তামান্না তার বাড়ি সংলগ্ন জমিতে রজনীগন্ধার চাষ করে।
রজনীগন্ধা চাষে প্রতি হেক্টর জমিতে রোপণের পূর্বে ২০০ কেজি এবং রোপণের পর ১২৫ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োজন হয়। তামান্নাকে আধা হেক্টর জমিতে রোপণের পূর্বে ১০০ কেজি এবং রোপণ পরবর্তী ৬২.৫ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরিতে শেষ চাষের সময় অন্যান্য সারের সাথে ১০০ কেজি ইউরিয়া মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। কন্দ রোপণের ৩০-৪৫ দিন পর বাকি ৬২.৫ কেজি ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করে পানি সেচ দিতে হবে। অতএব, সঠিক নিয়মে রজনীগন্ধার জমিতে ইউরিয়া প্রয়োগের মাধ্যমে আশানুরূপ ফলন পাওয়া সম্ভব।
Related Question
View Allজীবের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের বিচ্যুতিকে রোগ বলা হয়।
মুরগির ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ খুবই মারাত্মক। টিকা দেওয়া হলে ঐসব রোগের বিরুদ্ধে মুরগির শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে। অর্থাৎ, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ থেকে রক্ষার জন্য মুরগিকে নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়।
আবিদার সফলতার কারণ হলো সে মুক্ত পদ্ধতিতে দেশি ডিমপাড়া মুরগি পালন করেছিল।
আবিদার মুরগির সংখ্যা ছিল ১০টি। মুরগি ১০টি সে বাড়িতে মুক্ত পরিবেশে পালন করে। অল্প সংখ্যক মুরগি খুব সহজেই বাড়ির আশপাশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে খেতে পারে। দেশি মুরগি বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবারও খায়। এ জাতের মুরগি সঠিক সময়ে ডিম দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাছাড়া মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালনে অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহের এবং শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। তাই মুরগি পালনে খরচ কম হয়।
আবিদা দেশি জাতের মুরগি যে পদ্ধতিতে পালন করা উচিত ঠিক সে পদ্ধতিতেই পালন করেছিল। আর এটাই তার সফলতার কারণ।
শিউলি আবিদার দেখাদেখি মুরগি পালন শুরু করলেও সঠিক পালন পদ্ধতি অবলম্বন না করায় লাভবান হতে ব্যর্থ হয়।
আবিদার মতো শিউলিও মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে। কিন্তু তার মুরগির সংখ্যা ছিল ২০টি এবং জাত ছিল ফাইওমি। ফাইওমি উন্নত জাতের মুরগি হওয়ায় এদের আরও বেশি যত্নের প্রয়োজন ছিল। মুরগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় মুরগিগুলো তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমানে পায়নি বলে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। শিউলি যদি তার মুরগিগুলোকে অর্ধ-আবদ্ধ পদ্ধতিতে পালন করত, তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার জায়গা পেত। তাছাড়া খাবার ও পানি সঠিকভাবে সরবরাহ করতে পারত। এতে আবিদার চেয়ে খরচ বেশি হলেও সে বেশি লাভ পেত। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবই শিউলির ব্যর্থতার মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
বস্তুগত উপকরণ ব্যয় বলতে ফসল উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ ইত্যাদির জন্য যে ব্যয় হয় তাকে বোঝায়।
রজনীগন্ধার জমিতে পর্যাপ্ত রস থাকার দরকার হলেও অতিবৃষ্টি ফলে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি গাছ সহ্য করতে পারে না। গাছগুলে পচে যায়। তাই অতিবৃষ্টি রজনীগন্ধা চাষে ঝুঁকি বাড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
