উদ্দীপকের 'B' পর্বতটি হলো ইউরোপের আল্পস, যা ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
বাংলাদেশের পর্বতগুলো হিমালয় তথা ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণির সমগোত্রীয়। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহড় সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির অনুরূপ।
বাংলাদেশের অধিকাংশ পর্বত কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে গঠিত হয়েছে। এগুলো সাধারণত ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির। সমুদ্র তলদেশের অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমা হয়ে এর চাপে অবনমিত স্থান আরো নিচে নেমে যায়। পরবর্তীতে ভূআলোড় বা
ভূমিকম্পের ফলে ও প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে উর্ধ্বভাঁজ ও অধঃভাঁজের সৃষ্টি হয়। এভাবে ভাঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। বাংলাদেশের পাহাড়গুলো গিরিজনি আলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয়েছে বলে এগুলো হিমালয় তথা ভঙ্গিল পর্বত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং আলোচনা হতে বলা যায় যে, বাংলাদেশের অধিকাংশ পর্বত 'B' তথা ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণির অন্তর্গত।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!