হ্যাঁ, পলাশের, ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া ভূমিকা রেখেছে বলে আমি মনে করি।
আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষতার ফলে পৃথিবীর একদেশ থেকে অন্যদেশের দুরত্ব কমে এসেছে। দূরত্ব কমে আসার ফলে দেশগুলো পল্লিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সকল দেশ এখন বিশ্বপল্লির অংশ। আর এই প্রক্রিয়া হলো বিশ্বায়ন। বিশ্বায়নের ফলে বিভিন্ন দেশের সমাজ, সংস্কৃতি আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলেছে। কর্ম, দেশের সমাজ, সংস্কৃতি আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলছে। কর্ম, ব্যবসায়-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ক্ষেত্র এখন দেশের সীমা অতিক্রম করে পুরো বিশ্বে বিস্তার লাভ করছে। উদ্দীপকে পলাশ ইন্টারনেটের ব্যবহারের ফলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সমাজ ও সংস্কৃতির সাথে তার ভাব বিনিময় হয়েছে। ফলে পলাশ কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থা বা সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে অবহিত হয়েছে। সাথে সাথে কানাডায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার জন্য স্কলারশিপ পেয়েছে। শিক্ষা-সংস্কৃতির ক্ষেত্রুে বিশ্বায়নের ফলে পলাশ এ সুযোগ লাভ করেছে।
সুতরাং আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে পারি, পলাশের ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন। প্রক্রিয়া ভূমিকা রাখছে।
Related Question
View Allসামাজিকীকরণ হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষ সমাজের রীতিনীতি, নিয়মকানুন ও মূল্যবোধ শেখে। জন্মের পর থেকেই মানব শিশু পরিবার, প্রতিবেশী, সমবয়সী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এর ফলে সে সমাজের একজন উপযোগী সদস্য হিসেবে গড়ে ওঠে।
সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করে। এটি পরিবার, প্রতিবেশী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যক্তির মূল্যবোধ, আচরণ ও চিন্তাধারা গঠনের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া সমাজের সঙ্গে মানুষের সামঞ্জস্য সাধনে সাহায্য করে।
পরিবার সামাজিকীকরণের প্রথম ও প্রধান মাধ্যম। শিশুর আবেগ, আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ধর্মচর্চা এবং পোশাক-পরিচ্ছদের মতো বিষয়গুলো পারিবারিক পরিবেশে গড়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠন হয়। এজন্য পরিবারকে সামাজিকীকরণের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম বলা হয়।
প্রতিবেশী শিশুর সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিশুর চারপাশের মানুষের আচরণ, রীতিনীতি ও মূল্যবোধ তার আচরণে প্রভাব ফেলে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশা করে শিশু সমাজের নিয়ম ও রীতিনীতি সহজে আয়ত্ত করে। এটি তার সামাজিক দক্ষতা বাড়ায়।
স্থানীয় সমাজের সাহিত্য, সাংস্কৃতিক সংঘ, বিজ্ঞান ক্লাব এবং খেলাধুলার ক্লাব শিশুর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সাহায্য করে। এসব সংগঠনে অংশগ্রহণ করে শিশু সহনশীলতা, বুদ্ধিবৃত্তি ও সৌন্দর্যবোধের বিকাশ ঘটায়। এতে শিশু স্থানীয় সমাজের অংশ হয়ে ওঠে এবং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয়।
স্থানীয় সমাজের সাহিত্য, সংগঠন এবং ক্লাব শিশুর চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে ভূমিকা রাখে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিশু সহনশীলতা, সহযোগিতা ও সৃজনশীলতা শেখে। এটি তাকে সমাজের কার্যকর অংশীদার হতে সাহায্য করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!