তনয় যে জনপদে বাস করে সেখানে নারী ও শিশু মিলিয়ে মোট ২০ হাজারের মতো মানুষ রয়েছে। জনপদটির আয়তন প্রায় ৫ হাজার বর্গমাইল। স্থায়িভাবে বসবাসকারী এসব লোকের পরিচালনাকারীরূপে রয়েছে একটি পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু জনপদের এ পরিচালনা পর্ষদ অভ্যন্তরে কাউকে আদেশ-নিষেধ পালনে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখে না। এমনকি এ পর্ষদ অন্য কোনো শক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকেও নিজেদের মুক্ত রাখতে সক্ষম নয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অশশংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২০ হাজার ১১১ অন
(সূত্র: জনশুমারি ২০২২)।

উত্তরঃ

বাংলাদেশ ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটারের একটি ক্ষুদ্রতম দেশ। কিন্তু এর জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯১১ জন। (সূত্র: জনশুমারি, ২০২২) এ জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ। তাই বাংলাদেশকে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশ বলা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে তনয়ের বসবাসকারী জনপদে রাষ্ট্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উপাদান সার্বভৌমত্ব অনুপস্থিত।

সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ, চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতা। রাষ্ট্র এ ক্ষমতাবলে তার অভ্যন্তরে যে কাউকে যেকোনো নির্দেশ দিতে পারে। তাকে সে আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারে সার্বভৌমত্বের কারণে রাষ্ট্র কোনো দেশ বা শক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত থাকে। তনয়ের জনপদটির পরিচালনা পর্ষদ কাউকে আদেশ-নিষেধ পালনে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখে না। সার্বভৌম ক্ষমতাবলে রাষ্ট্র অন্য কোনো দেশ বা শক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত থাকে। পক্ষান্তরে, তনয়ের জনপদটি অন্য কোনো শক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকেও নিজেদের মুক্ত রাখতে সক্ষম নয়। তনয়ের দেশটিতে ২০ হাজার মানুষ বলতে নির্দিষ্ট জনসমষ্টি, ৫ হাজার বর্গমাইল আয়তন মানে নির্দিষ্ট ভূখন্ড ও পরিচালনা পর্ষদ বলতে সরকার রয়েছে; কিন্তু রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সার্বভৌমত্ব নেই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের তনয়ের জনপদে রাষ্ট্রের অপরিহার্য সার্বভৌমত্ব উপাদানটিই অনুপস্থিত।

উত্তরঃ

তনয়ের জনপদটি সার্বভৌমত্বের অভাবে রাষ্ট্র নয়।
রাষ্ট্র হলো কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ভূখণ্ডে স্থায়িভাবে বসবাসকারী একটি জনসমষ্টি। এ জনসমষ্টি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও অন্য কোনো দেশের নিয়ন্ত্রণমুক্ত। একটি রাষ্ট্রের সুসংগঠিত সরকার থাকে যার প্রতি জনসাধারণ স্বাভাবিকভাবেই আনুগত্য স্বীকার করে।
তাহলে বলা যায়, রাষ্ট্র গঠনে চারটি উপাদান রয়েছে। এগুলো হচ্ছে জনসমষ্টি, ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। রাষ্ট্র গঠনের জন্য সকল উপাদানের উপস্থিতি আবশ্যক। উদ্দীপকে তনয়ের জনপদটিতে ২০ হাজার মানুষ বলতে নির্দিষ্ট জনসমষ্টি, ৫ হাজার বর্গমাইল আয়তনে মানে নির্দিষ্ট ভূখন্ড ও পরিচালনা পর্ষদ বলতে সরকার রয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যিক উপাদান সার্বভৌমত্ব নেই। সার্বভৌম ক্ষমতা ব্যতীত কোনো জনপদকে রাষ্ট্র বলা যাবে না। কারণ এ সার্বভৌম ক্ষমতাবলে রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকে এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বসবাসকারী কাউকে তার আদেশ-নির্দেশ পালনে বাধ্য করতে পারে। উদ্দীপকে তনয়ের জনপদটি তা পারে না। অতএব, তনয়ের রাষ্ট্রটিকে সার্বভৌম ক্ষমতার অভাবে রাষ্ট্র বলা যাবে না। তাই আমি মনে করি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থই সঠিক হয়েছে।

140

মানুষ অনেক আগে জন্ম নিলেও প্রাচীন পৃথিবীতে কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছিল না। ছিল না কোনো নাগরিকত্বের ধারণা। সময়ের পরিবর্তন ও বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার বছর আগে নদী ও সমুদ্রের তীরে প্রাচীন কিছু নগররাষ্ট্র গড়ে ওঠে। নগররাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে প্রাচীনকালে রাষ্ট্রের ধারণার উৎপত্তি ঘটেছে। ধীরে ধীরে আধুনিক রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় আট শ'কোটি। এ বিপুল জনসংখ্যার সবাই কোনো না কোনো রাষ্ট্রের অধিবাসী বা নাগরিক। যেমন, আমরা সবাই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অধিবাসী এবং নাগরিক। রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়, কীভাবে একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়, নাগরিক বলতে কী বোঝায়, কীভাবে একটি দেশের নাগরিকত্ব লাভ করা যায়-এ অধ্যায় পাঠে এ সম্পর্কে আমরা জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • রাষ্ট্রের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশ কেন একটি রাষ্ট্র তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • বিভিন্ন দেশের নাগরিকতা অর্জন পদ্ধতির তুলনা করতে পারব;
  • দেশের উন্নয়নে নাগরিকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • দেশের উন্নয়নে নাগরিকের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব উপলব্ধি করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

একটি রাষ্ট্রে নিজ দেশের অধিবাসী ছাড়াও ভিন্ন দেশের অনেক লোক বাস করে। শিক্ষা, ব্যবসায় বাণিজ্য, চাকরি ইত্যাদি নানা কারণে তারা অবস্থান করে। এরা বিদেশি হিসেবে পরিচিত। তারা এদেশের সরকারের বা রাষ্ট্রের কোনো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে না। তাই রাষ্ট্রে বসবাসকারী সকলেই নাগরিক নয়।

764
উত্তরঃ

জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
অনুমোদনসূত্রে এক দেশের নাগরিককে অন্য দেশের নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করতে হয়। শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসায় বাণিজ্য ছাড়াও নানা কারণে এক দেশের নাগরিককে অন্য দেশে বসবাস করতে হয়। এরূপ বসবাসকারী ব্যক্তির ওই দেশের নাগরিকত্বের প্রয়োজন হয়। তখন রাষ্ট্রের কাছে ওই ব্যক্তি আবেদন করেন। আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্র শর্তসাপেক্ষে স্থায়িভাবে নাগরিকত্ব প্রদান করে।
অনুমোদন সূত্রে নাগরিকত্ব লাভের কিছু শর্ত আছে।
উদ্দীপকে জাকির সাহেব আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করেছেন কেননা, জাকির সাহেব ওই রাষ্ট্রের সম্পত্তি কিনেছেন, তিনি এবং তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন, তিনি ওই রাষ্ট্রে চাকরিরত আছেন, তিনি ওই দেশের ভাষা জানেন, তিনি ভালো চরিত্রের অধিকারী ও তিনি উন্নততর দক্ষতার অধিকারী হয়েছেন। অনুমোদন সূত্রে নাগরিকত্ব লাভকারী ব্যক্তি উপরের শর্তগুলোর এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করলে নাগরিকত্ব লাভ করতে পারেন। আর এভাবেই জাকির সাহেব আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।

650
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ করেছে।
অন্যদিকে স্বনন দ্বৈত-নাগরিকত্ব লাভ করেছে। এ দুই নাগরিকতার মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।
এক দেশের নাগরিককে অন্য দেশের নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করে ওই রাষ্ট্রের অনুমোদন সাপেক্ষে নাগরিকত্ব লাভকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব লাভ বলে। আবার একই ব্যক্তি দুটি দেশের নাগরিকত্ব লাভ করলে তাকে দ্বৈত-নাগরিকত্ব বলে।
উদ্দীপক অনুযায়ী জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে আমেরিকার নাগরিক। আর জাকির সাহেব আমেরিকায় থাকা অবস্থায় স্বনন জন্মলাভ করেছে। সেক্ষেত্রে স্বনন আমেরিকার নাগরিক। আবার মা-বাবা বাংলাদেশি হওয়ায় স্বনন বাংলাদেশেরও নাগরিক। অর্থাৎ সে দ্বৈত-নাগরিকত্ব লাভ করেছে।

জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন। স্বনন আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করেছে বিধায় সে জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিক। জাকির সাহেব প্রায় ২০ বছর যাবৎ আমেরিকাতে বসবাস করছেন বিধায় তিনি আমেরিকার নাগরিক। প্রাপ্তবয়স্ক হলে স্বনন ইচ্ছা করলে যেকোনো একটি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারবে। জাকির সাহেব নিয়মিত আয়কর দেন। দেশের আইনকানুন মেনে চলেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি তহবিল পরিচালনা করেন। স্বননের নাগরিকত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য তেমন কিছুই করার প্রয়োজন নেই। তরে ইচ্ছা করলে সে দুটি রাষ্ট্রেরই নাগরিকত্ব রাখতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের জাকির সাহেব ও তার সন্তান স্বননের

443
উত্তরঃ

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুরের - মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়।

280
উত্তরঃ

একই ব্যক্তি দুটি দেশের নাগরিকত্ব লাভ করলে তাকে দ্বিনাগরিকত্ব বলে। কোনো বাংলাদেশি বাবার সন্তান আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করলে সে স্বাভাবিক নিয়মে ওই দেশের নাগরিক হয়। অন্যদিকে মা-বাবা বাংলাদেশি হওয়ায় সে বাংলাদেশেরও নাগরিক। এক্ষেত্রে সে প্রাপ্তবয়স্ক হলে ইচ্ছা করলে যেকোনো একটি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করতে পারে। তবে ইচ্ছা করলে সে দুটি রাষ্ট্রেরই নাগরিকত্ব রাখতে পারে, এটিই দ্বৈত-নাগরিকত্ব।

287
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews