প্রতিযোগী ব্যবসায়ীরা মি. মাহিনের নীতি অনুসরণ করে ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে আমি মনে করি।
মানুষের চাহিদা অসীম কিন্তু সম্পদ সীমিত। তাই মানুষকে সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার করে চাহিদা পূরণের কাজটি সম্পন্ন করতে
যেখানে সম্পদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, উন্নতকরণ, সংরক্ষণ, ব্যবহার এবং পরিবহনসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধবকে নিশ্চিত করে। সবুজ বিপণনের প্রয়োগ এবং ব্যবহার কিছুটা ব্যয়বহুল হলেও এর কল্যাণ দীর্ঘমেয়াদি।
উদ্দীপকের মি. মাহিন পরিবেশবান্ধব বিপণন কর্মসূচি প্রণয়নের মাধ্যমে ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করেছেন। তার এ সফলতা দেখে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোও একই নীতি ও পরিকল্পনা অনুসরণের চিন্তা করল। এক্ষেত্রে প্রতিযোগী ব্যবসায়ীরা যদি সঠিকভাবে মি. মাহিনের মতো পরিবেশবান্ধব বিপণনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পারে তাহলে তারা ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে আশা করা যায়। কেননা এখানে মাহিনের পরিকল্পনা সফল হওয়াতে বোঝা গেল ক্রেতারা পরিবেশবান্ধব বিপণনের ধারণাটি অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যেই গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে বাজারে যদি এ ধরনের বিপণন পরিকল্পনা নিয়ে একাধিক কোম্পানি আসে তাহলে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে পণ্যের মারও বাড়বে। আর পণ্যের মান বৃদ্ধি পেলে ক্রেতা সন্তুষ্টি, বিক্রয় ও মুনাফা উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রতিযোগী কোম্পানিগুলোও পরিবেশবান্ধব বিপণনে দক্ষ হয়ে উঠবে।
সুতরাং প্রতিযোগী ব্যবসায়ীরা মি. মাহিনের নীতি অনুসরণ করলে ব্যবসায়ে অধিক সফলতা অর্জনে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allআন্তঃক্রিয়াশীল অনলাইন কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় তাকে অনলাইন মার্কেটিং বলে।
যে বিপণন মতবাদে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে। এটি এমন একটি ধারণা বা মতবাদ যেখানে পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। এই মতবাদে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াটি এমন হতে হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। আবার পণ্যের মোড়কীকরণ এমন হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। অন্যদিকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয় এ দিকটিকে লক্ষ রেখে পণ্যের বণ্টনকার্য পরিচালনা করতে হয় বলে বলা যায় গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব বিপণনকে উৎসাহিত করে।
উদ্দীপকের 'জিপান' একটি চেইন স্টোর।
একই মালিকানা ও পরিচালনায় দেশের বা শহরের বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে উৎপাদনকারীর উৎপাদিত পণ্য ভোক্তাদের নিকট বিক্রয়কারী
প্রতিষ্ঠানকে চেইন স্টোর বা বিপণিমালা বলে। যেমন- স্বপ্ন, আগোরা, মীনা বাজার ইত্যাদি।
উদ্দীপকের মি. জিতু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর বাণিজ্যিক কেন্দ্রে 'জিপান' নামে ২৫টি বিপণি প্রতিষ্ঠা করেন; যার পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান তিনি নিজেই করেন। তিনি 'জিপান' বিপণিতে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উন্নতমানের পণ্যসামগ্রী একই নীতি অনুসরণ করে বিক্রয় করেন। অর্থাৎ 'জিপান' বিপণির সকল কর্মকান্তই চেইন স্টোরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই 'জিপান' বিপণি একটি চেইন স্টোর।
উদ্দীপকের মি. জিতুর বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত সঠিক ও বাস্তবসম্মত।
একই দালানে অবস্থিত ও একই মালিকানায় পরিচালিত বিভিন্ন পণ্য পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে কোনো বৃহদায়তন খুচরা বিপণির মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হলে তাকে বিভাগীয় বিপণি বলে। যেমন- বাংলাদেশের আড়ং একটি বিভাগীয় বিপণি।
উদ্দীপকের মি. জিতু জাপান থেকে এসে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে 'জিপান' নামে ২৫টি চেইন স্টোর প্রতিষ্ঠা করেন। তার দক্ষ পরিচালনার ফলে 'জিপান' অল্পদিনের মধ্যেই বেশ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পরবর্তীতে তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তা করেন এবং ঢাকা শহরে নতুন একটি বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অর্থাৎ তিনি চেইন স্টোরের মাধ্যমে সফলতা অর্জনের পর একটি আধুনিক বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসায়কে আরও সম্প্রসারণ ও লাভজনক করতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে যেহেতু 'জিপান' বিপণির ব্যাপক - সুনাম রয়েছে, তাই নতুন বিভাগীয় বিপণিটিও ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে পারবে এবং ব্যবসায়িকভাবেও সফল হবে বলে আশা করা যায়।
সুতরাং, সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় মি. জিতুর ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত হয়েছে।
যে মার্কেটিং মতবাদে বর্তমান মার্কেটিং চিন্তা-চেতনা এবং কার্যক্রমে, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে, পণ্য মোড়কীকরণে এবং পণ্য বইনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত ক্যাটালগ দেখে ক্রেতারা পণ্য নির্বাচন করে মেইলের মাধ্যমে অথবা টেলিফোনে পণ্য সরবরাহের অর্ডার প্রদান করলে, তাকে ক্যাটালগ মার্কেটিং বলা হয়।
ক্যাটালগ মার্কেটিং পদ্ধতিটি সর্বপ্রথম ১৮৭২ সালের ফ্রান্সের Montgomery Ward এ বসবাসকারী পরিবারের জন্য চালু করা হয়। শুরুতে ক্যাটালগগুলো ছাপানো অবস্থায় সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে তা ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে প্রচার করা হয়। ক্যাটালগ মার্কেটিং-এ বিজ্ঞাপনের সহায়তা গ্রহণ করা হলে তা অধিক কার্যকরী হয়। আমাদের দেশে মেশিনারি পণ্য বিক্রয়, কোচিং সেন্টারের প্রচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ছাপানো ক্যাটালগ পদ্ধতি ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!