ফসল উৎপাদন কাজে প্রয়োজনীয় শ্রমিক ও পশু বা যান্ত্রিক শক্তির জন্য যে ব্যয় হয় তাকে অবস্তুগত ব্যয় বলে।
প্রায় সব বয়সের ছাগল পিপিআর রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। এ রোগে মৃত্যুহার খুবই বেশি (৯০%)। ভাইরাসজনিত এ রোগ মহামারী আকারে বিস্তার লাভ করলে শতকরা ৯০-১০০ ভাগ ছাগল আক্রান্ত হয়ে থাকে। ফলে ৫০%-৮০% ছাগল মারা যায়। তাই ছাগলের পিপিআর। রোগটি অধিক ভয়াবহ।।
উদ্দীপকে তানজিম মিয়ার ৪ কেজি ওজনের ৪টি ছাগলের বাচ্চা, ১২ ও ১৪ কেজি ওজনের যথাক্রমে ৩টি ও ১টি ছাগল আছে। তানজিম মিয়ার ছাগলগুলোর জন্য ১ সপ্তাহের সবুজ ঘাস ও দানাদার খাদ্যের তালিকা তৈরি করা হলো
ছাগলের ওজন(কেজি) | সংখ্যা ছাগলের | সবুজ ঘাস/সপ্তাহ (কেজি) | দানাদার খাদ্য/সপ্তাহ (গ্রাম) |
8 | 8 | ০.৪৪৭=১১.২ | ১০০৪৭=২৮০০ |
১২ | ৩ | ২৩৭=৪২ | ৩০০৩৭=৬৩০০ |
১৪ | ১ | ২.৫১৭=১৭.৫ | ৩৫০১৭=২৪৫০ |
উদ্দীপকের তানজিম মিয়া তার ছাগলগুলোকে সবুজ ঘাসের পাশাপাশি দানাদার খাদ্য দিয়ে থাকেন।
ছাগলের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য সবুজ ঘাস ও দানাদার খাদ্য খাওয়ানো হয়। সবুজ ঘাস হিসেবে ইপিল ইপিল, কাঁঠাল পাতা, মাসকলাই, দুর্বা, নেপিয়ার ঘাস, জার্মান ঘাস ইত্যাদি খাওয়ানো হয়। কিন্তু শুধু সবুজ ঘাসের মাধ্যমে ছাগলের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যায় না। তাই সবুজ ঘাসের সাথে দৈনিক চাহিদামতো দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হয়। গম, ভুট্টা, গমের ভুসি, চালের কুঁড়া, বিভিন্ন ডালের খোসা, খৈল, শুঁটকি মাছের গুঁড়া ইত্যাদি দানাদার খাদ্যের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। দানাদার খাদ্যের সাথে খাদ্যে লবন ও ভিটামিন-খনিজ মিশ্রণ যোগ করতে হয়। এর মাধ্যমে ছাগলের পর্যাপ্ত পুষ্টির চাহিদা মেটানো যায় ১/indows তাই বলা যায়, তানজিম সাহেবের কার্যক্রমটি যথার্থ।
Related Question
View Allজীবের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের বিচ্যুতিকে রোগ বলা হয়।
মুরগির ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ খুবই মারাত্মক। টিকা দেওয়া হলে ঐসব রোগের বিরুদ্ধে মুরগির শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে। অর্থাৎ, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ থেকে রক্ষার জন্য মুরগিকে নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়।
আবিদার সফলতার কারণ হলো সে মুক্ত পদ্ধতিতে দেশি ডিমপাড়া মুরগি পালন করেছিল।
আবিদার মুরগির সংখ্যা ছিল ১০টি। মুরগি ১০টি সে বাড়িতে মুক্ত পরিবেশে পালন করে। অল্প সংখ্যক মুরগি খুব সহজেই বাড়ির আশপাশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে খেতে পারে। দেশি মুরগি বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবারও খায়। এ জাতের মুরগি সঠিক সময়ে ডিম দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাছাড়া মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালনে অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহের এবং শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। তাই মুরগি পালনে খরচ কম হয়।
আবিদা দেশি জাতের মুরগি যে পদ্ধতিতে পালন করা উচিত ঠিক সে পদ্ধতিতেই পালন করেছিল। আর এটাই তার সফলতার কারণ।
শিউলি আবিদার দেখাদেখি মুরগি পালন শুরু করলেও সঠিক পালন পদ্ধতি অবলম্বন না করায় লাভবান হতে ব্যর্থ হয়।
আবিদার মতো শিউলিও মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে। কিন্তু তার মুরগির সংখ্যা ছিল ২০টি এবং জাত ছিল ফাইওমি। ফাইওমি উন্নত জাতের মুরগি হওয়ায় এদের আরও বেশি যত্নের প্রয়োজন ছিল। মুরগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় মুরগিগুলো তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমানে পায়নি বলে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। শিউলি যদি তার মুরগিগুলোকে অর্ধ-আবদ্ধ পদ্ধতিতে পালন করত, তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার জায়গা পেত। তাছাড়া খাবার ও পানি সঠিকভাবে সরবরাহ করতে পারত। এতে আবিদার চেয়ে খরচ বেশি হলেও সে বেশি লাভ পেত। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবই শিউলির ব্যর্থতার মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
বস্তুগত উপকরণ ব্যয় বলতে ফসল উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ ইত্যাদির জন্য যে ব্যয় হয় তাকে বোঝায়।
রজনীগন্ধার জমিতে পর্যাপ্ত রস থাকার দরকার হলেও অতিবৃষ্টি ফলে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি গাছ সহ্য করতে পারে না। গাছগুলে পচে যায়। তাই অতিবৃষ্টি রজনীগন্ধা চাষে ঝুঁকি বাড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
