তিথির বয়স ২ বছর। হঠাৎ পাতলা পায়খানা হওয়ায় তার দাদির নির্দেশে মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দিল। একই সাথে তাকে শুধু শুকনা খাবার দিতে লাগল। এতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মায়ের দুধের পাশাপাশি খাবার স্যালাইন ও তরল খাবার বেশি বেশি খাওয়াতে বললেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায়।

উত্তরঃ

হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির খাদ্য এমন হতে হবে যেন প্রয়োজনীয় খাদ্যশক্তির চেয়ে বেশি খাদ্যশক্তি গৃহীত না হয়। এ ধরনের রোগীর খাদ্য সুষম হতে হবে। খাদ্যের মাধ্যমে চিনি, লবণ ও ফ্যাটের গ্রহণ যেন কম থাকে সেদিক লক্ষ রাখতে হবে। প্রচুর পরিমাণে আঁশজাতীয় খাদ্য হৃদরোগীদের গ্রহণ করতে হয়।

উত্তরঃ

তিথি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। পাতলা পায়খানা হওয়ার কারণে তার শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়। তিথির অবস্থার উন্নতির জন্য তার খাদ্য তালিকায় কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ও কিছু খাবার বাদ দিতে হবে। যার তালিকা চার্ট আকারে দেওয়া হলো-

গ্রহণযোগ্য পথ্য

বর্জনীয় পথ্য

১. মায়ের দুধের পাশাপাশি খাবার স্যালাইন দিতে হবে। প্রয়োজনে চালের গুঁড়ার স্যালাইন রান্না করে খেতে দিতে হবে।১. দুধ, তৈলাক্ত খাদ্য, ডাল, বাদাম, খুব বেশি আঁশযুক্ত শাকসবজি ও ফল, শুকনা ফল, মিষ্টি, মসলাযুক্ত খাবার।
২. প্রকোপ বেশি না হলে স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।২. সফট ড্রিংকস, ফলের ঘন রস।
৩. প্রকোপ বেশি হলে স্বাভাবিক খাবার বাদ দিয়ে নরম ভাত, ডিমের সাদা অংশ, কলা, ডাবের পানি, চালের গুঁড়ার স্যালাইন খেতে দিতে হবে।৩. ডিপ ফ্রায়েড খাবার যেমন-সিংগারা, সমুচা, চিকেন ফ্রাই ইত্যাদি।
৪. কাঁচা কলা, পাকা কলা, সবজি দিতে হবে।৪. বেকারির খাবার যেমন-পেস্ট্রি, ক্রিম কেক ইত্যাদি।
উত্তরঃ

তিথি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। তার স্বাস্থ্যের উন্নয়নে ডাক্তারের পরামর্শটি ছিল মায়ের দুধের পাশাপাশি স্যালাইন ও তরল খাবার বেশি খাওয়ানো। তার পরামর্শটি অত্যন্ত যৌক্তিক।

তিথি এখনো মায়ের দুধ পান করে। তার হঠাৎ পাতলা পায়খানা হওয়ায় তার দাদির নির্দেশে মা তিথিকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দেন। একইসাথে তাকে শুধু শুকনা খাবার দিতে লাগলো।

ডায়রিয়ায় শরীর থেকে লবণ পানি বের হয়ে তিথির পানি শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছিল। এতে তার অবস্থা খারাপের দিকে যেতে লাগল। এ অবস্থা দূরীকরণে তাকে স্যালাইন ও তরল খাবার দেওয়া উচিত ছিল। খাবার স্যালাইনের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া লবণের ঘাটতি পূরণ হয়। স্যালাইন না খেলে ডায়রিয়াজনিত কারণে ডিহাইড্রেশন হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। সুতরাং বলা যায়, তিথির স্বাস্থ্যের উন্নয়নে ডাক্তারের পরামর্শটি যথার্থ।

60
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো রোগে আক্রান্ত হলে তাড়াতাড়ি সেরে ওঠার জন্য যে বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করা হয় তাই পথ্য।

127
উত্তরঃ

পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে। রোগের কারণে শরীরের যে সকল পুষ্টি ও শক্তির ক্ষয় হয় তা পূরণে পথ্য সাহায্য করে। পথ্য রোগীকে স্বাভাবিক সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

155
উত্তরঃ

পুষ্পার তৈরি করা খাবারটি তার শাশুড়ির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পুষ্পার শাশুড়ি ডায়বেটিসে আক্রান্ত। এ রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই গ্লুকোজ মূলত আসে খাবার থেকে। তাই এ রোগে যে খাবারগুলো শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ দ্রুত বাড়িয়ে দেয় সেগুলো পরিহার করতে হয়।

কিন্তু পুষ্পার শাশুড়ি প্রায়ই আবদার করে ক্ষীরের 'পাটিসাপটা পিঠা খাওয়ার জন্য। পুষ্পা তা তৈরিও করে দেন। ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা মিষ্টি জাতীয় খাবার। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগীকে আরো অসুস্থ করে তোলে। তখন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাই পুষ্পার শাশুড়ির ওপর ক্ষীরের পাটিসাপটা পিঠা বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি।

84
উত্তরঃ

উপযুক্ত পথ্য পুষ্পার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কারণ পথ্য রোগের জটিলতা ও তীব্রতা কমিয়ে আনে।

পুষ্পার শাশুড়ি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনোভাবেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। ডায়াবেটিসের ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই পথ্যের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পুষ্পার শাশুড়ি বেশি করে সব রকমের শাকসবজি, ফলের মধ্যে জাম, জামরুল, আমলকী, লেবু ইত্যাদি খেতে পারবে। হিসাব করে ভাত, রুটি, চিড়া, খৈ, মুড়ি, আলু, দুধ, ছানা, পনির, মাছ, মাংস, ডাল, ডিম, বাদাম এবং মিষ্টি ফল যেমন- কলা, পাকা পেঁপে, পাকা আম ইত্যাদি খেতে পারবে। সাদা চাল ও সাদা আটার চেয়ে লাল চালের ভাত ও ভুসিসহ আটার রুটি তার জন্য বেশি উপকারী। তাকে চিনি, গুড়, মিশরির রস, শরবত, সফ্ট ড্রিংকস, জুস, সবরকমের মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর, পেস্ট্রি, কেক ইত্যাদি পরিহার করতে হবে। এতে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক থাকবে। এভাবে পথ্য নির্বাচন করলে পুষ্পা তার শাশুড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে।

63
উত্তরঃ

ডেঙ্গু জ্বর হলে দেহের তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তখন দেহে পানি ও শক্তির চাহিদা বেড়ে যায়। সেই সাথে দেহে প্রোটিনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা বেড়ে যায়।

76
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews