তাজিম 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিক। তার রাষ্ট্রে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি কিন্তু উক্ত রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শুধু নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। উক্ত সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র দুই ধরনের- এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্র।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলতে এমন সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে। ফলে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় উভয় সরকারই মৌলিক ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীন ও স্বতন্ত্রভাবে দেশ' পরিচালনা করে। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও কানাডা প্রভৃতি দেশে এ ধরনের সরকার প্রচলিত রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'ক' রাষ্ট্রে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান।
যে সরকারব্যবস্থায় শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকে এবং শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে। এতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসনক্ষমতা ন্যস্ত থাকে। সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করে। এ ধরনের সরকারে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভাই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। এ সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। সংসদীয় সরকারে আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, 'ক' রাষ্ট্রে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। রাষ্ট্রপতি সেখানে নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। সে দেশের সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। 'ক' রাষ্ট্রের সরকারের এ বৈশিষ্ট্যগুলো সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, 'ক' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

'শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল'- উক্তিটি যথার্থ।
সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য সংসদ বা আইনসভার নিকট দায়ী থাকে। অর্থাৎ সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। সংসদীয় সরকারে আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইনসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। এছাড়া মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যদের বিরুদ্ধে সংসদ অনাস্থা আনলে তাকে পদত্যাগ করতে হয়। এ সরকারব্যবস্থায় প্রধানত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই মন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়। ফলে একই ব্যক্তির হাতে আইন ও শাসন ক্ষমতা থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে 'ক' রাষ্ট্রের আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের ওপর নির্ভরশীল। সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী এবং প্রধানমন্ত্রীসহ তার মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইনসভার কাছে দায়ী। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। সুতরাং শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইনবিভাগের ওপর নির্ভরশীল- উক্তিটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
136

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান । আর সরকার রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম প্রধান উপাদান। সরকার মূলত রাষ্ট্রের মুখপাত্র হিসেবে দেশ পরিচালনা করে। রাষ্ট্র ও সরকার বিভিন্ন রকম হতে পারে। রাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক চাহিদার বিভিন্নতার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধরনের সরকারব্যবস্থা গড়ে উঠেছে । এ অধ্যায়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারপদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।
এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা -
• বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা বর্ণনা করতে পারব
• বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নাগরিকের অবস্থান ও সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
• গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্রের পার্থক্য নির্ণয় করতে পারব • গণতান্ত্রিক আচরণ শিখব ও তা প্রয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় সম্পত্তির ওপর নাগরিকদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকার করা হয় তাই পুঁজিবাদী রাষ্ট্র।
পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে উৎপাদনের উপাদানসমূহ ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে। এর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এখানে অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎপাদনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। এ ধরনের রাষ্ট্রে নাগরিকগণ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সম্পদ ভোগ ও এর মালিকানা লাভ করে থাকে। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই পুঁজিবাদী। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ভারত প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
4.5k
উত্তরঃ

'ক' রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলতে সেই সরকারকে বোঝায় যেখানে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না। রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার সদস্য নন। মন্ত্রীগণ তাদের কাজের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন। রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টির ওপর মন্ত্রীদের কার্যকাল নির্ভর করে। 'ক' রাষ্ট্রের সরকারব্যবস্থায়ও এমন বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের শাসক আইনসভার নিকট দায়ী নন। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় জাতীয় স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারেরও এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এ ধরনের সরকারে রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তিনিই প্রকৃত শাসক ও সরকার প্রধান। তিনি কোনো কাজে মন্ত্রীদের পরামর্শ গ্রহণ করতেও পারেন আবার নাও পারেন। ছকের 'ক' রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থাটিও পাঠ্যবইয়ের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

ছকে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী 'খ' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জনমতের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়।
সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করে। দলের আস্থাভাজন ব্যক্তি হন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর দল আইনসভায় বিভিন্ন দল-মতের প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন আইন পাস করে।
সংসদীয় সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। সংসদীয় সরকারের সদস্যগণ বিশেষ করে বিরোধী দলের সদস্যগণ সংসদে বসে সরকারের কাজের সমালোচনা করার সুযোগ পায়। তাছাড়া সংসদীয় সরকার জনমতের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় জনমতকে অনুকূলে রাখার জন্য সরকারি ও বিরোধী দল সবসময় তৎপর থাকে।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জনমতের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়- উক্তিটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে গঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় শাসনক্ষমতা বংশ পরম্পরা অনুযায়ী হয়ে থাকে।
বিশ্বের কোনো কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উত্তরাধিকারসূত্রে শাসনক্ষমতা লাভ করেন। এ ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে রাজতন্ত্র বলা হয়। এ ব্যবস্থায় রাজার ছেলে বা মেয়ে উত্তরাধিকার সূত্রে রাষ্ট্রের রাজা বা রানি হয়ে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews