তিথি অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। ভালো পাত্র পাওয়ায় তিথির বাবা-মা হঠাৎ করে তার বিয়ের ব্যবস্থা করে। বিয়ের এক বছর হতে না হতেই সে গর্ভধারণ করে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

শতকরা ৯০ জন শিশু জরায়ু হতে জন্মনালির মধ্য দিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়।

উত্তরঃ

মায়ের মানসিক চাপ অর্থাৎ তীব্রক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে যার প্রভাবে ভ্রূণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। মায়ের ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ

তিথি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে এবং বিয়ের এক বছরের মধ্যেই সে গর্ভধারণ করে। কিন্তু তিথির বয়স গর্ভধারণের উপযুক্ত নয়। তিথির শরীর অপরিপক্ক থাকায় তিথির দৈহিক বৃদ্ধি ও ভূণের বৃদ্ধির জন্য যে অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন হয় তা ঠিকমতো গ্রহণ করা সম্ভব হবে না। ফলে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে।

অপরিণত বয়সে বস্তিদেশ ছোট থাকার কারণে প্রসব বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি জরায়ু ও প্রসবপথ ফেটে বা ছিঁড়ে যেতে পারে। এর ফলে গর্ভপাত এবং মা ও শিশুর মৃত্যু হতে পারে। এছাড়াও সন্তানের বেড়ে ওঠার মতো পর্যাপ্ত জায়গা গর্ভে না থাকায় কম ওজনের শিশু জন্মগ্রহণের আশঙ্কা থাকে। এমনকি অনেক সময় প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম হওয়ার আশঙ্কা তাকে। শিশু স্বাস্থ্যবান ও সফল মানুষ হিসেবে বেড়ে - উঠতে পারে না। অতএব বলা যায়, তিথি অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের কারণে উপরোক্ত সমস্যাসমূহের সম্মুখীন হতে পারে।

উত্তরঃ

তিথিকে অপরিণত বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে সে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হবে। উক্ত সমস্যাগুলো প্রতিরোধে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে।

অপরিণত বয়সে বাবা-মা বিয়ের ব্যবস্থা করলে নিজের বা বন্ধুদের মাধ্যমে বাবা-মার সাথে আলোচনা করে দৃঢ়ভাবে বিয়ের ব্যবস্থা প্রতিরোধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনসম্মত ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরিণত বয়সে গর্ভবতী হলে মা ও শিশুর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়। তাছাড়া ছেলেমেয়ে উভয়ের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়, উভয়ের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। এসব কথা প্রচার করতে হবে। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণে প্রতিবন্ধী বা অসুস্থ সন্তান জন্ম নিতে পারে এ সম্পর্কে জানিয়ে সকলকে সচেতন করা প্রয়োজন। অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ফলে মা ক্রমশ স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়ে ও স্বাভাবিক দৈহিক কাজকর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয় এবং পরিবারে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তাছাড়া অসুস্থ মা ও শিশু উভয়ের দেহ গঠনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার ও চিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য অতিরিক্ত অর্থের দরকার হয় তা পরিবারের লোকজনকে বুঝিয়ে বলতে হবে।

উপরিউক্ত বিষয়সমূহ তথ্যচিত্রের মাধ্যমে পোস্টার ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যম এ ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

145

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

258
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

283
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়। 

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা। 

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

280
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভ্রূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

265
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। 

গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভ্রূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

259
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews