তুঘলক বংশের একজন শাসনকর্তা শাসনকার্যের সুবিধার জন্য কিছু উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এ লক্ষ্যে উক্ত শাসক রাজধানী দিল্লি হতে দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন। বিদ্রোহীদের দমন করতে খোরাসান ও কারাচিল অভিযান করেন এবং তাম্রমুদ্রা প্রচলন, দোয়াব অঞ্চলে কর বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে মনোযোগী হন। কিন্তু তিনি দিল্লি সুলতানদের মধ্যে বিদ্বান ও 'গুণসম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

দাস বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার শাসনকর্তা তুঘরিল খানের বিদ্রোহ দমন করার জন্য পরপর তিনটি অভিযান প্রেরণ করেন। কিন্তু তিনটি অভিযানই ব্যর্থ হয়। উপর্যুপরি ব্যথর্তায় ক্ষুদ্ধ হয়ে সুলতান বলবন স্বয়ং তুঘরিলের বিরুদ্ধে চতুর্থ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। শাহজাদা বুগরা খান এ অভিযানে পিতার সঙ্গী হন। সুলতানের আগমনে ভীত গন হয়ে তুধরিল খান রাজধানী ছেড়ে উড়িষ্যার অরণ্যে আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা করতে খারেননি। তিনি রাজকীয় বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন এবং তাকে হত্যা করা হয়। অতঃপর পুত্র বুগরা খানকে বাংলার শাসনকর্তা নিয়োগ করে বলবন বিজয়ীর বেশে রাজধানীতে প্রত্যাবর্তন করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কর্মকাণ্ডের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের শাসক মুহাম্মদ বিন তুঘলকের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, একজন শাসক সিংহাসনে আরোহণ করেই তার রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং পুরাতন রাজধানীর সকল মানুষকে নতুন রাজধানীতে যেতে বাধ্য করেন। ফলে বহুলোকের মৃত্যু ঘটে। এ তথ্য মুহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসননীতির সাথে সংগতিপূর্ণ। 

মুহাম্মদ বিন তুঘলক প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনা করেই রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেছিলেন। দেবগিরিকে রাজধানী হিসেবে পরিবার-পরিজন, আমির-ওমরাহ, অভিজাত ব্যক্তিবর্গ এবং দিল্লির জনগণসহ দেবগিরিতে গমন করেন। দিল্লি থেকে দেবগিরির দূরত্ব ছিল ৭০০ মাইল। এই দীর্ঘ রাস্তা অতিক্রম করতে গিয়ে সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে পথিমধ্যে অনেকের মৃত্যু ঘটে এবং রাজধানীতে পৌছার পর অসংখ্য মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এছাড়া দিল্লির বিরূপ আবহাওয়া এবং হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ার কারণে সেখানে আমির-ওমরাহগণ বসবাস করতে রাজি ছিলেন না। এ কারণে সুলতান বাধ্য হয়ে রাজধানী দিল্লিতে ফিরিয়ে আনেন। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকে সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের কর্মকান্ডেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উত্ত শাসক অর্থাৎ মুহম্মদ বিন তুঘলকের গৃহীত পরিকল্পনাসমূহ দিল্লি সালতানাতে তেমন প্রভাব বিস্তার করতে না পারলেও এগুলো ছিল আধুনিক ও গতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।

মুহাম্মদ বিন মুষলক ছিলেন একজন আধুনিক সংস্কারক। উদ্ভাবন ও অভিনবত্ব ছিল তার প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। তিনি মোট পাঁচটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তার সব ক্যাটি পরিকল্পনাই ব্যর্থতার পর্যবসিত হয়। তবুও তার পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে আধুনিকতার ছাপ ছিল। উদ্দীপকে মুহাম্মদ বিন তুঘলকের এ উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে, একজন শাসক তার রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং পুরাতন রাজধানী শহরের লোকদের নতুন শহরে যেতে বাধ্য করেন। যা বহু লোকের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ঘটনাটি মুহাম্মদ বিন তুঘলকের দিল্লি থেকে দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। যেটি বহু মানুষের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল। তবুও তার এ পরিকল্পনাটিকে নির্বুদ্ধিতা প্রসূত কাজ বলা যায় না। কেননা নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিচার করলে দেখা যায় সুলতানের রাজধানী স্থানান্তরের প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল মহৎ, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সাম্রাজ্যের জন্য মজালকর। তিনি মোজাল আক্রমণ থেকে রাজধানীকে রক্ষা করা এবং দাক্ষিণাত্যের ধন-সম্পদের সদ্ব্যবহারের উদ্দেশ্যে - রাজধানী স্থানান্তরের প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল মহৎ, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সাম্রাজ্যের জন্য মঙ্গলকর। তিনি মোকাল আক্রমণ থেকে রাজধানীকে রক্ষা করা এবং দাক্ষিণাত্যের ধন-সম্পদের সদ্ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন। তবে এ কথা সত্য যে, সুলতানের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তার দিল্লির সকল মানুষকে দেবগিরিতে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। কিন্তু তিনি প্রজাদের মঙ্গলার্থেই পরিকল্পনাটি গ্রহণ করেছিলেন।
উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, মুহাম্মদ বিন তুঘলকের গৃহীত পরিকল্পনাসমূহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলেও তার পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
20
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আলাউদ্দিন খলজির শাসনামলে দিল্লি সালতানাতে প্রায় সাত বার মোঙ্গল আক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। তাই মোঙ্গলদের প্রতিহতকরণে তিনি কতিপয় কার্যকর মোঙ্গলনীতি গ্রহণ করেন।
আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের মোকাবিলায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সাথে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মোঙ্গলদের আক্রমণ পথে তিনি পুরাতন কেল্লা সংস্কার ও নতুন কেল্লা স্থাপন করে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেন। তিনি উন্নতমানের অস্ত্রের জন্য কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বিশ্বস্তদের ওপর ন্যস্ত করেন। এছাড়া তিনি মোজঙ্গলদেরকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত সৈন্য সংগ্রহ করেন। এভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে তিনি মোঙ্গল আক্রমণ মোকাবিলায় সাফল্য লাভকরেন। তার রাজত্বকালে মোঙ্গলরা আর ভারত আক্রমণে সাহস করেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
156
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে দিল্লির সালতানাতের মহিলা শাসক সুলতান রাজিয়ার সাদৃশ্য রয়েছে।

পুরুষশাসিত সমাজে নারীরা চিরকালই অবহেলিত হয়ে আসছে। এই অবহেলার মাঝেও নারীরা স্বীয় যোগ্যতাবলে সমাজের উন্নয়নে অংশীদার হয়েছে। নানা বাধার সম্মুখীন হয়েও তারা সফল হয়েছে; সকল সমালোচনার উচিত জবাব দিয়েছে। উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া এমনই দুজন নারী ব্যক্তিত্ব।
শ্রীমাভো বন্দরনায়েক ছিলেন আধুনিক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বিভিন্ন দেশের কিছু অভিজাত শ্রেণির সমালোচনার মুখোমুখি হন। তারা নারী বলে শ্রীমাভো বন্দরনায়েককে শাসনকার্যে অনুপযোগী ও অদক্ষ বলে অভিহিত করেন। কিন্তু নিজ মেধা, তেজস্বিতা আর কর্মদক্ষতার গুণে শ্রীমাভো সকল বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি প্রতিহত করে দেশের উন্নতি সাধন করেন। সুলতান রাজিয়াও একইভাবে ১২৩৬ থেকে ১২৪০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির সিংহাসনে বসে সুলতানি শাসন পরিচালনা করেন। তার ৪ বছরের রাজত্বকাল মধ্যযুগের ভারতীয় ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ প্রতিহত করেন। তিনি উপমহাদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা শাসনকর্তা। তার সাহসিকতা, দক্ষতা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব তুর্কি জাতির সাহসিকতা এবং দূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে। তার উদার রাজনৈতিক চিন্তাধারা বস্তুত মুসলিম শাসনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। সুতরাং দেখা যায় উদ্দীপকের শ্রীমাভো বন্দরনায়েক এবং সুলতান রাজিয়া শাসন পরিচালনার দিক দিয়ে একে অন্যের প্রতিরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
130
উত্তরঃ

ভারতে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সুলতান রাজিয়া ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম ও একমাত্র মহিলা।

সালতানাতের এক সংকটকালে সুলতান রাজিয়া সিংহাসনে আরোহণ করেন। ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজের হিসেব মতে, তিনি ৩ বছর ৬ মাস ৬ দিন রাজত্ব করেন। তিনি ছিলেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং অসাধারণ প্রতিভাশালী একজন নারী। প্রচলিত মুদ্রায় তিনি নিজেকে উমদাদ-উল-নিসওয়ান (নারীদের মধ্যে বিশিষ্ট) বলে উল্লেখ করেন। মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে মহান নৃপতি, বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ ও মহানুভব বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন সার্বভৌম নৃপতির প্রয়োজনীয় গুণাবলি ও - যোগ্যতার অধিকারী ছিলেন। এ. বি. এম. হবিবুল্লাহর মতে, সাহসিকতা ও অদম্য দৃঢ়তাই (Courage and unflincing determination) ছিল রাজিয়ার আদর্শ।
চারিত্রিক দৃঢ়তায় সুলতান রাজিয়া নিজেকে পুরুষ অপেক্ষা যোগ্যতর প্রমাণ করেন। ব্যক্তিগত দৃঢ়তা ও যোগ্যতাই তার ক্ষমতা ও অস্তিত্বের চাবিকাঠি ছিল। সুলতান রাজিয়া প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত শক্তি-সামর্থ্য প্রমাণের লক্ষ্যেই মহিলা পোশাক পরিত্যাগ করেন, অশ্বারোহণে জনসমক্ষে বের হন এবং প্রকাশ্যে দরবার পরিচালনা করেন। অধ্যাপক কে. এ. নিজামী যথার্থই বলেছেন, "অস্বীকার করার অবকাশ নেই যে, তিনি ছিলেন ইলতুৎমিশের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যোগ্যতম।"
পরিশেষে বলা যায় যে, সুলতান রাজিয়া ছিলেন অপরিসীম কৃতিত্বের অধিকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
83
উত্তরঃ

তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (শাসনকাল ১৩২০-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
118
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন এবং মোজাল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের গৃহীত নিষ্ঠুর ও কঠোর পদক্ষেপই 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron policy) নামে পরিচিত।
সিংহাসনে আরোহণ করেই বলবন নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল আমির-ওমরাহ ও অভিজাত সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান ঔদ্ধত্য, দ্বন্দ্ব-কলহ ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যকলাপ, দিল্লির সন্নিকটস্থ মেওয়াটি দস্যুদের উপদ্রব, উপর্যুপরি মোঙ্গল আক্রমণ প্রভৃতি। এসব সমস্যা সাম্রাজ্যের ভিতকে হুমকির সম্মুখীন করে তোলে। তাই নিজের ক্ষমতা সুসংহত করে সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি গুপ্তচর প্রথা চালু, বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন, মোঙ্গল নীতি প্রভৃতি বিষয়ে কঠোর ও নিষ্ঠুর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এগুলোই বলবনের 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' হিসেবে স্বীকৃত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
378
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews