তরুতলে বসি পান্থ শ্রান্তি করে দূর,

ফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।

বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙ্গে লয়,

তরু তবু অকাতরে কিছু নাহি কয়।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ 'নিমগাছ' গল্পে 'হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো' - এই লোকটি হলো একজন কবিরাজ।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

'চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ' বলতে এমন একটি ওষুধকে বোঝানো হয়েছে যা যেকোনো চর্মরোগ নিরাময়ে নিশ্চিতভাবে ফলপ্রসূ এবং যার কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত বা যার কোনো ব্যর্থতা নেই। এটি এমন এক মহৌষধ যা চর্মরোগের প্রতিকারে শতভাগ সফলতা বয়ে আনে।

এই শব্দবন্ধটি দিয়ে কোনো রোগের সুনির্দিষ্ট, শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য প্রতিকারকে নির্দেশ করা হয়, যা প্রয়োগ করলে রোগমুক্তি অবধারিত। সাধারণত রোগ নিরাময়ে যার বিকল্প নেই এবং যা দ্রুত আরোগ্য লাভে সক্ষম, তাকেই এমন গুণবাচক অভিধা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বোঝানো হয় যে এই ওষুধ ব্যবহার করলে চর্মরোগ থেকে পরিত্রাণ সুনিশ্চিত।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের তরু এবং 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছ উভয়ই তাদের সর্বস্ব দিয়ে মানবকল্যাণ করে যায় কিন্তু বিনিময়ে পায় কেবল অবহেলা ও শোষণ। উভয়ের মধ্যেই নিঃস্বার্থ সেবা ও নীরব আত্মত্যাগের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের তরুটি পথিককে শ্রান্তি দূর করতে ছায়া দেয়, ফল দিয়ে তৃপ্তি মেটায়। কিন্তু পথিক বিদায়কালে নির্বিচারে তার ডাল ভেঙে নিয়ে যায়। এখানে তরুটি মানুষের প্রয়োজনে নিজেকে সম্পূর্ণ উজাড় করে দেয়, কিন্তু বিনিময়ে আঘাত পেয়েও কিছু বলে না, অকাতরে নীরবে সহ্য করে। এটি মূলত কিছু মানুষের সুযোগসন্ধানী মনোভাব এবং অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধের অভাবকেই তুলে ধরে।

'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছও উদ্দীপকের তরুর মতোই। এটি মানুষের বিভিন্ন উপকার করে, যেমন—ডাল দাঁতন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, পাতা বিভিন্ন চর্মরোগে ব্যবহৃত হয়, ছাল ফোঁড়া নিরাময়ে কাজে লাগে। মানুষ নিজের প্রয়োজনে নিমগাছকে ব্যবহার করে কিন্তু তার প্রতি কোনো মমতা বা যত্ন দেখায় না। নিমগাছের নীরব আত্মত্যাগ এবং মানুষের শোষণ প্রবণতা উদ্দীপকের তরুর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা সমাজের কিছু মানুষের নিঃস্বার্থ আত্মদান এবং বিনিময়ে প্রাপ্ত অবহেলাকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতার মূলভাব হলো পরোপকারিতা ও সহিষ্ণুতা। বৃক্ষ যেমন রৌদ্র-বৃষ্টি সহ্য করে পথিককে ছায়া ও ফল দেয়, নিজের ডাল ভেঙে নিয়েও কিছু বলে না, তেমনি 'নিমগাছ' গল্পেও নিমগাছ তার সকল গুণাবলি দিয়ে মানুষের উপকার করে যায়। মানুষ তার ডাল ভাঙে, পাতা ছিঁড়ে নেয়, ছাল তুলে নেয়, কিন্তু নিমগাছ কোনো প্রতিবাদ করে না। এই দিক থেকে উদ্দীপকের ভাবনা 'নিমগাছ' গল্পের একটি খণ্ডাংশ প্রকাশ করে।

তবে, উদ্দীপকটিতে 'নিমগাছ' গল্পের সমগ্রভাব প্রকাশিত হয়নি। বনফুলের 'নিমগাছ' গল্পটি শুধুমাত্র বৃক্ষের পরোপকারিতা বা সহিষ্ণুতার গল্প নয়, এটি এর চেয়েও গভীরে গিয়ে এক নারীর আত্মত্যাগ, নীরব যন্ত্রণা এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতীকী উপস্থাপনা। নিমগাছের সমস্ত উপযোগিতা কেবল মানুষের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই ব্যবহৃত হয়, তার নিজের কোনো মূল্য বা স্বাধীনতা থাকে না। মানুষ তার উপকার নেয়, কিন্তু তার জীবনের সৌন্দর্য বা নিজস্ব সত্তাকে উপলব্ধি করে না।

'নিমগাছ' গল্পের শেষ অংশে "এক ঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসে যদি তাকে বলত, আমাদের দেশে চলো। সে কি যেতে পারত? ... তার ইচ্ছা করত লোকটাকে সঙ্গে নিয়ে চলে যায়। কিন্তু পারলে না।" এই বাক্যগুলো গল্পের মর্মার্থকে বহুগুণ গভীরতা দিয়েছে। এটি কেবল একটি গাছের গল্প না থেকে সমাজে নারীর জীবনকে তুলে ধরে, যারা পরিবার ও সমাজের জন্য নিঃস্বার্থভাবে সবকিছু উৎসর্গ করে, কিন্তু নিজের জন্য এক মুক্ত জীবনের আকাঙ্ক্ষা অনুভব করলেও তা পূরণ করতে পারে না। উদ্দীপকের কবিতাটিতে গাছের এই মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বা প্রতীকি অর্থটি অনুপস্থিত, যা 'নিমগাছ' গল্পের মূল উপজীব্য।

সুতরাং, উদ্দীপকটি নিমগাছের সেবা ও সহনশীলতার দিকটি তুলে ধরলেও এর গভীরতর তাৎপর্য, বিশেষ করে নারীর নীরব যন্ত্রণা এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতীকী রূপটি প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছে। তাই, "উদ্দীপকটিতে 'নিমগাছ' গল্পের সমগ্রভাব প্রকাশ পায়নি" - মন্তব্যটি যথার্থ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
51

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.9k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews