যখন মাটিতে পানির পরিমাণ কমতে কমতে মাটি পানিশূন্য হয়ে যায় এবং এর ফলে মাটিতে গাছপালা ও শস্য জন্মাতে পারে না তখন সেই অবস্থাকে বলা হয় খরা।
বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর আর ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। এরূপ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড় কবলিত দেশ। যেমন- ঘূর্ণিঝড়
সৃষ্টি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে।
তুলির লক্ষ করা প্রাকৃতিক দুর্যোগটি হচ্ছে ভূমিকম্প। ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তি আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট স্পন্দনের দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠে সংঘটিত আকস্মিক ও অস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে।
ভূমিকম্প সৃষ্টির কারণ নিচে বর্ণনা করা হলো-
আমাদের ভূগর্ভ কতগুলো ভাগে বিভক্ত, যাদেরকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই টেকনোনিক প্লেটগুলো স্থিতিশীল নয়, এগুলো চলমান। চলমান একটি প্লেট আরেকটি প্লেটে চাপ দেওয়ার কারণে সেখানে শক্তি সঞ্চিত হয়। এখন হঠাৎ করে প্লেটগুলো সরে যায়, তখন সঞ্চিত শক্তি বের হয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। একটি ভূমিকম্প যত বড় হয় তত দূর থেকে সেটি অনুভব করা যায়।
উদ্দীপকের প্রাকৃতিক দূর্যোগটি হচ্ছে ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই, তবে এতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়ম মেনে ঘর-বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা তৈরি করা। আমাদের দেশে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে যে সকল বড় বড় দালান কোটা তৈরি করা হয়, সেখানে অবশ্যই ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভূমিকম্পের আগে করণীয়: সম্ভব হলে সকল বাসাতেই অগ্নিনির্বাপক প্রস্তুতি
থাকা দরকার। এর সাথে প্রাথমিক চিকিৎসা কিট, ব্যাটারি চালিত রেডিও, টর্চ লাইট, কিছু বাড়তি ব্যাটারি, শুকনো খাবার ও পানি রাখার ব্যবস্থা থাকা দরকার। ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে, সেটি স্কুল কলেজে বা কর্মক্ষেত্রে "ড্রিল" করে শিখে নেওয়া এবং পাশাপাশি কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় তা শিখে রাখা দরকার। ভূমিকম্পের সতর্কতা হিসেবে জরুরী এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ভূমিকম্পের সময় করণীয়: ভূমিকম্পের সময় ভয়ে বা অতঙ্কে দিগ্বিদিক
জ্ঞানশূন্য হওয়া যাবে না। ঘরের মধ্যে থাকলে হুড়োহুড়ি করে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা না করে দেয়ালের পাশে দাড়াতে হবে অথবা শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিতে হবে। কখনোই লিফট দিয়ে নামার চেষ্টা করা যাবে না।
ভূমিকম্পের পরে করণীয়: ভূমিকম্পে আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক
চিকিৎসার পাশাপাশি গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে যার প্রয়োজন বেশি তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পানি, ইলেক্ট্রিসিটি, গ্যাস লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত বিল্ডিং, সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে থাকতে হবে। দ্রুত ত্রাণ কাজের জন্য বিদ্যুৎ, পানি, রাস্তাঘাট, যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন ইত্যাদি সব রকমের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সরকারিভাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ কাজগুলো সম্পাদন করতে হবে। বড় ভূমিকম্প হলে আফটআর শক হিসেবে আরো ভূমিকম্প হতে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!