তহমিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তার পুকুরে নাইলোটিকা মাছ চাষ করেন কিন্তু মাছের বৃদ্ধি আশানুরূপ হয়নি। তিনি মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ চান। মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক খাদ্য যথেষ্ট নয়। এজন্য মাছের অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ প্রয়োজন হয়। মৎস্য কর্মকর্তা এ খাদ্য তৈরির কৌশলও তহমিনাকে বুঝিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হলো সম্পূরক খাদ্য।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর পরিকল্পিত এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উৎপাদনকে একুয়াকালচার বা মাৎস্য চাষ বলে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

ফলনের দিক দিয়ে রাজপুঁটি মাছটি অন্য যেকোনো দেশীয় পুঁটি মাছের চেয়ে প্রায় ৪০-৫০% বেশি উৎপাদনশীল। পারিবারিক শ্রম দ্বারা অল্প খরচে ও স্বল্প ব্যবস্থাপনায় মৌসুমি বা বাৎসরিক পুকুরে এ মাছের চাষ করা যায়। ধানক্ষেতেও এর চাষ করা যায়। কার্প জাতীয় মাছের সাথে মিশ্রচাষ করা যায়। এ মাছ ৩-৬ মাসের মধ্যে বিক্রয়যোগ্য হয়। খেতে সুস্বাদু বলে বাজারমূল্যও বেশি। এসকল কারণে রাজপুঁটি মাছ চাষ লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

মৎস্য কর্মকর্তা তহমিনাকে মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি সম্পূরক খাদ্য প্রদানের পরামর্শ দেন। তিনি নিম্নলিখিত উপায়ে সম্পূরক খাদ্য তৈরি করতে বলেন-

 ১. প্রয়োজনীয় পরিমাণ সরিষার খৈল একটি পাত্রের পানিতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
২. এরপর ভিজা খৈলের সাথে প্রয়োজনীয় পরিমাণ নিচের উপাদানগুলো মিশিয়ে ১০ কেজি খাবার তৈরি করতে হবে।

খাদ্যোপকরণের নাম

পরিমাণ

১. চালের কুঁড়া৩.৫ কেজি
২. গম/ডালের ভুসি২.০ কেজি
৩. সরিষার খৈল৩.০ কেজি
৪. শুঁটকি মাছের গুঁড়া১.০ কেজি
৫. চিটাগুড়৪০০ গ্রাম
৬. ভিটামিন ও খনিজ মিশ্রণ১০০ গ্রাম
মোট১০ কেজি

৩. মিশ্রিত খাদ্যোপাদানগুলো দিয়ে হাতের সাহায্যে ছোট বল তৈরি করে একটি পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মৎস্য কর্মকর্তার শেষ উক্তিটি হলো, "মাছের উৎপাদন
বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি হলো সম্পূরক খাদ্য।" মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য পানিতে বিদ্যমান প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি বাইরে থেকে যেসব বাড়তি খাদ্য দেওয়া হয় সেগুলোই সম্পূরক খাদ্য।
সম্পূরক খাদ্যে মাছের জন্য প্রয়োজনীয় সকল খাদ্য উপাদান যথাযথ মাত্রায় বিদ্যমান থাকে। সম্পূরক খাদ্যে যেসব উপাদানগুলো থাকে সেগুলো হলো চালের কুঁড়া, গম ও ডালের ভুসি, সরিষা বা তিলের খৈল, মাছের গুঁড়া, শস্যদানা, পশু-পাখির নাড়িভুঁড়ি বিভিন্ন উদ্ভিদের কচি পাতা, খনিজ লবণ ও ভিটামিন ইত্যাদি। এই খাদ্য মাছ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যতম উপাদান।

সুষম সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগে মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। এ খাদ্য প্রয়োগে পোনার বাঁচার হার বৃদ্ধি পায় ও মৃত্যুর হার হ্রাস পায়। এ জাতীয় খাদ্য প্রদানে পুকুরে সুস্থ ও সবল পোনা পাওয়া যায়। সম্পূরক খাদ্য প্রদানের ফলে মাছের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সম্পূরক খাদ্য প্রদানসহ নিবিড় পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে ৪/৫ গুণ বেশি উৎপাদন পাওয়া যায়। অল্প জায়গায় অধিক ঘনত্বে মাছ চাষ করা যায়। পুকুর হতে অল্প সময়ে অধিক মাছ লাভ করা যায়।
শুধু স্বাভাবিক খাদ্য প্রয়োগে মাছের উৎপাদন আশানুরূপ হয় না। সুষম সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় বলে খামারিরা লাভ বেশি করে।
তাই সম্পূরক খাদ্য প্রদান সম্পর্কিত মৎস্য কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
439

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো প্রাণীর যথাযথ বৃদ্ধি ও কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়ার জন্য। প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি বাইরে থেকে যে খাদ্য সরবরাহ করা হয় তাই সম্পূরক খাদ্য।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
4.4k
উত্তরঃ

পুকুরে নিয়মিত সার প্রয়োগ করলে পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির হার সন্তোষজনকভাবে বাড়ে এবং মাছের ফলন বৃদ্ধি পায়।
পুকুরে মাছের খাদ্য হিসেবে প্রাকৃতিকভাবে যে উদ্ভিদ ও প্রাণিকণা জন্মায় তাকে প্লাংকটন বলে। প্লাংকটন উৎপাদনের আধিক্যের ওপর মাছের উৎপাদন নির্ভর করে। ফাইটোপ্লাংকটনের আধিক্যের জন্য নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। পানিতে এইসব উপাদান অনেক সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। এছাড়াও মাছ আহরণ, পানি পরিবর্তন এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে পুকুরে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ কমে যায়। তাই পুকুরের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন জৈব ও অজৈব সার ব্যবহার করে
প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের যোগান দেওয়া হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2.2k
উত্তরঃ

চিত্র-ক হলো গলদা চিংড়ি। ধানের সাথে চিত্র-ক অর্থাৎ গলদা চিংড়ি চাষের কৌশল নিচে দেওয়া হলো-
ধানক্ষেতে চিংড়ি চাষের ক্ষেত্রে যে জমিতে বছরে ৩-৪ মাস সময় এবং ১০-২০ সেমি গভীরতায় পানি আটকে রাখা যাবে এমন জমি নির্বাচন করতে হবে। জমির আইল শক্ত, মজবুত এবং উঁচু করে তৈরি করতে হবে। পানির গভীরতা সমান রাখার জন্য জমির সকল স্থানে চাষ দিয়ে সমতল রাখতে হবে। জমিতে ভালোভাবে চাষ দেয়ার পর প্রচলিত নিয়মে রাসায়নিক সার ও গোবর সার মিশিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। জমির ঢাল অনুযায়ী ক্ষেতের ভিতরে আড়াআড়িভাবে কয়েকটি নালা খনন করতে হবে। প্রতিটি নালা ৫০-৬০ সেমি গভীর এবং ৬০-১০০সেমি প্রশস্ত হতে হবে। নালার মাথায় কিংবা সংযোগস্থানে নালার চেয়ে গভীর ও প্রশস্ত করে গর্ত খনন করতে হবে যার গভীরতা হবে ১ মিটার। এরপর ধানের চারা সারিবদ্ধভাবে রোপণ করতে হবে। ধানের চারা রোপণের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০-২৫ সেমি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ১৫-২০ সেমি রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ধানের চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর চিংড়ির পোনা ছাড়তে হয়। জৈষ্ঠ্য মাসে ধান রোপণের ১০-১৫ দিন পর সাধারণ নিয়মে গলদা চিংড়ির পোনা প্রতি হেক্টরে ৫ সেমি আকারে ১০-১৫ হাজার হারে মজুদ করা হয়।
উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিতে ধানের সাথে গলদা চিংড়ির চাষ করা হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
775
উত্তরঃ

চিত্র-ক ও চিত্র-খ দ্বারা যথাক্রমে গলদা ও বাগদা চিংড়িকে বোঝানো হয়েছে।

গলদা ও বাগদা চিংড়ির বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যগুলো হলো-

বৈশিষ্ট্য

গলদা চিংড়ি

বাগদা চিংড়ি 

মাথা ও ক্যারাপেস বড় এবং দেহের ওজনের প্রায় অর্ধেক ছোট এবং দেহের ওজনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। 
রোস্ট্রামলম্বা ও বাঁকানোখাটো ও সোজা।
রোস্ট্রামে কাঁটার সংখ্যাউপরিভাগে ১১-১৪টি এবং নিচের দিকে ৮- ১৪টি।উপরিভাগে ৭-৮টি এবং নিচের দিকে ২-৩টি।
অ্যানটেনিউলতিনটি ফ্লাজেলাযুক্ত।দুটি ফ্লাজেলাযুক্ত।
শিরোবক্ষঅন্যান্য অঙ্গ যেমন- উদর অংশ অপেক্ষা বড় ও উন্নত।অংশটি অপর অংশের তুলনায় স্বাভাবিক।
প্লুরাদ্বিতীয় উদর খন্ডকের প্লুরা প্রথম ও তৃতীয় খন্ডকের প্লুরাকে আবৃত রাখে।দ্বিতীয় উদর খন্ডকের প্লুরা কেবল প্রথম খন্ডকের প্লুরাকে আবৃত করে রাখে।
বক্ষোপাঙ্গপ্রথম দুটি উপাঙ্গ চিলেটে বা সাঁড়াশির ন্যায় অংশে রূপান্তরিত হয়।প্রথম তিন উপাঙ্গ চিলেটে বা সাঁড়াশির ন্যায় অংশে রূপান্তরিত হয়।
আবাসস্থলপ্রধানত স্বাদু পানি।লোনা পানি।
বর্ণহালকা সবুজ বাদামি।হালকা বাদামি।
Tamanna
Tamanna
1 year ago
659
উত্তরঃ

প্লাংকটন হলো পানিতে মুক্তভাবে ভাসমান আণুবীক্ষণিক জীব যা মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
653
উত্তরঃ

পুকুরে প্রয়োগকৃত বিভিন্ন সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য চুন প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ।

চুন মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। পানির পিএইচ মানের ভারসাম্য বজায় রাখে। পানিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়ায়। পানির ঘোলাতু কমায় ও পানি পরিষ্কার রাখে। মাছের রোগজীবাণু ও পরজীবী ধ্বংস করে। এ সমস্ত কারণে পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews