তাজমহলের পাথর দেখিয়াছ?
দেখিয়াছ তার প্রাণ?

অন্তরে তার মমতাজ নারী

বাহিরেতে শাহজাহান।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

তাজমহল আগ্রার যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সম্রাট শাহজাহানের শাসনকালে মুঘল স্থাপত্য স্বর্ণযুগে উপনীত হয়।
'স্থাপত্যের রাজপুত্র' হিসেবে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলেই মুঘল স্থাপত্য শিল্প সাফল্যের স্বর্ণশিখরে উন্নীত হয়। কেননা শাহজাহানই জগদ্বিখ্যাত আগ্রার তাজমহল, মতি মসজিদ, জামে মসজিদ ময়ূর সিংহাসন, আগ্রার খাস মহল, শীশমহল, দিল্লির দিওয়ান-ই-আম, দিল্লির দিওয়ান-ই-খাস এবং দিল্লির উপকণ্ঠে শাহজানাবাদ নগরী নির্মাণ করেন। অন্য কোনো মুঘল শাসকের শাসনামলে এতো বেশি স্থাপত্য নির্মিত হয়নি। তাই বলা যায়, শাহজাহানের শাসনামলেই মুঘলদের স্থাপত্যের স্বর্ণযুগের সূচনা ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত তাজমহল মুঘল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে নির্মিত হয়েছে, যা আমাকে পত্নী প্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

সম্রাট শাহজাহানের অনবদ্য, অমর ও সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো যমুনা নদীর তীরে আগ্রায় নির্মিত তাজমহল। এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম। জনৈক পারসিক ওস্তাদ ঈশা খাঁ ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত তাজমহলের স্থপতি। যে স্থাপত্যশিল্প পত্নীপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তরূপে আজও কোটি মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিয়ে যায়। উদ্দীপকে এ তাজমহলের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে নির্দেশকৃত স্থাপত্য শিল্প হলো তাজমহল, যেটি সম্রাট শাহজাহান তার প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজ মহলের নামানুসারে তার সমাধির ওপর নির্মাণ করেন। এটি সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থাপ্যকীর্তি। এ তাজমহল শুধু মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন নয় বরং পত্নীপ্রেমের একটি উজ্জ্বল প্রতীকরূপেও স্বীকৃত। ১৬৩৩ খ্রিষ্টাব্দে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০ হাজার লোকের ২২ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে প্রায় তিন কোটি মুদ্রা ব্যয়ে তাজমহলের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এর স্থাপত্যিক উপকরণের সুবিন্যাস অলংকরণের সূক্ষতা ও নৈপুণ্য দর্শকদের মুগ্ধ করে। তবে তাজমহল শুধুমাত্র ইট-পাথরে নির্মিত এক স্থাপত্য নয় বরং এটি আজও মানুষকে পত্নীপ্রেমে অনুপ্রাণিত করে। তাই বলা যায়, তাজমহল সম্রাট শাহজাহানের পত্নীপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ময়ূর সিংহাসন তার অর্থাৎ সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলের অন্যতম অবদান- উক্তিটি যথার্থ।
ভারতবর্ষের ইতিহাসে সম্রাট শাহজাহান একজন শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিলেন। ঐতিহাসিকগণ তাকে 'স্থাপত্যের রাজপুত্র' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি ছিলেন সৌন্দর্যপিপাসু শিল্পীমনের মানুষ। তার নির্মিত স্থাপত্য শিল্পের মধ্যে তাজমহল সবচেয়ে বেশি ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করলেও ময়ূর সিংহাসনও ছিল তার এক অনবদ্য স্থাপত্যকীর্তি।  পৃথিবী বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের নির্মিত অনুপম শিল্পকীর্তির অন্যতম। শিল্পী বেকদাল খানের তত্ত্বাবধানে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সাত বছরে এ সিংহাসনটি নির্মিত হয়েছিল। সিংহাসনের স্বর্ণ নির্মিত চারটি স্তম্ভের ওপর একটি কারুকার্যমণ্ডিত চন্দ্রাতপ ছিল। প্রতিটি স্তম্ভ শীর্ষে মুখোমুখি বসানো একজোড়া ময়ুর স্থাপন করা হয়েছিল। এদের মাঝখানে ছিল বহু মূল্যবান মণিমুক্তাখচিত ফলবান বৃক্ষ। সিংহাসনে ওঠার জন্য মণিমুক্তাখচিত তিন ধাপ বিশিষ্ট একটি সিঁড়ি ছিল। অনিন্দ্যসুন্দর ও মূল্যবান এ ময়ূর সিংহাসনটি সম্রাট শাহজাহানের সৌন্দর্য জ্ঞান ও ঐশ্বর্যের উজ্জ্বলতম নিদর্শন। ১৭৩৯ খ্রিষ্টাব্দে পারস্যের নাদির শাহ ভারত আক্রমণকালে ময়ূর সিংহাসনটি নিয়ে যান। বর্তমানে তা ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।
উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, সম্রাট শাহজাহানের অনেক স্থাপত্যশিল্প থাকলেও সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যের দিক দিয়ে ময়ূর সিংহাসন ছিল অন্যতম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
45

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মোজা' শব্দ থেকে মোঙ্গল এবং মোঙ্গল থেকে মুঘল নামের উৎপত্তি ঘটেছে। তারা আদি বাসভূমি মঙ্গোলিয়া ছেড়ে মধ্য এশিয়ার পশ্চিম অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে মুঘল নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৫২৬ খ্রি. মুঘলরা ভারতের সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতবর্ষের শাসক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত এরপর থেকেই মুঘলরা একটি বৃহৎ জাতিগঠনে অবদান রাখতে শুরু করে।

369
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে ভারতবর্ষের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর ফারগানার সিংহাসনে উপবিষ্ট হন। সিংহাসন লাভের পর পরই তার দুই পিতৃব্য ও আত্মীয়স্বজন এবং উজবেক নেতা সাইবানি খানের রিরোধিতার মুখে পড়েন। ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে বাবর সমরখন্দ দখল করেন। কিন্তু ভাগ্যবিপর্যয়ে পতিত হয়ে তিনি সমরখন্দ হারান। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে ফারগানাও হস্তচ্যুত হয়। অর্থাৎ দাবার ছকের রাজার মতো বাবর স্থান থেকে স্থানান্তর ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। কিন্তু ১৫০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ফারগানা পুনরুদ্ধার করেন।
১৫০২ খ্রিস্টাব্দে সমরখন্দ অধিকার করেন। পরবর্তীকালে ১৫০৩ খ্রিষ্টাব্দে আরচিয়ানের যুদ্ধে সাইবানি খানের কাছে পরাজিত হয়ে ফারগানা ও সমরখন্দ থেকে বিতাড়িত হন। এ সময় কাবুলের অভ্যন্তরীণ অরাজকতার সুযোগে ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল অধিকার করে বাদশাহ উপাধি নিয়ে রাজত্ব করতে থাকেন। ১৫১১ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের শাহ ইসমাইল সাফাভীর সহযোগিতায় সমরখন্দ দখল করলেও ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে তা আবারও হাতছাড়া হয়ে যায়। এরপর ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি কাবুলেই রাজত্ব করেন। কিন্তু অসাধারণ সাহসী বাবর এতেই সন্তুষ্ট থাকেননি। ১৫২৬ খ্রি. তিনি পানিপথের প্রথম যুদ্ধে সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে দিল্লির সুলতানি সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভাগ্য বিড়ম্বিত যুবুক ইরফান ও ভারতবর্ষে মুঘল শাসনের প্রতিষ্ঠাতা বাবরই অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

665
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সম্রাট বাবরের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সম্রাট বাবর কেবল নির্ভীক সৈনিক, দক্ষ সেনাধ্যক্ষ, সুদক্ষ অস্ত্র পরিচালক, প্রশংসনীয় ঘোড়সওয়ারই ছিলেন না; বরং আলেকজান্ডারের মতো দেশ জয়ের নেশায় বিভোর থাকতেন। পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, খানুয়ার যুদ্ধ এবং গোগরার যুদ্ধে তার সাফল্য তাকে ভারতীয় সমর ইতিহাসে উচ্চাসনে- অধিষ্ঠিত করেছে। বাবর মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হন। বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে তিনি প্রথমে কাবুলে এবং পরে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। শুধু প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হননি, তার ভিত্তি সুদৃঢ় করে একে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
বাবরের চার বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিগ্রহ কেটে যায়। এ অবস্থায় নবপ্রতিষ্ঠিত মুঘল সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থায় কোনো প্রকার পরিবর্তন ও সংস্কার সাধন করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তথাপি তিনি নিজেকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা হ্রাস করেন। প্রাদেশিক শাসনকার্য পরিচালনার জন্য প্রত্যেক প্রদেশে একজন ওয়ালি (প্রাদেশিক কর্মকর্তা), একজন দিওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা), শিকদার (সামরিক কর্মকর্তা) এবং কোতওয়াল (নগরকর্তা) ছিল। তিনি প্রশাসনিক কাজে তুর্কি, আফগান ও হিন্দুদের সমান সুযোগ দিতেন। সমগ্র সাম্রাজ্যে ১৫ মাইল অন্তর তিনি ডাক চৌকির ব্যবস্থা করেন। প্রজারঞ্জক বাবর দিল্লি ও আগ্রায় ২০টি উদ্যান, বহু পাকা নর্দমা, সেতু, অট্টালিকা নির্মাণ করেন।
পরিশেষে বলতে পারি, সম্রাট বাবর শুধুমাত্র একজন বিজেতা হিসেবেই প্রশংসার দাবিদার নন, বরং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবেও তিনি কৃতিত্বের দাবিদার। তাই সার্বিকভাবে বাবরের শাসনকাল কৃতিত্বপূর্ণ একথা নিঃসন্দেহেই বলা যায়।

413
উত্তরঃ

ফিরোজশাহ তুঘলক দিওয়ান-ই-বন্দেগান গঠন করেন কারণ, তিনি ছিলেন ক্রীতদাসদের প্রতি অনুরক্ত। তাই তিনি সিংহাসনে আরোহনের পর একটি বিরাট ক্রীতদাস বিভাগ গড়ে তোলেন। তার আমলে ক্রীতদাসের সংখ্যা ছিল ১,৮০,০০০, যার মধ্যে ৪০,০০০ ক্রীতদাস সুলতানের প্রাসাদে অবস্থান করত। সুলতান তাদের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার জন্যই 'দিওয়ান-ই-বন্দেগান' গঠন করেন।

868
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews