মাসলো-এর মতে, শারীরিক শিৰার প্রয়োজনীয়তা ৩টি স্তরে সাজানো।
শারীরিক শিক্ষা মানসিক বিকাশ সাধনের উদ্দেশ্য:
১. ব্যক্তির উপস্থিত চিন্তাধারার বিকাশ সাধন করা।
২. নৈতিকতা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা।
৩. সেবা ও আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হওয়া।
৪. বিভিন্ন দলের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলা।
উদ্দীপকে শারীরিক শিক্ষা প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্যক্তির মানসিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতা আনতে শারীরিক শিবার প্রয়োজন রয়েছে। নিম্নোক্ত উপায়ে শারীরিকশিক্ষা শিশুর মানসিক ও আত্মিক পরিপূর্ণতা আনে।
১. শারীরিক শিক্ষা শিশুর মানসিক ও বুদ্ধিমত্তার ভিত গড়ে তোলে।
২. শিৰার্থীর পড়াশোনার একঘেয়েমি দূর করে।
৩. শিৰার্থীরা চারিত্রিক গুণাবলির বিকাশ ঘটায়।
৪. শারীরিক শিক্ষা শিৰার্থীর আত্মসচেতনতা, আত্মনির্ভরতা, অর্থোপলব্ধি ও আত্মশ্রদ্ধা বাড়িয়ে তোলে।
৫. শারীরিক শিক্ষা পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলতে সাহায্য করে।
৬. শারীরিকশিক্ষা চিত্তবিনোদনের ও অবসর সময় কাটানোর উপায় নির্বাচনে সাহায্য করে।
তুলি, নাদিরা ও নাসরিন শারীরিক শিৰা নিয়ে আলোচনা করছিল।
শারীরিকশিক্ষা সমাজ জীবনে অত্যন্ত গুরবত্বপূর্ণ। নিচে সামাজিক ৰেত্রে শারীরিক শিক্ষা প্রয়োজনীয়তার সপৰে যুক্তিগুলো প্রদর্শন করা হলো:
১. শারীরিক শিক্ষা সমাজে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে।
২. খেলাধুলায় সামাজিক সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটে ও মানসিক গুণ অর্জনে সহায়তা করে।
৩. শারীরিক শিক্ষা সমাজে নেতৃত্বদানের বমতার বিকাশ ঘটায়।
৪. শারীরিক শিক্ষা দেশ ও সমাজের সংস্কৃতির সাথে পরিচয় ঘটায়।
৫. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে শারীরিক শিক্ষা ভূমিকা রাখে।
৬. শিৰার্থীর উদার মানসিকতা ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে তোলে শারীরিক শিবা।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!