তিথির গ্রামের নাম অচিনপুর। সবুজ সুন্দর ছোট্ট একটি গ্রাম। সেখানে রয়েছে নানা রকম গাছ। হরেক রকম পাখি। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলে সুন্দর একটি নদী। তিথিদের গ্রামে সুপারি গাছের সারির মধ্য দিয়ে উঁকি দেয় সকালের সূর্য।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allগ্রামে এলে তিথি মন ভরে প্রকৃতি দেখে
কত পাখি উড়ে যায় আকাশের পথে
নদীর চরে পাখিদের মেলা বসে।
সাদা বকগুলো চুপ করে বসে থাকে।
তিনি দিয়ে মাটি দিয়ে শখের হাঁড়ি বানান।
মধু কাকা তিথিকে দুটি রঙিন হাঁড়ি দিলেন।
খুঁটে খুঁটে পোকা খাচ্ছে শালিক
নলখাগড়ার ঝোপে চুপচাপ বসে আছে মাছরাঙা।
একটু পেরুতেই চোখে পড়ল কুমারপাড়া। নৌকায় উঠলেন বাবার বন্ধু মধু পাল। তিনি মাটি দিয়ে শখের হাঁড়ি বানান। রঙিন হাঁড়িগুলো দেখতে খুব সুন্দর। মধু কাকা তিথিকে দুটি রঙিন হাঁড়ি দিলেন। বললেন, বাসায় সাজিয়ে রেখো।
নদীর জল টলমল করছে
মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি
পানি কমে যাওয়ায় নদীতে চর পড়েছে
গাছের ডালে এক ঝাঁক পাখি বসে আছে।
তিথি গণেশ কাকার নৌকায় চড়ে নদীতে ঘুরতে যায়। তার সাথে থাকে তার বাবা। মাঝপথে তাদের সাথে যোগ দেয় হামিদ চাচা। তিনি গ্রামের স্কুলের শিক্ষক। বালুচরে গিয়ে তারা দেখা পায় নাদের চাচার।
তিথিরা দ্বীপের সুন্দর এক বালুচরে গিয়ে পৌঁছায়। বালুচরের চারদিকে ছিল কাঁটাঝোপ, ঘাস আর কাশবন। সেখানে শালিক পাখি খুঁটে খুঁটে পোকা খাচ্ছিল। একটি বককে দেখেছিল ঘাড় বাঁকা করে এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। একটি মাছরাঙাকে দেখেছিল চুপচাপ নলখাগড়ার ঝোপে বসে আছে। আকাশে দেখেছিল গাঙচিল আর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি।
হঠাৎ করে উত্তর-পূর্ব আকাশে মেঘ জমে উঠেছিল। নদীর বুকে ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করল। এটা ছিল ঝড় হওয়ার লক্ষণ। মাঝনদীতে ঝড়ের কবলে পড়লে বিপদ হতো। সবাই তাই ঝড়ের পূর্বেই তীরে ফিরে আসতে চাইল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!