তামান্না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেছে। তার এখনও কোনো চাকরি হয়নি। ইদানিং সে তার মায়ের পরিচালিত হস্তশিল্পে তার মাকে কাজে সাহায্য করে। মায়ের কাছে থেকে তার সময় ভালো কাটে, কিন্তু তাদের হস্তশিল্পের উৎপাদন বা আয় পূর্বের অবস্থাতেই রয়েছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।

উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।

১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে তামান্নার কাজের ধরন ছদ্মবেশী বা প্রচ্ছন্ন বেকারত্বকে
(Disguised Unemployment) নির্দেশ করছে।

আপাতদৃষ্টিতে কর্মরত হওয়া সত্ত্বেও যে শ্রমিককে প্রত্যাহার করলে মোট উৎপাদন হ্রাস পায় না, সে শ্রমিকের অবস্থাকে ছদ্মবেশী বা প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব বলে। অর্থাৎ যে শ্রমিকের প্রান্তিক উৎপাদন শূন্য সেই প্রচ্ছন্ন বেকার। বাংলাদেশের কৃষিতে কৃষক পরিবারের অধিকাংশ সদস্যরাই একই জমিতে কাজ করে, যদিও সবার শ্রম ঐ জমির জন্য প্রয়োজনীয়

নয়। কারণ এদের কাজ করার ফলে উৎপাদনশীলতার কোনো পরিবর্তন | ঘটে না। এরাই মূলত প্রচ্ছন্ন বেকার।
উদ্দীপকের তামান্না তার মায়ের হস্তশিল্পের কাজে সাহায্য করে। সে তার মায়ের হস্তশিল্পের কাজে সাহায্য করলেও তাদের হস্তশিল্পের উৎপাদন আগের মতোই রয়ে যায়। এক্ষেত্রে তামান্না হস্তশিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কোনো অবদান না রাখায় তার প্রান্তিক উৎপাদনশীলতা শূন্য। তাই বলা যায়, তামান্না হস্তশিল্পের কাজে একজন ছদ্মবেশী বেকার।

উত্তরঃ

বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে তামান্না উক্ত অবস্থা (প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব) থেকে মুক্তি পেতে পারে।

বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা হলো হাতে কলমে শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ; যা মানুষকে দক্ষ মানবশক্তিতে পরিণত করে। উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে একজন মানুষ সহজেই কাজ পেতে পারে বা স্বনির্ভর হতে পারে। তাই, উপযুক্ত কাজ পেতে হলে কিংবা নিজের উদ্যোগে কোনো কাজের ব্যবস্থা করতে তামান্না বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, তামান্না শিক্ষিত হলেও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে উৎপাদনে অবদান রাখতে পারছে না। এক্ষেত্রে সে বাস্তবধর্মী শিক্ষা, যেমন- হাঁস-মুরগি পালনকে স্বকর্মসংস্থানের উপায় হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। তবে এ সম্পর্কে কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। তামান্না সরকারের হাঁস-মুরগি ও পশুপালন অধিদপ্তর থেকে এ সম্পকীয় কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে হাঁস-মুরগি পালনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। তাছাড়া সে কাপড় কাটা, সেলাই করা, কাপড় ছাপানো ইত্যাদি সম্পর্কেও শিক্ষা গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ নিতে পারে। আবার, আজকাল নার্সারি, ফুল ও ফলের বাগান করেও জীবিকা অর্জন করা যায়। সে এ সম্পর্কেও শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিতে পারে। যা তাকে ছদ্মবেশী বেকারত্ব থেকে মুক্তি দিবে।
কাজেই বলা যায় বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে তামান্না বেকার অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

134

বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্নমধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল একটি দেশ। এ দেশের উন্নয়নের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। উচ্চতর প্রবৃদ্ধির হার, দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুষম বণ্টন, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং সুশাসনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। এটি একটি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে।

2.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত লেখচিত্রে মাথাপিছু আয়ের ক্রমবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

যেসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের পথে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে এবং কিছু মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে সেসব দেশই সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশে উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা ও জাতীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের জন্য আর্থ-সামাজিক ভিত্তি রচনা করা হয়। এসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অব্যাহত প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রে লক্ষ করা যায়, ২০০৬-০৭ থেকে ২০০৭- ০৮ অর্থবছরে জনগণের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫৫০ থেকে ৬৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একইভাবে ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে যথাক্রমে ৭০০ ডলার ও ৯০০ ডলার হয়েছে। যা উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, লেখচিত্রে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

278
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটি বাংলাদেশের তথা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য কৃষি সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

উন্নয়নশীল দেশে জিডিপির প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নশীল হলেও এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখনো এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, এদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো কৃষি।

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (শস্য, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের যোগান দিয়ে থাকে কৃষি খাত। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদকগণ কৃষির গুরুত্ব অনুভব করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখাতে অধিক উৎপাদনে মনোনিবেশ করছে। ফলে দেশটিতে ক্রমে উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে

তাই, আমি মনে করি, উদ্দীপকে পরিলক্ষিত ক্রমোন্নতির সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো কৃষি।

325
উত্তরঃ

একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।

206
উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।

১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

681
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews