তপন আখ চাষ করে ভালো ফলন পাননি। জমির মাটি পরীক্ষা করার জন্য ভূমি অফিসে গেল। পরীক্ষায় দেখা গেল, মাটিতে লৌহ ও অ্যালুমিনিয়ামের বিষাক্ততা আছে, ম্যাঙ্গানিজ, মলিবডেনাম ও বোরনের প্রাপ্যতা বেড়ে গেছে এবং ফসফরাসের প্রাপ্যতা কমে গেছে। ভূমি কর্মকর্তা এ সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিলেন এবং বললেন, সঠিক বয়সে আখ কাটার ওপর এর ফলন ও চিনির পরিমাণ নির্ভর করে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

যে মাটির pH ৭.০০ সেই মাটিকে নিরপেক্ষ মাটি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কৃষি জমিতে চুন প্রয়োগ করা হয় মাটির অম্লত্ব দূর করার জন্য অর্থাৎ মাটির অম্লমান বৃদ্ধি করার জন্য। মাটির অম্লত্ব সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নানাভাবে মাটি থেকে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অপসারিত হয়ে যাওয়া। তাই মাটিতে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য মাটিতে চুন প্রয়োগ করা হয়। এতে মাটির অম্লত্ব দূর হয় এবং মাটি উর্বর হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তপনের আখ চাষের জমিতে অম্লমান কমে যাওয়ায় ফলন কমে যায়।

অম্লমান কমে গেলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। অম্লত্ব দূরীকরণে কৃষি কর্মকর্তা মাটিতে চুন প্রয়োগ করতে বলেন। কারণ অম্লমান কমে গেলে মাটি থেকে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অপসারিত হয়ে যায়। এজন্য চুন প্রয়োগ করে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এর পরিমাণ বাড়ানো হয়। বিভিন্ন চুন দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ক্যালসাইট, ডলোমাইট, গুঁড়ো চুন, কলিচুন, ঝিনুক চূর্ণ ইত্যাদি। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের জৈব সার যেমন: ট্রাইকোডার্মা, বায়োপেস্টিসাইড ইত্যাদিও ব্যবহার করা যায়। জমিতে সবুজ সার যেমন: ধৈঞা, গো-মটর, মাসকলাই, মুগ ইত্যাদি ব্যবহার করে অম্লমান বাড়ানো যায়। সঠিক উপায়ে সার ব্যবহার, পরিমিত পরিমাণ সেচের পানি ব্যবহার করেও অম্লমান বাড়ানো সম্ভব। এছাড়া কাঠের ছাই এ প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও পটাশ জাতীয় পদার্থ থাকে যাতে অম্লত্ব সংশোধন হয়।

উপরিউক্ত উপায়ে তপন তার জমিতে অম্লত্ব কমিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারেন যা তাকে লাভবান হতে সাহায্য করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ভূমি কর্মকর্তা বললেন, সঠিক বয়সে আখ কাটার ওপর এর ফলন ও চিনির পরিমাণ নির্ভর করে। মাঠে রিফ্লাক্টোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে আখের পরিপক্কতা নির্ণয় করা যায়। তাছাড়া যে ক্ষেতে আখ কাটা হবে সে ক্ষেতে একটি আখকে সমান তিন খণ্ডে কেটে চিবিয়ে যদি মনে হয় সব অংশ সমান মিষ্টি লাগছে তবেই আখ কাটার উপযুক্ত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এছাড়া আখের বয়স ১২ মাস বা তার উর্ধ্বে হতে হবে, পাতার আকার ছোট হবে, কাণ্ডের বৃদ্ধি থেমে যাবে, উপরের দিকে পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য কমে যাবে, পাতায় হলদে ভাব দেখা দিবে, কাণ্ডে ছুরি দ্বারা আঘাত করলে ধাতব পদার্থের ন্যায় শব্দ হবে। এ সকল লক্ষণ প্রকাশিত না হলে যদি আখ কাটা হয় তাহলে আখের রসের পরিমাণ কমে যায় এবং সেখানে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এ কারণে আখের মূল্য কমে যায়।

তাই বলা যাচ্ছে যে, ভূমি কর্মকর্তার বক্তব্যটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত এবং ভালো ফলন পেয়ে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
221

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য জলজ প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস, চাষ পদ্ধতি, প্রজনন, রোগতত্ত্ব, সংরক্ষণ, পরিবহণ ও বিপণন বিষয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মাৎস্য বিজ্ঞান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
434
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় প্রতি মাসে অথবা প্রয়োজন অনুসারে কৃষকদের নিয়ে কোনো একজন কৃষকের উঠোনে কৃষির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যে বৈঠক করে তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

মূলত উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকেরা কৃষি তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকে। উঠোন বৈঠকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- কৃষকদের মাঝে নতুন প্রযুক্তি হস্তান্তর করা, কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষকদের জ্ঞান, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। ফলে দুর্বল কৃষকরা কৃষি তথ্যে সমৃদ্ধ হয়ে কৃষিকাজে আরও উৎসাহী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)। এ প্রতিষ্ঠানটি নিম্নলিখিত কার্যাবলীর মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে-

i. ফসলের নতুন নতুন জাত নির্বাচন, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন সাধন। 

ii. নির্বাচিত ও উদ্ভাবিত ফসলের জাতসমূহ চাষাবাদের জন্যে অনুমোদনের ব্যবস্থাকরণ এবং উন্নত চাষাবাদ কলাকৌশল উদ্ভাবন। 

iii. বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প তদারকীকরণ ও পরামর্শ প্রদান। 

iv. উন্নত সেচ প্রযুক্তি উদ্ভাবন। 

V. সার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন। 

vi. মাটির উর্বরতা রক্ষার উপায় উদ্ভাবন ও উন্নয়ন। 

vii. ফসলের প্রজাতি বা জিন সংরক্ষণ। 

viii. চাষাবাদ ও পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র উদ্ভাবন। 

ix. কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার কৌশল উদ্ভাবন। 

x. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা প্রভৃতির আয়োজনকরণ।

xi. শস্য বিন্যাস পদ্ধতির আধুনিকীকরণ ও উন্নয়ন। 

xii. কৃষি পরিবেশ ও অঞ্চলেভেদে দেশের চাহিদাভিত্তিক কৃষি গবেষণা পরিচালনা। 

xiii. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান। 

xiv. কৃষিতে আইসিটি এর প্রয়োগকরণ।

পরিশেষে বলা যায়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র দূরীকরণে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
399
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চাষকৃত ফুলটি হলো ডালিয়া। ডালিয়া ফুল গাছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি আক্রমণ করলে নানাবিধ রোগ হয়। এসব প্রতিরোধে দরকার প্রয়োজনীয় রোগ দমন ব্যবস্থাপনা।

ডালিয়ার পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনে গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। রোগের প্রকোপ কম হলে দ্রুত বেগে পানি স্প্রে করেও দমন করা যায়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ১ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩-৫ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ দেখা মাত্রই সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- থিয়োভিট ৮০ ডব্লিউজি বা কুমুলাস ডিএফ) ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে অথবা প্রোপিকোনাজোল (যেমন- টিল্ট ২৫০ ইসি) ১ লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ঢলে পড়া রোগ দমনে রোগাক্রান্ত চারা/গাছ তুলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। মেটালেক্সিল + মেনকোজেব (যেমন- রিডোমিল গোল্ড) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে কন্দ আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ছায়ায় শুকিয়ে নিয়ে জমিতে বপন করতে হবে। আক্রান্ত গাছে অক্সিক্লোরাইড বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার ড্যাম্পিং অফ রোগ হলে মেটালেক্সিল ও রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার কান্ড পচা রোগ হলে রোগাক্রান্ত গাছ ধ্বংস করে ফেলতে হবে। ডালিয়ার অ্যানথ্রাকনোজ রোগ প্রতিরোধে কার্বেন্ডাজিম দ্বারা কন্দ শোধন করতে হবে। আর এ রোগে আক্রান্ত গাছে কপার অক্সিক্লোরাইড ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া ভাইরাসঘটিত রোগের কোনো ঔষধ নাই। সুতরাং রোগাক্রান্ত গাছগুলি সঙ্গে সঙ্গে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। জাবপোকা, থ্রিপস, জ্যাসিড ইত্যাদি পোকা দ্বারা ভাইরাসের বিস্তার হয়। তাই সুস্থ গাছে নিয়মিত ডাইমেক্রন ১০০ ইসি (৫%) দ্রবণ প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করলে এইসব পোকা দমন করা যায়।

অতএব, উপরে উল্লিখিত বিবিধ রোগ দমন ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে ডালিয়া ফুলের লাভজনক চাষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
303
উত্তরঃ

ভূমিক্ষয় হলো বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- বৃষ্টিপাত, পানি, বায়ু, বরফ, তাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া এবং পানি চলাচলের প্রভাবে মৃত্তিকা কণার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারণ হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
347
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটির ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
632
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews