হয় বলে এখানে লবণাক্ততা কম। এ এলাকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী।
সমুদ্র তীর ও নদীর মোহনা নিয়ে মধ্যম লবণাক্ত অঞ্চল গঠিত। এখানকার পানির লবণাক্ততা পরিমিত তবে বর্ষাকালে লবণাক্ততা কিছুটা কমে যায়। এ এলাকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী ও গেওয়া।
সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা নিয়ে অধিক লবণাক্ত অঞ্চল গঠিত। সারাবছর চরম লবণাক্ত অবস্থা বিরাজমান থাকায় এটি অন্য দুটি অঞ্চলের ন্যায় উদ্ভিদ সমৃদ্ধ নয়। এ এলাকায় যেসব উদ্ভিদ জন্মায় তাদের মধ্যে গেওয়া, বাইন, গরান ইত্যাদি অন্যতম। এভাবে লবণাক্ততার তারতম্যের কারণে সুন্দরবনের বনভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
154
উত্তরঃ

'উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলের বনভূমিন্বয় হলো যথাক্রমে কান্তীয় চিরহরিৎ ও পতনশীল পত্রমুক্ত বৃক্ষের বনভূমি এবং স্রোতজ বনভূমি। নিচে এ দুই ধরনের বনভূমিতে উদ্ভিদের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়িয়া এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি অবস্থিত। চিরহরিৎ বৃক্ষের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি প্রধান। পতনশীল পত্রযুক্ত (বা পর্ণমোচী) বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এ বনভূমির বৃক্ষসমূহ অর্থনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কাগজ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল এ বন থেকে পাওয়া যায়, গর্জন ও জাবুল রেলওয়ের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এ বন থেকে সংগ্রহীত বেত দিয়ে চেয়ার টেবিল, শীতল পাটি, চাটাই মাদুর প্রভৃতি তৈরি হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার ভাটাপূর্ণ জৈবনিকভাবে শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জকে গরান বা স্রোতজ বনভূমি বলা হয়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্রোতজ বৃক্ষের বনভূমি। এ অঞ্চল উদ্ভিদকুলে সমৃদ্ধ এবং সুন্দরি, গরান ও ভেন্না প্রধান বৃক্ষ। তাছাড়া গেওয়া, ধুন্দল, পসুর, কেওড়া, ওড়া, আমুর ও গোলপাতা প্রভৃতি বৃক্ষও প্রচুর জন্মে। সমুদ্র তীরের অতি নিকটে এ বনে গেওয়া, সুন্দরি এবং গরান বৃক্ষসহ বিভিন্ন গাছ জন্মে। পেন্সিল তৈরিতে ধূন্দন ব্যবহৃত হয়। গোলপাতা ঘরের চালের ছাউনির কাজে ব্যবহৃত হয়, সুন্দরী বৃক্ষ বৈদ্যুতিক খুটি গৃহ নির্মাণ, নৌকা নির্মাণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহৃত হয়। গেওয়া কাঠ নিউজপিন্ট কাগজ ও দিয়াশলাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত বনভূমির মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
133
উত্তরঃ

উদ্ভিদ, প্রাণিজগৎ, মাটি ও জলবায়ুর সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে যে বাস্ততান্ত্রিক একক গড়ে উঠে তাকে বায়োম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
167
উত্তরঃ

কোনো স্থানের উদ্ভিদ, প্রাণী এবং এদের জড় পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে অবস্থান করার কারণে এদের গঠন ও কার্যের বিভিন্ন পরিবর্তন সাধিত হয়ে থাকে। এভাবে কোনো স্থানে জীব ও এদের জড় পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়ার গতিময় পদ্ধতিই হলো ইকোসিস্টেম বা পরিবেশতন্ত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
123
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews