তিনজন আখ চাষির সমস্যা তুলে ধরা হলো-

আলম: এক ধরনের পোকার আক্রমণ হয়েছে যাদের মাথা ও বুক গাঢ় বাদামি রঙের।

জাহাঙ্গীর: কিছু আখের কাণ্ডের ভেতরের কোষগুলো পচে ফ্যাকাসে লাল হয়েছে।

 আনিস: পত্রগুচ্ছের মধ্য হতে চাবুকের মতো কালো শীষ দেখা যাচ্ছে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উফশী ধানে যখন প্রয়োজনীয় বিশেষ গুণাগুণ যেমন- রোগবালাই সহনশীলতা, স্বল্প জীবনকাল, চিকন চাল, খরা, লবণাক্ততা ও জলমগ্নতা সহিষ্ণু ইত্যাদি সংযোজিত হয়, তখন তাকে আধুনিক ধান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

দেশি পাট ও তোষা পাটের মাঝে পার্থক্য উপস্থাপন করা হয়েছে-

বিষয়

দেশি পাট

তোষা পাট

গাছ

গাছ ২.৫-৩.৬ মিটার লম্বা হয়।

গাছ ২.৫-৪.৫ মিটার লম্বা হয়।

পরিবেশ

শেষ দিকে জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে।

জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।

কান্ড

নলাকার, সবুজ-লাল।

নলাকার, কাণ্ডের বর্ণ সবুজ অথবা লালচে।

পাতা

পাতা ছোট, হালকা সবুজ, স্বাদে তিতা।

পাতার বর্ণ গাঢ় সবুজ, স্বাদে তিতা নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জাহাঙ্গীর ও আনিসের ক্ষেতে যথাক্রমে লালপচা রোগ ও স্মাট রোগ হয়েছে।

লালপচা রোগ বিস্তারে বেশিরভাগ রোগজীবাণুই বাতাস, বৃষ্টি বা কুয়াশার সাহায্যে আস্তে আস্তে কাণ্ডের গোড়ায় এসে আক্রমণ করে। আক্রান্ত বীজ খণ্ড হতে গজানো চারার কুশিগুলো লালপচা রোগের শিকার হয়। এ রোগের জীবাণু পরিত্যক্ত আখের অংশের সঙ্গে অনেকদিন মাটিতে বেঁচে থাকতে পারে। অন্যদিকে, স্মাট রোগে শীষ হতে এ রোগের লক্ষ লক্ষ জীবাণু বাতাসের সাহায্যে মুক্ত অবস্থায় আক্রান্ত গাছ হতে সুস্থ গাছে ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রেও রোগের জীবাণু শুকনো মাটি বা পরিত্যক্ত আখের সঙ্গে অনেকদিন বেঁচে থাকতে পারে।

উপরিউক্তভাবে এ দুটি রোগের বিস্তার ঘটে। তবে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে এ রোগ দমন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলমের ক্ষেতে উঁইপোকার আক্রমণ ঘটলেও জাহাঙ্গীর ও আনিসের ক্ষেতে ছত্রাক এর আক্রমণে দুই ধরনের রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।

উঁইপোকার দমন ব্যবস্থা হিসেবে মুড়ি আখের চাষ করা যাবে না। সেচ সুবিধা থাকলে কয়েকদিন মাঠ পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে। আক্রান্ত ক্ষেতে মাটির পাতিলে পাটখড়ি ভরে পুঁতে রাখতে হবে। এতে উইপোকা জমা হবে। ১৫ দিন পরপর এগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে।

লালপচা রোগের দমনে রোগ সহিষ্ণু জাতের আখের আবাদ করতে হবে। শোধন করা আখের বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে মুড়ি আখের চাষ করা যাবে না। রোপণের পূর্বে বীজখণ্ড ব্যাভিস্টিন দিয়ে শোধন করতে হবে। স্মাট রোগের দমনেও রোগ সহিষ্ণু জাতের আখের চাষ করতে হবে। স্মাট আক্রান্ত জমিতে মুড়ি আখের চাষ না করা এবং গরম আবহাওয়ায় শোধিত বীজখণ্ড ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত ঝাড় সম্পূর্ণভাবে জমি থেকে তুলে ফেলতে হবে।

উপরিউক্ত ব্যবস্থাগুলো আলম, জাহাঙ্গীর ও আনিসের ক্ষেতের রোগ দমনে নেওয়া দরকার, অন্যথায় তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
73
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য জলজ প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস, চাষ পদ্ধতি, প্রজনন, রোগতত্ত্ব, সংরক্ষণ, পরিবহণ ও বিপণন বিষয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মাৎস্য বিজ্ঞান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
403
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় প্রতি মাসে অথবা প্রয়োজন অনুসারে কৃষকদের নিয়ে কোনো একজন কৃষকের উঠোনে কৃষির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যে বৈঠক করে তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

মূলত উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকেরা কৃষি তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকে। উঠোন বৈঠকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- কৃষকদের মাঝে নতুন প্রযুক্তি হস্তান্তর করা, কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষকদের জ্ঞান, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। ফলে দুর্বল কৃষকরা কৃষি তথ্যে সমৃদ্ধ হয়ে কৃষিকাজে আরও উৎসাহী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)। এ প্রতিষ্ঠানটি নিম্নলিখিত কার্যাবলীর মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে-

i. ফসলের নতুন নতুন জাত নির্বাচন, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন সাধন। 

ii. নির্বাচিত ও উদ্ভাবিত ফসলের জাতসমূহ চাষাবাদের জন্যে অনুমোদনের ব্যবস্থাকরণ এবং উন্নত চাষাবাদ কলাকৌশল উদ্ভাবন। 

iii. বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প তদারকীকরণ ও পরামর্শ প্রদান। 

iv. উন্নত সেচ প্রযুক্তি উদ্ভাবন। 

V. সার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন। 

vi. মাটির উর্বরতা রক্ষার উপায় উদ্ভাবন ও উন্নয়ন। 

vii. ফসলের প্রজাতি বা জিন সংরক্ষণ। 

viii. চাষাবাদ ও পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র উদ্ভাবন। 

ix. কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার কৌশল উদ্ভাবন। 

x. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা প্রভৃতির আয়োজনকরণ।

xi. শস্য বিন্যাস পদ্ধতির আধুনিকীকরণ ও উন্নয়ন। 

xii. কৃষি পরিবেশ ও অঞ্চলেভেদে দেশের চাহিদাভিত্তিক কৃষি গবেষণা পরিচালনা। 

xiii. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান। 

xiv. কৃষিতে আইসিটি এর প্রয়োগকরণ।

পরিশেষে বলা যায়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র দূরীকরণে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
358
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চাষকৃত ফুলটি হলো ডালিয়া। ডালিয়া ফুল গাছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি আক্রমণ করলে নানাবিধ রোগ হয়। এসব প্রতিরোধে দরকার প্রয়োজনীয় রোগ দমন ব্যবস্থাপনা।

ডালিয়ার পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনে গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। রোগের প্রকোপ কম হলে দ্রুত বেগে পানি স্প্রে করেও দমন করা যায়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ১ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩-৫ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ দেখা মাত্রই সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- থিয়োভিট ৮০ ডব্লিউজি বা কুমুলাস ডিএফ) ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে অথবা প্রোপিকোনাজোল (যেমন- টিল্ট ২৫০ ইসি) ১ লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ঢলে পড়া রোগ দমনে রোগাক্রান্ত চারা/গাছ তুলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। মেটালেক্সিল + মেনকোজেব (যেমন- রিডোমিল গোল্ড) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে কন্দ আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ছায়ায় শুকিয়ে নিয়ে জমিতে বপন করতে হবে। আক্রান্ত গাছে অক্সিক্লোরাইড বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার ড্যাম্পিং অফ রোগ হলে মেটালেক্সিল ও রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার কান্ড পচা রোগ হলে রোগাক্রান্ত গাছ ধ্বংস করে ফেলতে হবে। ডালিয়ার অ্যানথ্রাকনোজ রোগ প্রতিরোধে কার্বেন্ডাজিম দ্বারা কন্দ শোধন করতে হবে। আর এ রোগে আক্রান্ত গাছে কপার অক্সিক্লোরাইড ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া ভাইরাসঘটিত রোগের কোনো ঔষধ নাই। সুতরাং রোগাক্রান্ত গাছগুলি সঙ্গে সঙ্গে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। জাবপোকা, থ্রিপস, জ্যাসিড ইত্যাদি পোকা দ্বারা ভাইরাসের বিস্তার হয়। তাই সুস্থ গাছে নিয়মিত ডাইমেক্রন ১০০ ইসি (৫%) দ্রবণ প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করলে এইসব পোকা দমন করা যায়।

অতএব, উপরে উল্লিখিত বিবিধ রোগ দমন ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে ডালিয়া ফুলের লাভজনক চাষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
262
উত্তরঃ

ভূমিক্ষয় হলো বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- বৃষ্টিপাত, পানি, বায়ু, বরফ, তাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া এবং পানি চলাচলের প্রভাবে মৃত্তিকা কণার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারণ হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
317
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটির ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
600
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews