তিনটি ভেক্টর যথাক্রমে A=9i^+j^-6k^; B=4i^-6j^+5k^  এবং V=3xyz2i^+2xy2j^-x3y2zk^. 

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ কোনো স্থানাঙ্ক ব্যবস্থার মূলবিন্দু থেকে কোনো বিন্দুর অবস্থান নির্দেশকারী ভেক্টরকে ব্যাসার্ধ ভেক্টর বা অবস্থান ভেক্টর বলে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

অবস্থান ভেক্টর (position vector) হলো এমন একটি ভেক্টর যা মূলবিন্দু (origin) থেকে কোনো বিন্দুর অবস্থান নির্দেশ করে। এটি একটি সীমাবদ্ধ ভেক্টর কারণ এর পাদবিন্দু (tail) সর্বদা মূলবিন্দুতে স্থির থাকে এবং নড়াচড়া করতে পারে না।

যেকোনো কণার অবস্থান মূলবিন্দুর সাপেক্ষে নির্দেশ করার জন্যই অবস্থান ভেক্টর ব্যবহার করা হয়। যেহেতু এর পাদবিন্দু সর্বদা মূলবিন্দুতে স্থির থাকে এবং কেবল অগ্রবিন্দু (head) চলমান বিন্দুর অবস্থান বোঝায়, তাই এটি স্বাধীনভাবে যেকোনো স্থানে শুরু হতে পারে না। এই নির্দিষ্ট পাদবিন্দুর কারণেই এটিকে সীমাবদ্ধ ভেক্টর বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

একটি ভেক্টর ক্ষেত্র (Vector Field) এর ডাইভারজেন্স (Divergence) হলো একটি স্কেলার রাশি যা কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে ভেক্টর ক্ষেত্রটির 'প্রসারণ' বা 'সংকোচন' এর হার নির্দেশ করে। গাণিতিকভাবে, একটি ভেক্টর ক্ষেত্র \(\vec{F} = F_x\hat{i} + F_y\hat{j} + F_z\hat{k}\) এর ডাইভারজেন্সকে \(\nabla \cdot \vec{F} = \frac{\partial F_x}{\partial x} + \frac{\partial F_y}{\partial y} + \frac{\partial F_z}{\partial z}\) দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়।

উদ্দীপকে প্রদত্ত ভেক্টর ক্ষেত্রটি হলো: V=3xyz2i^+2xy2j^-x3y2zk^। এই ভেক্টর ক্ষেত্রটির ডাইভারজেন্স নির্ণয় করার জন্য আমরা প্রতিটি উপাদানের (component) আংশিক অন্তরক (partial derivative) নির্ণয় করে যোগ করব:

এখানে, \(F_x = 3xyz^2\), \(F_y = 2xy^2\), এবং \(F_z = -x^3y^2z\)।

\(\frac{\partial F_x}{\partial x} = \frac{\partial}{\partial x}(3xyz^2) = 3yz^2\)

\(\frac{\partial F_y}{\partial y} = \frac{\partial}{\partial y}(2xy^2) = 2x(2y) = 4xy\)

\(\frac{\partial F_z}{\partial z} = \frac{\partial}{\partial z}(-x^3y^2z) = -x^3y^2\)

সুতরাং, ভেক্টর ক্ষেত্র \(\vec{V}\) এর ডাইভারজেন্স হলো: \(\nabla \cdot \vec{V} = 3yz^2 + 4xy - x^3y^2\)।

এখন, প্রশ্নানুযায়ী (1,-1, 1) বিন্দুতে ভেক্টর ক্ষেত্র \(\vec{V}\) এর ডাইভারজেন্স নির্ণয় করতে হবে। এই বিন্দুতে \(x = 1, y = -1, z = 1\) মান বসিয়ে পাই:

\(\nabla \cdot \vec{V} = 3(-1)(1)^2 + 4(1)(-1) - (1)^3(-1)^2\)

\(\nabla \cdot \vec{V} = 3(-1)(1) + 4(1)(-1) - (1)(1)\)

\(\nabla \cdot \vec{V} = -3 - 4 - 1\)

\(\nabla \cdot \vec{V} = -8\)

সুতরাং, (1,-1, 1) বিন্দুতে ভেক্টর ক্ষেত্র \(\vec{V}\) এর ডাইভারজেন্স হলো -8।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

একটি বৃত্তের পরিধির উপর অঙ্কিত স্পর্শক সবসময় স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের উপর লম্ব হয়। অর্থাৎ, ব্যাসার্ধ ভেক্টর এবং স্পর্শক ভেক্টর পরস্পর লম্ব হবে। দুটি ভেক্টর পরস্পর লম্ব হলে তাদের ডট গুণফল (স্কেলার গুণফল) শূন্য হয়। প্রদত্ত উদ্দীপকে, ভেক্টর \(\vec{A}\) যদি বৃত্তের ব্যাস নির্দেশ করে এবং ভেক্টর \(\vec{B}\) যদি ঐ বৃত্তের স্পর্শক নির্দেশ করে, তাহলে \(\vec{A}\) এর দিক বরাবর একটি ব্যাসার্ধ ভেক্টর \(\vec{B}\) এর উপর লম্ব হবে। গাণিতিকভাবে এই শর্ত যাচাই করে আমরা মতামত প্রদান করতে পারি।

উদ্দীপকে প্রদত্ত ভেক্টরগুলো হলো:

\(\vec{A} = 9\hat{i} + \hat{j} - 6\hat{k}\)

\(\vec{B} = 4\hat{i} - 6\hat{j} + 5\hat{k}\)

যদি \(\vec{A}\) এবং \(\vec{B}\) পরস্পর লম্ব হয়, তবে তাদের ডট গুণফল শূন্য হবে। আমরা \(\vec{A}\) এবং \(\vec{B}\) ভেক্টরের ডট গুণফল নির্ণয় করি:

\(\vec{A} \cdot \vec{B} = (9\hat{i} + \hat{j} - 6\hat{k}) \cdot (4\hat{i} - 6\hat{j} + 5\hat{k})\)

\(\vec{A} \cdot \vec{B} = (9)(4) + (1)(-6) + (-6)(5)\)

\(\vec{A} \cdot \vec{B} = 36 - 6 - 30\)

\(\vec{A} \cdot \vec{B} = 30 - 30\)

\(\vec{A} \cdot \vec{B} = 0\)

যেহেতু \(\vec{A}\) এবং \(\vec{B}\) ভেক্টরদ্বয়ের ডট গুণফল শূন্য, সেহেতু ভেক্টর দুটি পরস্পর লম্ব। একটি বৃত্তের ব্যাস যেদিকে নির্দেশ করে, তার ব্যাসার্ধও একই দিকে নির্দেশ করে। তাই যদি ভেক্টর \(\vec{A}\) বৃত্তের ব্যাস নির্দেশ করে এবং ভেক্টর \(\vec{B}\) এর উপর লম্ব হয়, তাহলে \(\vec{B}\) ভেক্টরটি ঐ বৃত্তের পরিধির উপর অঙ্কিত স্পর্শক নির্দেশ করতে পারবে। কারণ, স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ স্পর্শকের উপর লম্ব হয় এবং ব্যাসার্ধের দিক ব্যাসের দিকের সমান্তরাল (একই)।

সুতরাং, গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, যদি \(\vec{A}\) কোনো বৃত্তের ব্যাস নির্দেশ করে, তাহলে \(\vec{B}\) ঐ বৃত্তের পরিধির উপর অঙ্কিত স্পর্শক নির্দেশ করবে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
95

১.১ সূচনা

Introduction

বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানতে হলে কোন বা কোন ধরনের পরিমাপের প্রয়োজন হয়। পদার্থের যে সব ভৌত বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করা যায় তাদেরকে রাশি (quantity) বলে। যেমন, দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, আয়তন, বেগ, কাজ ইত্যাদি প্রত্যেকে এক একটি রাশি। পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্গত যে কোন রাশিকে ভৌত (physical) রাশি বলে।

কিছু কিছু ভৌত রাশিকে শুধুমাত্র মান দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়। আবার অনেক ভৌত রাশি রয়েছে যাদেরকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ই প্রয়োজন হয়। তাই ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে আমরা দুই ভাগে বিভক্ত করতে পারি ; যথা—

(ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar quantity)।

(খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বা সদিক রাশি (Vector quantity)।

(ক) স্কেলার রাশি : 

যে সব ভৌত রাশির শুধু মান আছে, কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলে। যেমন দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, জনসংখ্যা, তাপমাত্রা, তাপ, বৈদ্যুতিক বিভব, দ্রুতি, কাজ ইত্যাদি কেলার বা অদিক রাশি। 

(খ) ভেক্টর রাশি : 

যে সব ভৌত রাশির মান এবং দিক দুই-ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলে। যেমন সরণ, বেগ, ত্বরণ, মন্দন, বল, ওজন ইত্যাদি ভেক্টর বা দিক রাশি।

১.২ ভেক্টর রাশির নির্দেশনা

Representation of a vector

 কোন একটি ভেক্টর রাশিকে দুভাবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে, যথা- (১) অক্ষর দ্বারা এবং (২) সরলরেখা দ্বারা।

১। অক্ষর দ্বারা কোন একটি ভেক্টর রাশিকে চারভাবে প্রকাশ করা হয়, যথা- 

(ক) কোন অক্ষরের উপর তীর চিহ্ন দ্বারা রাশিটির ভেক্টর রূপ এবং এর দুই পাশের দুটি খাড়া রেখা দ্বারা এর মান নির্দেশ করা হয়। সাধারণভাবে শুধু অক্ষর দ্বারাও রাশিটির মান নির্দেশ করা হয়।

A অক্ষরের ভেক্টর রূপ Ā এবং মান রূপ | A | বা A

(খ) কোন অক্ষরের উপর রেখা চিহ্ন দ্বারা রাশিটির ভেক্টর রূপ এবং এর দুই পাশের দুটি খাড়া রেখ দ্বারা এর মান নির্দেশ করা হয়।

A অক্ষরের ভেক্টর রূপ Ā এবং মান রূপ । A

(গ) কোন অক্ষরের নিচে রেখা চিহ্ন দ্বারা রাশিটির ভেক্টর রূপ এবং এর দুই পাশের দুটি খাড়া রেখ দ্বারা এর মান নির্দেশ করা হয়।

A অক্ষরের ভেক্টর রূপ A এবং মান রূপ | A | 

(ঘ) মোটা হরফের অক্ষর দিয়ে ভেক্টর রাশি প্রকাশ করা হয়। যেমন A অক্ষরের ভেক্টর রূপ A এবং এর মান A ভেক্টর রাশি নির্দেশের ক্ষেত্রে  (ক)-এ ব্যবহৃত চিহ্নই শ্রেয়। তাই এই বই-এ আমরা এই পদ্ধতিই ব্যবহার করব।

 

২। সরলরেখা দ্বারা ভেক্টর রাশি নির্দেশ করতে হলে রাশিটির দিকে বা সমান্তরালে একটি সরলরেখা অংকন করে সরলরেখাটির শেষ প্রান্তে একটি তীর চিহ্ন দ্বারা রাশিটির দিক এবং কোন স্কেলে উত্ত সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য দ্বারা এর মান নির্দেশ করা হয়। এ পদ্ধতিকে জ্যামিতিক উপায়ে ভেক্টরের নির্দেশনাও বলে।

চিত্র :১.১

মনে করি, একটি ভেক্টর রাশির মান 5 এবং এর দিক পূর্ব দিক। একে সরলরেখা দ্বারা প্রকাশ করতে হবে। এখন AC একটি সরলরেখা পূর্ব- পশ্চিম দিক বরাবর অংকন করে AC সরলরেখা হতে সুবিধামত দৈর্ঘ্যকে একক ধরে এর 5 গুণ দৈর্ঘ্য AB কেটে নিই এবং AB-এর শেষ প্রান্তে পূর্ব দিকে তীর চিহ্ন যুক্ত করি [চিত্র ১:১]। এই তীর চিহ্নিত সরলরেখাই ভেক্টর রাশিটি নির্দেশ করবে। ভেক্টর রাশি নির্দেশী সরলরেখার তীর চিহ্নিত প্রান্ত B-কে শীর্ষবিন্দু বা অন্ত বিন্দু এবং অপর প্রান্ত A-কে আদিবিন্দু বা মূলবিন্দু বা পাদবিন্দু বলে।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews