আসবাবের স্থায়িত্ব নির্ভর করে উপকরণ, নির্মাণ কৌশল, পলিশ ও যত্নের ওপর।
আসবাব নির্বাচনে শিল্পনীতিসমূহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
আসবাবপত্র নির্বাচনে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিলে এবং সংস্থাপনে শিল্পনীতিগুলো মেনে চললে গৃহ আকর্ষণীয় হয়।
তাই গৃহকে আকর্ষণীয় করে তুলতে শিল্পনীতির গুরুত্ব অপরিসীম।
আসবাবপত্র বিন্যাস গৃহকে আকর্ষণীয় ও মনোরম করে তোলে।
সুনির্বাচিত আসবাবপত্র পরিবারের চাহিদা মেটায় ও গৃহের সৌন্দর্য বাড়ায়।তপতী আসবাব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যত্নশীল। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয়তার কথা ভাবেন। কার কোন আসবাব প্রয়োজন সেটি বিবেচনা করেন। বিশেষ করে সদস্যদের রুচি ও আরামের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন। কারণ আসবাবপত্র নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও রুচির গুরুত্ব দিতে হয়। রুচি অনুযায়ী আসবাবপত্র নির্বাচন করলে গৃহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। মানুষের রুচি ও পছন্দের তারতম্য থাকে। আসবাবের ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ ভারি, আবার কেউ আধুনিক যুগের হালকা ডিজাইন পছন্দ করেন। তপতীর পরিবারের সব সদস্যদের শারীরিক গঠন এক নয়। তাই আসবাব নির্বাচনের সময় সেটি আরামদায়ক কিনা তা দেখেন। চেয়ার, টেবিল, খাট, আলমারি সবকিছুর উচ্চতা, আয়তন, গভীরতা পরিবারের সদস্যদের গঠন অনুযায়ী সুবিধাজনক কিনা তা খেয়াল রাখেন। এসব কারণে পরিবারের সদস্যরা তার প্রতি বেশ সন্তুষ্ট।
তপতী আসবাব নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবারের সুদস্যদের প্রয়োজনীয়তা, পরিবারের আয়, আরাম, আসবাবের মূল্য, রুচি ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখেন।
গৃহের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে আসবাবপত্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিকল্পিত উপায়ে উপযোগী আসবাবপত্র নির্বাচন, ক্রয়, বিন্যাস ও যত্নের মাধ্যমে গৃহকে আকর্ষণীয় করা যায়। এর জন্য চাই শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি, বাস্তব জ্ঞান ও কল্পনার সাথে সমন্বয়।সদস্যদের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিবেচনা করে আসবাব ক্রয় করতে হয়। তা না হলে অর্থের অপচয় ঘটে এবং ঘরের সৌন্দর্য ব্যাহত হয়। আসবাবপত্র নির্বাচন, করার পূর্বে পারিবারিক আয়ের দিকে লক্ষ রাখতে
হবে। নিম্ন ও উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবার তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আসবাব নির্বাচন করবে। আসবাব নির্বাচনের সময় এটা আরামদায়ক কি না তা দেখতে হবে। চেয়ার, টেবিল, খাট, আলমারি, তাক, সবকিছুর উচ্চতা, আয়তন, গভীরতা পরিবারের সদস্যদের শারীরিক গঠন অনুযায়ী সবিধাজনক হওয়া প্রয়োজন। আসবারের মূল্য নির্ভর করে উপকরণ, নির্মাণ ও নকশার কারুকার্যের ওপর। উপকরণ ও নকশার ভিন্নতার জন্য আসবাবের মূল্যের পার্থক্য হয়। উপকরণ যদি ভালোমানের হয় তাহলে আসবাবের মূল্য অনেক বেড়ে যায়। তাই নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে আসবাবপত্র নির্বাচন করা উচিত।
এছাড়া আসবাবপত্র নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও রুচির গুরুত্ব দিতে হয়। রুচি অনুযায়ী আসবাবপত্র নির্বাচন করলে গৃহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
তপতী উল্লিখিত বিষয়সমূহ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তার পরিবারের জন্য আসবাব নির্বাচন করেন।
Related Question
View Allসূর্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয় তাই সৌর বিদ্যুৎ
দৈনিক কোন কাজের পর কোন কাজ করা হবে তার সময় উল্লেখ করে যে তালিকা প্রণয়ন করা হয় তাকে সময় তালিকা বলে।
সময় তালিকার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি অনুসরণ করলে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা যায় এবং সঠিক সময়ে কাজ করার সুঅভ্যাস গড়ে ওঠে। কাজের মধ্যে তাড়াহুড়ো লাগে না এবং কাজ এলোমেলো হয় না। সময় তালিকা ব্যক্তিকে সচেতন করে গড়ে তোলে। তাই প্রত্যেককেই সময় তালিকা অনুসরণ করা উচিত।
আসবাবের যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপরই আসবাবের স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য নির্ভর করে।
নানা উপাদানে তৈরি আসবাবের যত্ন নেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন। তাই আসবাবের ধরন জেনে সেগুলো পরিষ্কার করলে স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়। আসবাবের স্থায়িত্ব বাড়াতে রিফাতকে কিছু বিষয়ে সর্তক হতে হবে।
i. উদ্দীপকের কাঠের আসবাবপত্রকে শুকনো কাপড়, তোয়ালে অথবা পালকপত্র দিয়ে ঝেড়ে ধুলা ফেলে দিতে হবে।
ii. যেখানে কাঠের খোদাই করা নকশা আছে, সেসব জায়গাগুলোতে বেশি করে পাতলা কাপড় ছোট ছোট কাঠির মাথায় বেঁধে নকশার ভেতরের ধুলা ময়লা বের করে আনতে হবে।
iii. কোথাও ভেঙে গেলে সেখানে উপযুক্ত এবং সঠিক কাঠ নির্বাচন করে মেরামত করতে হবে। কোনো জোড়া ফাঁকা হলে অথবা খুলে গেলে সেগুলো ভালোভাবে মেরামত করে নিতে হবে।
iv. কাঠের আসবাবপত্রে কোনো দাগ লাগলে সেটা উঠিয়ে দ্রুত রং করিয়ে নিতে হবে।
V. মেরামতের পরই কাঠের আসবাবপত্রকে বার্নিশ করতে হবে।
vi. বছরে দু'বার না পারলেও একবার কাঠের আসবাবপত্র রং করতে হবে।
vii. কাঠের আসবাবপত্রের যত্ন ব্যবহারের ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে।
এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিলেই রিফাত তার আসবাবের যত্ন যথার্থভাবে নিতে পারবেন।
গৃহের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য আসবাবের ওপর নির্ভর করে- আমি এ বক্তব্যটির সাথে একমত।
গৃহে বসবাস করার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন আসবাবপত্র। আসবাবপত্রের সঠিক বিন্যাস গৃহকে আকর্ষণীয় ও মনোরম করে তোলে।
নিজের গৃহ সবার কাছেই শান্তির আশ্রয়স্থল। এ গৃহকে মনের মতো সাজিয়ে রাখার বাসনা সবারই জাগে। আরাম আয়েশে বসবাসের জন্য এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী গুছিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন আসবাবের।
আসবাবপত্র বলতে টেবিল, চেয়ার, সোফাসেট, খাট, ওয়ারড্রোব, আলমারি, বুকসেলফ ইত্যাদি গৃহসজ্জা সামগ্রীকে বোঝায়। পরিকল্পিত উপায়ে উপযোগী আসবাবপত্র নির্বাচন, ক্রয়, বিন্যাস ও যত্নের মাধ্যমে গৃহকে আকর্ষণীয় করা যায়। এসবের জন্য টাকা পয়সাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য চাই শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি, বাস্তবজ্ঞান, জীবনধর্মী চাহিদা ও কল্পনার সাথে সমন্বয় সাধন। আসবাবপত্র বিন্যাসের সময় শিল্পনীতির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। আসবাবের বর্ণ, আকার, পর্দা, কক্ষের রং ইত্যাদির সমন্বয়ে এমনভাবে আসবাবপত্র বিন্যাস করতে হবে যাতে ছন্দের সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, সুনির্বাচিত আসবাবপত্র পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি গৃহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
কক্ষের দেয়াল সজ্জিত করার জন্য যেসব সামগ্রী ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে দেয়াল সজ্জা বলে।
জাপানিদের পুষ্পবিন্যাস পদ্ধতিকে ইকেবানা বলে।
জাপানি পদ্ধতিতে পুষ্পবিন্যাস তিনটি ধাপের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তারা পুষ্পবিন্যাসের সময় সৃষ্টিকর্তা, মাটি ও মানুষকে স্মরণ করে। এপুষ্পসজ্জায় সর্বোচ্চ ডালটি স্বর্গের, দ্বিতীয় ধাপটি মানুষের আর তৃতীয় ধাপটি পৃথিবীর প্রতীক। এই পুষ্পবিন্যাসে শুধু যে তিনটি শাখা থাকে তা নয়। তিনের অধিক শাখা থাকলেও সেগুলোকে এমনভাবে সাজাতে হয় যেন তিনটি মূল শাখা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!