তাপস সোম একজন রাজনীতিবিদ। তিনি সংকীর্ণতা ও গোড়ামির ঊর্ধ্বে মানবপ্রেমে বিশ্বাস করেন। মানুষের সেবাই তাঁর রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য। আর তাই তিনি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের স্বার্থের উন্নয়নে কাজ করেন।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

তিতুমীরের পূর্ণ নাম হলো সৈয়দ মীর নিসার আলী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলার হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সম্পাদিত একটি চুক্তি হলো বেজাল প্যাক্ট।
ব্রিটিশ শাসনের অধীনে বাংলার ৬০ ভাগ জনগণ মুসলমান হলেও তারা। বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে অসাম্প্রদায়িক ও উদার মানসিকতার অধিকারী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ বেঙ্গল প্যাক্ট এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এ কে ফালুল হক, হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, স্যার আব্দুল করিমসহ অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে ১৯২৩ সালে বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয়। অচিরেই এ চুক্তি সি আর দাশ ফর্মুলা নামে খ্যাতি লাভ করে। রাজনীতি, ধর্ম, কর্ম ইত্যাদি ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমান উভয়ের স্বার্থ রক্ষা ও অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠাই হলো বেজাল প্যাক্টের মূলকথা। দেশবন্ধুর এ প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে বাংলার হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের পথ প্রশস্ত করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, তাপস সোমের সাথে আমার পঠিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সাদৃশ্য রয়েছে।
দেশবন্ধু চিত্তবঞ্জন দাশ বাংলার একজন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ। তিনি তাঁর অপূর্ব ত্যাগ, অসীম দেশপ্রেম ও অসাধারণ গুণাবলির মাধ্যমে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন। এই মহৎ ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্দীপকের তাপস সোমের মধ্যে।
রাজনীতিবিদ তাপস সোম সংকীর্ণতা ও গোঁড়ামির ঊর্ধ্বে মানবপ্রেমে বিশ্বাস করেন। মানুষের সেবা করাই তার রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য। আর তাই তিনি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের স্বার্থ উন্নয়নে কাজ করেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষ করা যায়। মানুষের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা ছিল। ধর্ম-বর্ণের সংকীর্ণতা বা সাম্প্রদায়িক বিবাদকে তিনি পছন্দ করতেন না। তার রাজনীতির মূল ভাবনাই ছিল মানুষের সেবা। এ জন্য তিনি স্বদেশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বিনা পয়সায় লড়তেন। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। ১৯২৩ সালে সম্পাদিত বেঙ্গল প্যাক্ট, এ প্রচেষ্টার উদাহরণ। এছাড়া সাধারণ মানুষকে তিনিবিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতেন। তিনি মানুষের জন্য নিজের ধন-সম্পদ বিলিয়ে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের বাড়িটিও সমাজসেবার জন্য দান করে যান। এসব কারণে বাংলার জনগণ তাকে 'দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করে। হিন্দু-মুসলমান ঐক্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাই বলা যায়, তাপস সোম রাজনীতিবিদ চিত্তরঞ্জন দাশের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ একটি চরিত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের অবদানের কারণে বাংলায় অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভিত শক্তিশালী হয়- আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
বাংলার অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিবিদ চিত্তরঞ্জন দাশ বুঝতে পেরেছিলেন যে বাংলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যকার বিভেদ বা অনৈক্য। আর এ সমস্যার মূলে রয়েছে স্বার্থের দ্বন্দ্ব। তিনি বিশ্বাস করতেন এদেশের মুক্তির জন্য দরকার হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তাই তিনি সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রচেষ্টা চালান।
চিত্তরঞ্জন দাশ ১৯২৩ সালে বাংলার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে সাম্প্রদায়িকতা রোধে ব্রতী হন। তার এ ঐক্যের আহ্বান বাঙালিকে সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িক বিভেদের বিরুদ্ধে সচেতন করে তোলে। তিনি হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের লক্ষ্যে মুসলমানদেরকে স্বরাজ পার্টির সাথে সংযুক্ত করেন। তিনি বাংলা প্রদেশের মুসলমানদের সাথে 'বেজাল প্যাক্ট' নামে এক ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদন করেন। এই চুক্তিতে হিন্দু-মুসলিম সবার অধিকার প্রতিষ্ঠার শর্ত ছিল। এই চুক্তিটি দুই সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। এ বেঙ্গল প্যাক্টের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দু-মুসলমান ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছিল। এছাড়া তিনি কলিকাতা কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চাকরির ক্ষেত্রে মুসলমানদের অধিক হারে সুযোগদানের নীতি গ্রহণ করেন।
পরিশেষে বলা যায়, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির মুখ্য প্রতিনিধিরূপে আত্মপ্রকাশ করেন। তার বিভিন্ন প্রচেষ্টা হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত করে। ফলে এ দেশে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভিত শক্তিশালী হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
40

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
148
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
125
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
116
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
109
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews