তুবা তার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মাকে বুফে পদ্ধতিতে খাবার পরিবেশনের পরামর্শ দেয়, যার যথেষ্ট সুবিধা রয়েছে।
কোনো উৎসবে যদি অতিথির সংখ্যা বেশি হয় এবং জায়গা কম থাকে আবার যদি কোনো বিশেষ অতিথি না থাকে তাহলে বু-ফে পদ্ধতির মাধ্যমে খাবার পরিবেশন করা যায়। এ ব্যবস্থায় অল্প জায়গায় অনেক অতিথি আপ্যায়ন করা যায়। অতিথিরা স্বাধীনভাবে স্থান পছন্দ করে বসতে পারে। অতিথিরা খাবার গ্রহণের সময় গল্প-গুজব করতে পারে যার মাধ্যমে সকলের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি পায়। বুফে রীতিতে সকল মেনু টেবিলে রাখা হয় বলে অতিথিরা পছন্দমতো খাবার গ্রহণ করতে পারে।
তুবা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তার মাকে বুফে রীতিতে খাবার পরিবেশন করতে পরামর্শ দেয়; কারণ এ রীতি অনুসরণ করলে অতিথিদের সমাগম বেশি হওয়া সত্ত্বেও স্বল্প স্থানের মধ্যেই সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে খাবার খেতে পারবে। সুতরাং, এসব কারণে বুফে রীতিতে খাবার পরিবেশন অনেক সুবিধাজনক।
Related Question
View Allরেসিপি হলো রান্নার প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহের তালিকা, পরিমাণ ও রন্ধন পদ্ধতির লিখিত পথ নির্দেশ বিশেষ।
খাদ্য পরিবেশন হচ্ছে একটা কৌশলগত পদ্ধতি যার মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়। অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে মেনু অনুযায়ী প্রস্তুত খাদ্যদ্রব্যটি কোনো সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে ব্যক্তিবর্গের গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করা হয় তাকে খাদ্য পরিবেশন বলে।
মেয়ের জন্মদিনে রাবেয়া বেগমের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইটেম বাদ পড়ার কারণ মেনু পরিকল্পনা না করা।
মেনু পরিকল্পনা খাদ্যের একটি তালিকা বিশেষ। অর্থাৎ কোনো খাদ্য ব্যবস্থায় কী খাবার পরিবেশন করা হবে তা স্থির করে যে লিখিত খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয় তাকেই মেনু বলে। মেনু পরিকল্পনার মাধ্যমে সুষম, আকর্ষণীয় ও পুষ্টিকর খাদ্য পরিবেশন করা যায়। রাবেয়া বেগম মেয়ের জন্মদিনে নিজ হাতে রান্না করেন ও তিনি একাই টেবিলে খাবার সাজান। খাবার পরিবেশনের পূর্ব মুহূর্তে তিনি দেখলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ আইটেম বাদ পড়েছে। এর কারণ হলো মেনু পরিকল্পনা করে নেওয়া হয়নি।
প্রতিদিনের আহারে কী কী খাদ্য পরিবেশন করা হবে তার জন্য মেনু পরিকল্পনা করা উচিত। পরিবারের তিন বেলার আহার ছাড়াও শিশুর পরিপূরক খাবার, রোগীর পথ্য, বিয়ে, জন্মদিন, অতিথি আপ্যায়ন ইত্যাদি যেকোনো উপলক্ষেই খাদ্য প্রস্তুতের আগেই একটা পরিকল্পনা করে নেওয়া ভালো। সুতরাং বলা যায়, রাবেয়া বেগম মেয়ের জন্মদিনের মেনু পরিকল্পনা না করায় খাবারের গুরুত্বপূর্ণ আইটেম বাদ পড়েছে।
রাবেয়া বেগম মেয়ের জন্মদিনে অনেক লোক দাওয়াত করলেন। কিন্তু তার বাসা ছোট হওয়ায় একত্রে সবাইকে খেতে দিতে না পেরে তিনি বিব্রতবোধ করেন।
রাবেয়া বেগম যদি বু-ফে পদ্ধতিতে খাদ্য পরিবেশন করতেন তাহলে সবাই একসাথে খেতে পারতো। অতিথির সংখ্যা বেশি হলে, জায়গা কম থাকলে এবং বিশেষ বা প্রধান অতিথি না থাকলে বু-ফে এর ব্যবস্থা করা যায়।
রাবেয়া বেগম বাসার লনে বা লম্বা বারান্দায় অথবা খোলা বাগানে কয়েকটি টেবিলে একই ধরনের খাবার সরবরাহ করতে পারতেন। খাবার গ্রহণের প্লেট, গ্লাস, চামচ, কাপ, আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদি একটি টেবিলে সাজিয়ে রেখে, টেবিলের দু'পাশে বা, চারপাশে একইভাবে খাবারগুলো সাজালে যেকোনো পাশ থেকে অতিথিরা প্রত্যেক প্রকার খাবার প্লেটে নিয়ে স্বাধীনভাবে পছন্দমতো জায়গায় বসে গল্প-গুজবের মধ্যে দিয়ে আনন্দের সাথে খাবার উপভোগ করতে পারতো।
এভাবেই রাবেয়া বেগম খাবার পরিবেশনে বৈচিত্র্য এনে বিব্রতবোধ থেকে রেহাই পেতে পারতেন।
কোনো খাদ্য ব্যবস্থায় কী খাবার পরিবেশন করা হবে তা স্থির করে যে লিখিত খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয় তাকেই মেনু বলে।
খাদ্য গ্রহণের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো যেসব খাদ্য খাওয়া হয় তা যেন শরীরকে কর্মক্ষম রাখে, ক্ষয়পূরণ করে ও বৃদ্ধি সাধন অব্যাহত রাখে এবং শরীরকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন করে গড়ে তোলে।
সুতরাং, খাদ্য গ্রহণের উদ্দেশ্য শুধু ক্ষুধা নিবারণ নয়, শরীর সুস্থ রাখা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!